হয়েছে শিলান্যাস, হয়নি প্রতিশ্রুতি মত হাসপাতাল

কথা ছিল হাসপাতাল হবে। শিলান্যাসও হয়েছিল। কিন্তু, প্রতিশ্রুতি থেকে গিয়েছে প্রতিশ্রুতিতেই। আজও নদিয়ার কুপার্স ক্যাম্পের মানুষ পেলেন না হাসপাতাল। কুপার্স পুরবোর্ড এখন তৃণমূলের হাতে। অথচ হাসপাতাল তৈরির বিষয়ে তেমন কিছুই জানেন না পুরপ্রধান। দেশভাগের পর ছিন্নমূল বহু মানুষের ঠিকানা হয়েছিল এই কুপার্স ক্যাম্প। কয়েকহাজার পরিবারের বাস এই এলাকায়। কিন্তু, নেই কোনও হাসপাতাল। তাই দীর্ঘদিন ধরেই এই দাবি জানিয়ে আসছেন এলাকার মানুষজন। পুরসভা গঠনের পর থেকে মূলত বোর্ড থেকেছে কংগ্রেসের হাতে। একবার মাত্র বামেরা বোর্ড গঠন করেছিল। শঙ্কর সিংয়ের খাসতালুক বলে পরিচিত কুপার্স ক্যাম্পে অবশ্য স্বাভাবিকভাবেই জমি শক্ত কংগ্রেসের। দুহাজার বারোর শেষদিকে এখানেই একটি হাসপাতাল করার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শিলান্যাসও হয়। কিন্তু, কোথায় কী?

এসএসকেএমের হোস্টেলে মাদক ঢুকল কী করে? সুপারকে ডেকে পাঠল হাসপাতাল কতৃপক্ষ

এসএসকেএমে মাদককাণ্ডে এক ইন্টার্নের মৃত্যুর পর হস্টেল সুপারকে ডেকে পাঠাল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কীভাবে হস্টেলে মাদক পৌঁছল তার জবাবও চাওয়া হয়েছে সুপারের কাছে। এই ঘটনা নিয়ে রোগী কল্যান সমিতির জরুরি মিটিং ডাকা হয়েছে আগামিকাল। বৈঠকে থাকতে পারেন মন্ত্রী মদন মিত্র এবং ফিরহাদ হাকিম। হস্টেলে মাদক ঢোকা বন্ধ করতে ওয়ার্ডেন ও নিরাপত্তা রক্ষী নিয়োগ সহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নিতে চলেছে এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ। তবে এরজন্য স্বাস্থ্য দফতরের অনুমোদন প্রয়োজন। তাই এবিষয়ে স্বাস্থ্য দফতরে আবেদন জানাচ্ছে এসএসকেএম। এই ব্যবস্থা যাতে রাজ্যের সব মেডিক্যাল করা যায় তা নিয়েও এসএসকেএমের তরফে প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে।