দোলার দিদিগিরি: আইন ভেঙেও পুলিসকে চড় মারার হুমকি তৃণমূল নেত্রীর

দোলার দিদিগিরি: আইন ভেঙেও পুলিসকে চড় মারার হুমকি তৃণমূল নেত্রীর

ফের দিদিগিরি দোলা সেনের। কর্তব্যরত পুলিসকর্মীকে চড় মারার হুমকি দিলেন তৃণমূলের এই নেত্রী। এমনকি ওই সিভিক পুলিসকে কান ধরে ওঠবোসও করাতে বলেন তিনি। ওই সিভিক পুলিসের 'অপরাধ', রং সাইডে যাওয়া দোলা সেনের গাড়ি আটকিয়েছিলেন তিনি।

আরও এক ট্যাক্সি ধর্মঘট শহরে, নাকাল নিত্য যাত্রীরা আরও এক ট্যাক্সি ধর্মঘট শহরে, নাকাল নিত্য যাত্রীরা

আরও একটি ট্যাক্সি ধর্মঘট। আবারও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি। ধর্মঘটের জেরে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন ট্যাক্সিযাত্রীরা। শিয়ালদা থেকে উধাও ট্যাক্সি। মহানগরীর রাস্তাঘাটেও ট্যাক্সির দেখা মেলেনি। সরকারি ট্যাক্সি স্ট্যান্ড, পুলিসি জুলুম বন্ধ সহ একাধিক দাবিতে রাজ্যজুড়ে এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে এআইটিইউসি অনুমোদিত কলকাতা ট্যাক্সি অপারেটর্স ইউনিয়ন।

বন্ধ একের পর এক কারখানা, দলের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ, তাও রাজ্যের শিল্প পরিস্থিতি স্বাভাবিক দাবি শিল্পমন্ত্রীর বন্ধ একের পর এক কারখানা, দলের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ, তাও রাজ্যের শিল্প পরিস্থিতি স্বাভাবিক দাবি শিল্পমন্ত্রীর

শাসক দলের শ্রমিক সংগঠনের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ উঠছে রাজ্য জুড়ে। অথচ বণিকসভার মঞ্চে দাঁড়িয়ে শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক ঘোষণা করলেন রাজ্যের শিল্প-পরিস্থিতি স্বাভাবিক। শ্রমমন্ত্রী যোগ দিলেও আলোচনায় গড়হাজির ছিলেন তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেত্রী দোলা সেন।

ইসিএল-এর তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের নেতার চড়ে মৃত্যু ঠিকাদারের ইসিএল-এর তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের নেতার চড়ে মৃত্যু ঠিকাদারের

ঠিকাদারকে চড় মারতেই মৃত্যু। অভিযোগ অন্ডালের ইসিএলের সিএল জামবাদ কোলিয়ারিতে। অভিযোগ তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতার বিরুদ্ধে। আজ সকালে কোলিয়ারিতেই মালপত্র নিয়ে বচসায় জড়িয়ে পড়েন শ্রমিক নেতা কেদার পাল এবং ঠিকাদার অসীম মুখার্জি।

অপহরণের অভিযোগ আইএনটিটিইউসি কর্মীদের বিরুদ্ধে

দুর্গাপুরের কুমারমঙ্গলমপার্কের রক্ষণাবেক্ষণকারী সংস্থার এক আধিকারিককে মারধর ও অপহরণের অভিযোগ উঠল আইএনটিটিইউসি কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে। পরে সংস্থার সিনিয়র ম্যানেজার দুর্গাপুর থানায় অভিযোগ জানালে পুলিস গিয়ে আইএনটিটিইউসির দলীয় কার্যালয় থেকে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হলেও এপর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিস।

শোভনে নয়, মন্মথেই অনড় তৃণমূল

শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নিগ্রহের ঘটনায় জড়িত তৃণমূল নেতা মন্মথ বিশ্বাসকে ভর্ত্সনা করা তো দূরস্থান, এবার তাঁর

নেতৃত্বের ওপরই আস্থা রাখতে চলেছে দল। ভাঙন ধরতে চলেছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইএনটিইউসিতে। শিক্ষাবন্ধু

সমিতিতে যোগ দিতে চলেছে আইএনটিটিইউসির একাংশ।

বিদ্রোহী শোভনদেব; নেমে আসতে পারে দলীয় শাস্তির খাঁড়া

ফের বিদ্রোহের সুর শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের গলায়। "তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে ফেলেছে কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ। যাঁরা নতুন তৃণমূলে এসেছে তারা

