হাইকোর্টের নির্দেশে হতাশার অন্ধকারে সিভিক ভলান্টিয়ারদের পরিবার

হাইকোর্টের নির্দেশে হতাশার অন্ধকারে সিভিক ভলান্টিয়ারদের পরিবার

অভাবের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরোয়। ছোট থেকেই এমন অবস্থায় অভ্যস্ত ছিলেন বাঁকুড়ার সারেঙ্গার অমিত দুলে। তবে ২০১৩ থেকে অবস্থা বদলেছিল খানিকটা। সারেঙ্গা থানায় সিভিক ভলান্টিয়ারের কাজ মিলেছিল। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশে ফের হতাশার অন্ধকারে গোটা পরিবার। শুধু কী অমিত, গোটা রাজ্যের কয়েক হাজার সিভিক ভলান্টিয়ারের কাজ হারানো এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। 

১৮টি আসনের মধ্যে কে কোথায় শক্তিশালী? ১৮টি আসনের মধ্যে কে কোথায় শক্তিশালী?

পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার যে ১৮টি কেন্দ্রে আজ ভোট চলছে, ২০১১-তে কী ছিল ফলাফল? এই আসনগুলির মধ্যে কোথায় কোন দল শক্তিশালী? কোন দল সবচেয়ে বেশি আসনে জিতেছিল? একনজরে-

আজ ভোট জঙ্গলমহলে, নিরাপত্তায় ফাঁক রাখেনি কমিশন আজ ভোট জঙ্গলমহলে, নিরাপত্তায় ফাঁক রাখেনি কমিশন

বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় আজ ভোট জঙ্গলমহলে। তিন জেলার ১৮টি আসনে আজ ভোট হচ্ছে। এই ১৮টি আসনের অধিকাংশই একসময় মাওবাদী প্রভাবিত ছিল। তাই নিরাপত্তায় কোনও ফাঁক রাখেনি নির্বাচন কমিশন। কমিশনের বিশেষ নজরে রয়েছে এই কেন্দ্রগুলি।

জঙ্গলমহলে ভোট, বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, প্রশ্নের মুখে কেন্দ্রীয় বাহিনী : LIVE UPDATE জঙ্গলমহলে ভোট, বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, প্রশ্নের মুখে কেন্দ্রীয় বাহিনী : LIVE UPDATE

ওয়েব ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার প্রথম পর্যায়ে আজ ভোটগ্রহণ হল জঙ্গলমহলের ১৮টি আসনে। এর মধ্যে রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের ৬টি আসন, বাঁকুড়ার ৩টি আসন আর পুরুলিয়ার ৯টি আসন। এই আসনগুলির অধিকাংশই একসময় মাওবাদী প্রভাবিত ছিল। তাই নিরাপত্তায় কোনও ফাঁক রাখেনি নির্বাচন কমিশন। পুরুলিয়ায় মোতায়েন করা হয় ১৭২ কোম্পানি আধাসেনা। বাঁকুড়ায় ৬২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, আর পশ্চিম মেদিনীপুরে ১০৫ কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েন করা হয়। আজকের ভোটে মোট বুথ সংখ্যা ছিল ৪৯৪৫টি। এরমধ্যে ১৯৬২টি বুথ অতি স্পর্শকাতর, ১৭৪১টি বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। মোট ১৩৩ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হয় আজ। এই পর্যায়ে মোট ভোটদাতার সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০ লাখ।

সুষ্ঠভাবে ভোটপর্ব মেটাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপরেই ভরসা কমিশনের সুষ্ঠভাবে ভোটপর্ব মেটাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপরেই ভরসা কমিশনের

জঙ্গলমহলসহ রাজ্যের ১৮টি আসনে ভোট গ্রহণ। সুষ্ঠভাবে ভোটপর্ব মেটাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপরেই ভরসা রাখছে কমিশন। ইতিমধ্যেই এলাকায় পৌছে গেছে বাহিনী। চলছে রুটমার্চ। কাল দিন ভর আকাশ পথে টহল দেবে হেলিকপ্টারও।

ভারতী ঘোষের বদলি নিয়ে আপত্তিতে নির্বাচন কমিশনের তোপের মুখে রাজ্য প্রশাসন ভারতী ঘোষের বদলি নিয়ে আপত্তিতে নির্বাচন কমিশনের তোপের মুখে রাজ্য প্রশাসন

