উচ্চশিক্ষায় প্রসারে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির উদ্যোগ রাজ্যের

রাজ্যে আরও বেশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এর জন্য আনা হচ্ছে নতুন নীতি। আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন নীতি ঘোষণা করা হবে। উচ্চশিক্ষায় ছাত্রছাত্রীদের অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে দেশের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। গোটা দেশে উচ্চশিক্ষায় গড়ে ১৪ শতাংশ ছাত্রছাত্রী পড়তে গেলেও এ রাজ্যে গড় ১৩ শতাংশ। রাজ্য সরকার চাইছে, ৩০ শতাংশ ছাত্রছাত্রীকে উচ্চশিক্ষার আওতায় নিয়ে আসতে। এরজন্য আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে চার লক্ষ। সেইকারণেই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়াতে চায় সরকার।

সংসদ নয়, স্কুলই নেবে পাস-ফেলের সিদ্ধান্ত

সন্তোষপুরের ঋষি অরবিন্দ বালিকা বিদ্যাপীঠে নতুন করে পরীক্ষা নয়। এমনই নির্দেশ দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। কোনওরকম ভুল-ত্রুটি থাকলে তা সমাধানের ব্যবস্থাও করবে সংশ্লিষ্ট স্কুল। এ বিষয়ে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ কোনওভাবেই হস্তক্ষেপ করবে না বলে নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। এই নির্দেশের পাশাপাশি স্কুলে এধরনের আন্দোলন যে সরকার একেবারেই সমর্থন করে না, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন ব্রাত্য বসু।

কলেজ আয়ের অর্ধাংশ যাবে রাজকোষে, আজ নির্দেশিকা

কলেজের আয়ের ৫০ শতাংশ টাকা দিতে হবে সরকারকে। রাজ্যের বিভিন্ন কলেজে এমনই নির্দেশ পাঠাল উচ্চশিক্ষা দফতরের। সরকারের দাবি যেহেতু পার্ট টাইম শিক্ষকদের বেতনের দায়িত্ব সরকার নিচ্ছে, সেহেতু কলেজের আয়ের ৫০ শতাংশ টাকা সরকারের কাছে জমা দিতে হবে। যদিও এভাবে সরকারকে টাকা দিতে হলে আগামিদিনে কলেজ চালানোই মুশকিল হবে বলে আশঙ্কা করছেন অনেক কলেজ কর্তৃপক্ষ।

প্যানেল বহির্ভূত নিয়োগ

প্যানেলে নাম নেই, অথচ সেই ব্যক্তিকে দিয়ে দেওয়া হল চাকরি। নজিরবিহীনভাবে এমনই কাণ্ড ঘটালেন প্রাথমিক শিক্ষাপর্ষদের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার সভাপতি মিনা ঘোষ। অথচ প্যানেলে যাঁদের নাম ছিল, তাঁদের একজনও পেলেন না চাকরি।