তৃণমূলকে গুছিয়ে নিতে চাইছে"। আজ কলকাতায় তৃণমূল ট্রেড ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠা দিবসের এক অনুষ্ঠানে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন প্রবীণ এই তৃণমূল নেতা ।

তৃণমূল সূত্রে খবর, শোভনদেবের বক্তব্যে যথেষ্টই ক্ষুব্ধ তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় শাস্তির মুখে পড়তে পারেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে, তাঁকে বিধানসভায় দলের মুখ্য সচেতকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছে তৃণমূল। শোভনদেবের জায়গায় তাপস রায়কে মুখ্য সচেতক

করা নিয়েও ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে।

এবিজি বিদায়ে অভ্যন্তরীণ তদন্তের নির্দেশ

হলদিয়া থেকে এবিজি বিদায়ের ঘটনায় অভ্যন্তরীণ তদন্তের নির্দেশ দিল জাহাজ মন্ত্রক। হলদিয়া বন্দরের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে এর আগে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছিল

কেওপিটির তরফে। সংশ্লিষ্ট মহলের অনুমান, ওই রিপোর্ট পছন্দ হয়নি জাহাজ মন্ত্রকের। সেকারণেই নতুন করে তদন্তের সিদ্ধান্ত।

বেলঘরিয়া বাস ডিপোয় তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে আজ উত্তেজনা ছড়ায় বেলঘরিয়া বাস ডিপোর আইএনটিটিইউসির সদস্যদের মধ্যে। ইউনিয়নের কয়েকজন  সদস্যের দাবি,  রাজ্যে পালা বদলের আগে থেকেই তাঁরা আইএনটিটিইউসির সদস্য। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর  ওই বাস ডিপোর আরও অনেক কর্মী আইএনটিটিইউসিতে যোগ দেন। পুরনো সদস্যদের অভিযোগ, নতুন সদস্যরা তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর পুরনোদের অস্তিত্ব মানতে চাইছেন না।

বন্দরের ইউ-টার্ন, এবিজির বিরুদ্ধে মামলা চালাবে বন্দর

কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে এবিজির বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট। এবিজির সঙ্গে চুক্তি খারিজের আর্জি জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষই। আজ বন্দর কর্তৃপক্ষ সেই মামলাই প্রত্যাহারের আবেদন জানায়। আবেদন মঞ্জুরও হয় বিচারপতি সম্বুদ্ধ চক্রবর্তীর এজলাসে। পরে আবার বন্দর কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা প্রত্যাহার না করার আবেদন জানিয়েছে। আগামী ৫ নভেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি।

ফ্লপ শো-এর নজির গড়ে হলদিয়াতে বিশিষ্টরা

বহ্বারম্ভে লঘুক্রিয়া! পরিস্থিতির সরেজমিনে তদন্ত করতে তৃণমূলপন্থী বুদ্ধিজীবীদের হলদিয়া সফরের চিত্র দেখে এ কথাই মনে আসে। গত দুদিন ধরে প্রচারের ঝড় তুলে তৃণমূলপন্থী বুদ্ধিজীবীরা হলদিয়ায় উপস্থিত হন। কিন্তু যে ৩০ জন হলদিয়ায় উপস্থিত হয়েছিলেন, তাঁদের পরিচয় এবং সফরের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় লাঘব হয়ে যায় সফরের গুরুত্ব। গত তিন বছর ধরে রাজ্যের প্রথম সারির যে বুদ্ধিজীবীদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল, তাঁদের একজনকেও আজ হলদিয়ায় দেখা যায়নি।

মামলা প্রত্যাহার বন্দরের, বিদায় নিতে বাধা রইল না এবিজির

এবিজির বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের মামলা প্রত্যাহার করল বন্দর কর্তৃপক্ষ। এর আগে চুক্তি না মানার কারণে বন্দর থেকে এবিজিকে সরিয়ে দেবার দাবি করে হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিল কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট। একত্রিশ অক্টোবর এবিজি কর্তৃপক্ষ নিজেরাই বন্দর ছাড়তে চাইলে এই আবেদন অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে। হাইকোর্টে বিচারপতি সম্বুদ্ধ চক্রবর্তীর এজলাসে পোর্ট ট্রাস্টের পক্ষ থেকে মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ার আর্জি জানান। সেই আবেদন মঞ্জুর হয়। এর ফলে অনায়াসেই হলদিয়া বন্দর ছেড়ে চলে যেতে পারবে এবিজি। একই সঙ্গে এবিজি চলে যাওয়ার দায়ও নিজের কাঁধ থেকে ঝেড়ে ফেলল বন্দর কর্তৃপক্ষ।