জঙ্গলমহল থেকে ভারতী ঘোষের বদলি নিয়ে আপত্তি তুলে নির্বাচন কমিশনের তোপের মুখে পড়তে হল রাজ্য প্রশাসনকে। মুখ্যসচিব বাসুদেব বন্দ্যাপাধ্যায়ের চিঠির জবাব দিতে গিয়ে নির্বাচন কমিশন যেভাবে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে, তাতে অস্বস্তি বেড়েছে রাজ্য সরকারের।

ভোটে জঙ্গলমহল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী সরানোয় আপত্তি রাজ্যের ভোটে জঙ্গলমহল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী সরানোয় আপত্তি রাজ্যের

বিধানসভা ভোটে জঙ্গলমহল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী সরানো সম্ভব নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে একথা জানিয়ে দিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের যুক্তি,  ঝাড়খণ্ড সীমান্ত দিয়ে মাঝ্যেমধ্যেই এরাজ্যে যাওয়া আসা করছে মাওবাদীরা। এই অবস্থায় বাহিনী সরালে জঙ্গলমহলের শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে।

আতঙ্ক কাটিয়ে হাসছে জঙ্গলমহল আতঙ্ক কাটিয়ে হাসছে জঙ্গলমহল

একটা সময় ছিল যখন জঙ্গলমহল মানেই ছিল আতঙ্ক। গুলি-বোমার শব্দ আর আতঙ্ক নিত্যসঙ্গী ছিল ওখানকার মানুষদের। মৃত্যুভয় সবসময় তাড়া করে বেড়াত। দীর্ঘদিন ধরে ভয়ে কুঁকড়ে যাওয়া মুখগুলোয় আজ হাসি ফুটেছে। অন্ধকারের দিন কাটিয়ে আলোয় ফিরেছে জঙ্গলমহল। সেখানে এখন আছে তিন-তিনটে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল, সেতু, স্কুল, কলেজ।

লম্ফ নয়, জঙ্গলমহলের গ্রামগুলিতে এখন জ্বলে বিদ্যুতের আলো লম্ফ নয়, জঙ্গলমহলের গ্রামগুলিতে এখন জ্বলে বিদ্যুতের আলো

গ্রামে মানুষ বাস করে কিন্তু বাস করার উপযোগী পরিবেশ সেখানে নেই। সন্ধ্যা নামলেই  ঘন অন্ধকারে কারওর বাড়ির বাইরে পা রাখার সাহস হত না। ঘরের মধ্যে লম্ফটাই ছিল আলোর এক মাত্র উতস। জলের জন্য কয়েক কিলোমিটার ছুটতে হত গ্রামবাসীদের। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে। এখন ঘরে ঘরে জ্বলে বিদ্যুতের আলো। রাতের বেলা খোলা থাকে বাজার, দোকান। গ্রামে ট্যাপ কল বসায় আর এক বালতি জলের জন্য যেতে হয় না কয়েক কিলোমিটার দূরে। পশ্চিম মেদিনীপুরের আউলিয়া, শালুকা, জোরাম, ধরমপুরের মত গ্রামগুলিতে এখন আমূল বদলেছে ওই এলাকার রোজনামচা।

ভোটের আগে জঙ্গলমহলে মুখ্যমন্ত্রীর স্টেজ রিহার্সাল  ভোটের আগে জঙ্গলমহলে মুখ্যমন্ত্রীর স্টেজ রিহার্সাল

জঙ্গলমহলে  মাওবাদীদের নিয়ে একটি শব্দও উচ্চারণ করলেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধুই, জঙ্গলমহলে শান্তি ফেরানোর একক কৃতিত্ব দাবি করলেন। পেশ করলেন গত চারবছরে উন্নয়নের দীর্ঘ তালিকা। কিন্তু, শান্তি ফিরলেও কেন জঙ্গলমহল জুড়ে নিরাপত্তার এত কড়াকড়ি উঠছে প্রশ্ন।

ফলকনামায় উদ্ধার বিস্ফোরক, দৃঢ় হচ্ছে মাওবাদী যোগের সম্ভাবনা ফলকনামায় উদ্ধার বিস্ফোরক, দৃঢ় হচ্ছে মাওবাদী যোগের সম্ভাবনা

এরাজ্যে নাশকতার জন্যই কী ফলকনামায় বিস্ফোরক আনছিল মাওবাদীরা?  প্রাথমিক তদন্তের পর জোরালো হচ্ছে তেমনই সন্দেহ। তদন্তকারীদের মতে, হাওড়া থেকে উদ্ধার হওয়া IED রাজ্য মাও শক্তিবৃদ্ধির জোরালো ইঙ্গিত।

