ইরাকে সাদ্দামের রাজপ্রাসাদ হবে মিউজিয়াম

ইরাকে সাদ্দামের রাজপ্রাসাদ হবে মিউজিয়াম

হাজার হাজার জনতার সামনে ঝুলছে দেশের একদা রাষ্ট্রপ্রধান সাদ্দাম হোসেনের দেহ। দেখেছিল গোটা ইরাক, তামাম দুনিয়া। 'ডিক্টেটর' তকমাপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপ্রধানের মুখ থেকে জিভ বেড়িয়ে না আসা পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল তাঁকে। ছটপট করতে করতে শরীর নিস্তেজ হয়ে যাওয়া পর্যন্ত আমজনতা দেখেছিল সাদ্দাম হোসেনের নারকীয় ফাঁসি। ইতিহাসের পাতায় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের কলঙ্ক না এক 'স্বৈরাচারী' রাজার অধ্যায়ের অন্ত, এই বিচার ও তার ব্যাখ্যা নিয়ে চলবে উত্তাল তর্ক-বিতর্ক। তবে সাদ্দাম নিয়ে মানুষের মনে কৌতূহল যেমন আগেও ছিল, আছে আজও। মানুষের কৌতূহলের দরজাকে এবার উন্মুক্ত করে সাধারণের প্রবেশ হবে সাদ্দামের অন্দরমহলে। হ্যাঁ। সাদ্দাম হোসেনের প্যালেসকে সংগ্রশালা/মিউজিয়াম করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরাক। এমনটাই জানানো হয়েছে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক থেকে।

আত্মঘাতী বিস্ফোরণে বাগদাদে হত ২২, আহত ৫০ আত্মঘাতী বিস্ফোরণে বাগদাদে হত ২২, আহত ৫০

বাগদাদ: ইরাকের রাজধানী বাগদাদে কার্ফু চলাকালীন  ভয়াবহ  বিস্ফোরণে প্রাণ  হারালেন ২২ জন। আহত অন্তত ৫০।  শনিবার  পরপর দুটি বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে এলাকা। এই বিস্ফোরণ প্রশাসনিক অচলাবস্থা কাটার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

 প্রথমে একটি রেস্তোরাঁয় আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারান ১২ জন। নয়া বাগদাদের শিয়া অধ্যুষিত অঞ্চলের ওই রেস্তরাঁয়  বিস্ফোরণটি ঘটে। এর পর শরক মার্কেট জেলায় দ্বিতীয় বিস্ফোরণটি ঘটে। প্রাণ যায় ১০ জনের।

অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রকের মুখপাত্র সেনা প্রধান সাদ মান  জানিয়েছেন, কার্ফু-এর সঙ্গে বোমা বিস্ফোরণের কোনও যোগসূত্র নেই । ইরাকের সরকার বৃহস্পতিবার কার্ফু বিরতির কথা ঘোষণা করেছিল। এক দশক ধরে ধারাবাহিক কার্ফু থেকে মুক্তি পেতে চলেছিল বাগদাদ সহ আরও চারটি অঞ্চল।

 মধ্যরাত থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত কার্ফু জারি থাকে ইরাকের কিছু স্পর্শকাতর অঞ্চলগুলিতে। ২০০৩ সাল থেকে কার্ফু জারি রয়েছে ওই সব এলাকায়। ইরাক যুদ্ধের পর জনজীবনকে স্বাভাবিক করার জন্য এই সেনা অভিযানের যৌক্তিকতাকে মেনে নিয়েছিল ইরাক সরকার।