স্পট ফিক্সিং ইস্যুর নথি চুরি, চোর খুঁজতে দেখা হচ্ছে সিসিটিভি ফুটেজ

স্পট ফিক্সিং ইস্যুর নথি চুরি, চোর খুঁজতে দেখা হচ্ছে সিসিটিভি ফুটেজ

চাঞ্চল্যকর ঘটনা। ষড়যন্ত্র নাকি  অন্তর্ঘাত। খোদ লোধা কমিটির অফিস থেকে স্পট ফিক্সিং ইস্যুর প্রয়োজনীয় নথি চুরি হয়ে গেল। জানা গেছে দুহাজার তেরো সালের আইপিএল স্পট ফিক্সিং ইস্যুর তদন্তে নেমে লোধা কমিটি এই সব নথি সংগ্রহ করেছিল।  বসন্ত কুঞ্জের অফিস থেকে সেই নথি খোয়া গেছে বলেই অভিযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি অফিসের ড্রয়ার ভেঙে চুরি হয়েছে বেশ কিছু টাকা। স্থানীয় পুলিস স্টেশনে তিনশো আশি ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। যদিও লোধা কমিটির তরফ থেকে সরকারীভাবে এখনও সঠিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমান জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। প্রত্যক্ষদর্শী অফিসের সিকিউরিটি গার্ডের বয়ান ও সিসিটিভির ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আইপিএলে চেন্নাই ও রাজস্থানকে ছাঁটা হবে না রাখা হবে? সিদ্ধান্ত  বিসিসিআইয়ের বার্ষিক সাধারন সভায় আইপিএলে চেন্নাই ও রাজস্থানকে ছাঁটা হবে না রাখা হবে? সিদ্ধান্ত বিসিসিআইয়ের বার্ষিক সাধারন সভায়

আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংস ও রাজস্থান রয়্যালসের ভাগ্য নির্ধারণ হতে পারে বিসিসিআইয়ের বার্ষিক সাধারন সভায়। এমাসের ২৯ তারিখের মধ্যে ওয়ার্কিং গ্রুপ তার রিপোর্ট জমা দেবে। তারপর বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসবে আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। গভর্নিং কাউন্সিলের রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা করে ওয়ার্কিং কমিটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে নিতে বোর্ডের এজিএম চলে আসবে বলেই মনে করছেন বিসিসিআই কর্তারা। তাদের ধারনা সেক্ষেত্রে বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভাতেই ঘোষিত হতে পারে আইপিএল নিয়ে নয়া পরিকল্পনা। বোর্ড সচিব অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছেন সব ফ্র্যাঞ্চাইজিই চাইছে আট দলের আইপিএলই হোক। বোর্ডের অন্য সূত্রে জানা গেছে আইপিএলের সব ফ্র্যাঞ্চাইজিই চাইছে চেন্নাই ও রাজস্থানকে ছেঁটে ফেলা হোক। তবে নতুন দুটি দল নেওয়া হবে কি না সেই চিত্র পরিস্কার হতে পারে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। এমনকী ২০১৭ থেকে দশ দলের আইপিএল হতে পারে।

৫ মাস পর স্পট ফিক্সিং কাণ্ডের দ্বিতীয় রিপোর্ট ৫ মাস পর স্পট ফিক্সিং কাণ্ডের দ্বিতীয় রিপোর্ট

স্পট ফিক্সিং ইস্যুতে দ্বিতীয় রিপোর্ট দেওয়ার জন্য পাঁচ মাস সময় চেয়ে নিল লোধা কমিটি। সুপ্রিম কোর্টের কাছে এই সময়সীমা চেয়ে আবেদন করেছেন এই কমিটির প্রধান আর এম লোধা। আইপিএলের চিফ অপারেটিং অফিসার সুন্দররমনের বিষয়ে এখনও তদন্তের রিপোর্ট পেশ করেনি পুলিস। এই রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে লোধা কমিটি। পাশাপাশি বিসিসিআই-এর সংবিধান সম্পর্কিত বেশ কিছু বিষয় খতিয়ে দেখে পরবর্তী রিপোর্ট পেশ করতে চাইছে লোধা কমিটি। বিশেষ করে কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্টের বিষয়টি নিয়ে রিপোর্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করতে চাইছে তারা। এর ফলে সাময়িক হলেও কিছুটা স্বস্তিতে বোর্ড কর্তারা।