ছত্রধরের মুক্তির দাবিতে রাজ্য জুড়ে বন্ধের ডাক মাওবাদীদের, জঙ্গলমহলে হারানো জমি ফিরে পাওয়ার মরিয়া চেষ্টা ছত্রধরের মুক্তির দাবিতে রাজ্য জুড়ে বন্ধের ডাক মাওবাদীদের, জঙ্গলমহলে হারানো জমি ফিরে পাওয়ার মরিয়া চেষ্টা

রাজ্য জুড়ে আজ বন্ধের ডাক দিল মাওবাদীরা। ছত্রধর মাহাত সহ রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তির দাবি জানিয়ে এই বনধ। দুহাজার এগারো সালে শীর্ষ মাওবাদী নেতা কিষেনজির মৃত্যুর পর এই প্রথম এরাজ্যে বনধ ডাকল মাওবাদীরা। তাদের সঙ্গে সুর মিলিয়ে আজই বন্ধের ডাক দিয়েছে পুলিস সন্ত্রাস বিরোধী জনগনের কমিটিও। পুরুলিয়ার বলরামপুর ও আড়সা এলাকায় পোস্টার দিয়ে বন্ধের কথা জানিয়েছে দুই সংগঠনই। তবে কি ফের জঙ্গল মহালে সক্রিয় হয়ে উঠছে মাও গেরিলারা?

মাওবাদী সাজিয়ে  জঙ্গলমহলে সেনা ঢোকানোর পরিকল্পনা মাওবাদী সাজিয়ে জঙ্গলমহলে সেনা ঢোকানোর পরিকল্পনা

সহজেই মাওবাদীদের সঙ্গে মিশে যেতে পারে। পোশাকও মাওবাদীদের মতোই। কিন্তু  পরিচয়ে সেনা জওয়ান। কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার এই কৌশলেই আক্রমণ শানাতে স্বচ্ছন্দ অ্যাসল্ট  জওয়ানরা।  মাওবাদী মোকাবিলায় খুব দ্রুতই বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত  অ্যাসল্ট জওয়ান আসছে এরাজ্যে।

জঙ্গলমহলে নতুন করে সক্রিয় হচ্ছে মাও শক্তি জঙ্গলমহলে নতুন করে সক্রিয় হচ্ছে মাও শক্তি

জঙ্গলমহলে মাওবাদীদের আনাগোনা কি আবার শুরু হয়েছে? গুঞ্জন চলছে অনেকদিন ধরেই। প্রশ্নের মুখে এ কথা উড়িয়ে দিলেন না সিআরপিএফ প্রধান।  

খানাখন্দে বড়া রাস্তা, লালগড়ে বন্ধ বাস চলাচল খানাখন্দে বড়া রাস্তা, লালগড়ে বন্ধ বাস চলাচল

বন্ধ বাস চলাচল। কারণ, রাস্তাটা আর রাস্তা নেই। খানা খন্দে এতদিন ঝুঁকি নিয়েই যানবাহন চলাচল করছিল। কিন্তু পরিস্থিতি এতটাই বিপজ্জনক যে, লালগড়ের খাস জঙ্গল থেকে সারেঙ্গা পর্যন্ত বাস না চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাস মালিকরা। শুধু বেসরকারি নয়, সরকারি বাস চলাচলও বন্ধ এই রাস্তায়। অবিলম্বে বাস চালু না হলে আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ ছবি একটু আধটু রাস্তার নয়। দীর্ঘ ষোল কিলোমিটার রাস্তা জুড়েই এমন খানা খন্দ।

যৌথবাহিনী সরে গেলে সক্রিয় হবে মাওবাদীরা, আশঙ্কায় জঙ্গলমহলের মানুষ যৌথবাহিনী সরে গেলে সক্রিয় হবে মাওবাদীরা, আশঙ্কায় জঙ্গলমহলের মানুষ

জঙ্গলমহল থেকে যৌথবাহিনী সরে গেলে ফের সক্রিয় হবে মাওবাদীরা। এমনটাই বলছেন সেখানকার মানুষ। স্থানীয় তৃণমূল নেতারা বলছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদী সরকার। জঙ্গলমহলের বামনেতাদেরও বক্তব্য, বাহিনী সরে গেলে ফের দাপট বাড়বে মাওবাদীদের।একসময় মাওবাদী নাশকতায় দিনের পর দিন দীর্ণ হয়েছে জঙ্গলমহল। এখন আপাতভাবে শান্ত। এলাকার মানুষের বক্তব্য, যৌথবাহিনী থাকাতেই বাগে এসেছে নাশকতা।