দোল, দোল দুলুনি...

রায়া দেবনাথ

বাঙালিদের ঝুলিতে উৎসবের সংখ্যা চিরকালই ক্রমবর্ধমান। রসে বসে থাকুক বা না থাকুক ফেস্টিভ্যাল পালনে বাঙালিদের কোনও কার্পণ্য নেই। উৎসবের মামলায় বঙ্গ জনতা, মহাই বিলকুল সাম্যবাদী। তবে মধ্যবিত্ত ভীরু ট্যাগ নিয়ে জন্মানো বাঙালি জাতির জীবনে অ্যাডালটারেশনের অভাব না থাকলেও অ্যাডাল্ট উৎসব বলতে সেই সবে ধন নীলমণি দোল।

বাঙালির জীবনে পুং ঠাকুর দুজনই। এক কেষ্ট ঠাকুর (অবশ্যই এখানে চণ্ডীদাস আর জয়দেবের কৃষ্ণের বঙ্গীয়করণ আলোচ্য বিষয়। ব্যাসদেবের ভোজপুরি রাজা কৃষ্ণ ব্রাত্যজন) আর এক জন রবি ঠাকুর। তা এই দুই প্রেমিক প্রবর ঠাকুর মশাই রঙের উৎসবকে বঙ্গ জীবনের অঙ্গ যখন বানিয়েই গেছেন তখন তার থেকে মুখ ঘুরিয়ে থাকে কোন বেরসিক! কৃষ্ণ-রবির নাম যে উৎসবের সঙ্গে জড়িয়ে সেখানে প্রাপ্তবয়স্ক খুনসুটি থাকবে না? ধুর, তাও কি কখনও হয় নাকি!

দোল বা হোলি হলো অনেকটা রাবণের মত। যার জীবনে শিশু দশা প্রায় নেই বললেই চলে। বরং শিশুরা দোলের ছোঁয়ায় টুকুস করে বড় হয়ে ওঠে। তবে রঙ নিয়ে রঙবাজি করার আগে টুকটাক বিধিসম্মত সতর্কীকরণ সঙ্গে টুকটাক জ্ঞান বিতরণ-