কেন তরুণ প্রজন্ম ঝুঁকেছে এক গাল দাড়িতে!

কেন তরুণ প্রজন্ম ঝুঁকেছে এক গাল দাড়িতে!

আগে মেয়েদের কাছে স্বপ্নের পুরুষ মানেই ছিল টল, ডার্ক অ্যান্ড হ্যান্ডসাম। আর অবশ্যই ক্লিন সেভ! কিন্তু দিন পাল্টেছে। বান্ধবী, সঙ্গীনী অথবা স্ত্রী যেমনই চান না কেন, দেশের যুবসমাজ এখন মজেছে দাড়ি-গোঁফে! হ্যাঁ, নিজেকে ক্লিন সেভ রেখে আর ঝকঝকে, তকতকে, সুন্দর-সুন্দরভাবের পুরুষ হিসেবে দেখতে চাইছে না আজকের ভারতীয় পুরুষরা। আপনিও কি তাই? এখন গাল ভর্তি দাড়িরই জামানা। এর কারণ কী? এই প্রশ্নের উত্তরে অনেক বিশেষজ্ঞই বলেছেন, 'আসলে একেকটা দশকে এক একটা স্টাইল ওঠে। মানুষ নিজেকে তেমনটাই দেখতে চায়। এই প্রজন্মে যাঁরা নতুন প্রজন্মের কাছে আদর্শ, তাঁরা বেশিরভাগই গালে দাড়ি রাখেন, তাই এমন।' ঠিকই ইদানিং, বলিউড মুভির নায়করাই হন অথবা ক্রিকেটাররা, সবাই কিন্তু এক গাল দাড়ি রেখেই মেয়েদের মন জিতছেন। আপনি কোনটা করছেন? একদম ক্লিন সেভ নাকি এক গাল দাড়ি?

 প্রজাতন্ত্র দিবসে এমন জিনিস ঘটতে চলেছে, যা গত ২৬ বছর ঘটেনি! প্রজাতন্ত্র দিবসে এমন জিনিস ঘটতে চলেছে, যা গত ২৬ বছর ঘটেনি!

এবার প্রজাতন্ত্র দিবসে এমন একটা জিনিস ঘটতে চলেছে, যা গত ২৬ বছর ঘটেনি! ২৬ বছর বন্ধ থাকার পর  এবার প্রজাতন্ত্র দিবসে ফের রাজপথে মার্চ করতে দেখা যাবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ডগদের। এই মুহূর্তে ভারতীয় সেনার কাছে রয়েছে ১২০০ ল্যাব্রাডর এবং জার্মান শেফার্ড। যদিও এর মধ্যে থেকে বাছাই ৩৬টি ডগই সুযোগ পাবে রাজপথে প্রজাতন্ত্র দিবসে প্যারেড করার। সেইজন্য বিশেষ ট্রেনিংও দেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। ১৯৬০ সালে মীরাটে একটি ডগ ট্রেনিং স্কুল খোলা হয়। তারপর থেকে ভারতীয় সেনার কাছে আসতে থাকে বিশেষ ট্রেনিং প্রাপ্ত একের পর এক ভালো মানের ডগ।