হাইকোর্টে শুনানি আজ, হলদিয়ামুখী তৃণমূলপন্থী বিশিষ্টরাও

এবিজি-র সঙ্গে চুক্তি ভাঙার দাবি নিয়ে হাইকোর্টে বন্দর কর্তৃপক্ষের মামলার আজ শুনানি। বন্দরের দুই এবং আট নম্বর বার্থে জাহাজ দেওয়া হলেও পণ্য ওঠানো-নামানো হচ্ছে না বলে অভিযোগ করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। সে কারণেই এবিজির সঙ্গে চুক্তিভঙ্গের দাবি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁরা। বুধবার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বুধবার এবিজি জানিয়ে দেয়, তারা আর হলদিয়া বন্দরে কাজ করতে চায় না। এবিজি হলদিয়া ছাড়ার কথা বলায় তাদের বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

টেলিফোনে হুমকি দিচ্ছেন শুভেন্দু: জানিয়েছিলেন বন্দর ম্যানেজার

এবিজির আনা প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগকে কার্যত এবার সত্যি প্রমাণ করল স্বরাষ্ট্রসচিবকে পাঠানো বন্দরের চেয়ারম্যান মণীশ জৈনের একটা চিঠি। এখানেই শেষ নয়, অন্য একটি চিঠিতে বন্দরের এক ম্যানেজারের মনীশ জৈনের কাছে সাংসদ শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে টেলিফোনের হুমকির অভিযোগ ও আনেন। প্রথম চিঠিটি লেখা হয় ১৯ সেপ্টেম্বর। স্বরাষ্ট্রসচিব বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঠানো সেই চিঠিতে মণীশ জৈন শ্রমিক অসন্তোষে বিপর্যস্ত বন্দর এলাকার সমস্যার সমাধান করতে প্রশাসনিক সাহাজ্যের অনুরোধ করেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয় আইএনটিটিইউসির নেতা শ্যামল আদকের নেতৃত্বে শ্রমিক বিক্ষোভে বন্দরের স্বাভাবিক কাজ ব্যহত হচ্ছে। অভিযোগ, প্রশাসনিক স্তরে এই চিঠির পাওয়ার পরেও সমস্যা মেটানোর কোনও চেষ্টা করা হয়নি।

পশ্চিমবঙ্গ ছাড়তে হাইকোর্টে আর্জি এবিজির

শিল্পমহলের আশঙ্কাকে সত্যি করে রাজ্য ছাড়তে চাইল পণ্যখালাসকারী সংস্থা এবিজি। হলদিয়া ছাড়তে চেয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে তারা। সেই সঙ্গে হলদিয়া বন্দরের সঙ্গে তাদের চুক্তি খারিজের জন্য, কলকাতা হাইকোর্টের কাছে আবেদন জানিয়েছে এবিজি কর্তৃপক্ষ। এর ফলে রাজ্যের শিল্পমূর্তি জোর ধাক্কা খেল। অন্যদিকে অভিযোগ পালটা অভিযোগে হলদিয়ার দুই ও আট নম্বর বার্থে অচলাবস্থা চলছেই। গতকালই মহাকরণে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী হলদিয়ায় কোনও অসন্তোষের খবরকেই পত্রপাঠ উড়িয়ে দেন। এমনকী বন্দরে বিক্ষোভ ও অচলাবস্থার খবরের পিছনে কিছু সংবাদমাধ্যমের দুরভিসন্ধি কাজ করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এবার শুভেন্দুদের হুমকির মুখে তৃণমূলেরই শ্রমিকরা

আজও থমথমে হলদিয়া। পুলিসি নিরাপত্তার ঘেরাটোপ থাকলেও এখনও শুরু করা যায়নি বন্দরের কাজ। এবিজি কর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছে তৃণমূল কর্মীরা। পুলিসের বিরুদ্ধেও মারধরের অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা।