স্বজনপোষণের অভিযোগ সুকুমার হাঁসদার বিরুদ্ধে

স্বজনপোষণের এক বেনজির দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন খোদ মন্ত্রী। পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ণ পর্ষদের মন্ত্রী ডাঃ সুকুমার হাঁসদার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। গরীব মানুষের জন্য দেওয়া অধিকার প্রকল্পের টাকা দেওয়া হয়েছে তৃণমূল নেতা ও তাঁদের আত্মীয়দের। এমনকী নির্দিষ্ট ব্লকের টাকা দেওয়া হয়েছে সেই ব্লকের বাইরের বাসিন্দাকেও।

বেহাল জঙ্গলমহলের স্বাস্থ্যপরিষেবা

রাজ্যের মাওবাদী প্রভাবিত তিন জেলায় সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবা ঠিকমতো পৌঁছচ্ছে না। ক্ষমতায় আসার পর জঙ্গলমহলের গ্রামগুলিতে ভ্রাম্যমান চিকিত্সা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু এখনও অর্ধেকের বেশি গ্রাম সেই পরিষেবার মুখ দেখেনি। রাজ্য সরকারের করানো সমীক্ষাতেই এই তথ্য উঠে এসেছে। তারপরই এবিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য স্বাস্থ্যসচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব।  

জঙ্গলমহল সফরে আজ বাঁকুড়ায় মুখ্যমুন্ত্রী

ফের জঙ্গলমহল সফরে মুখ্যমন্ত্রী। গতকাল রাত নটা নাগাদ পুরুলিয়ায় পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের

বাংলোয় রাত্রিবাসের পর আজ বেলা সাড়ে এগারোটায় সার্কিট হাউসে প্রশাসনিক বৈঠকে বসবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বৈঠকে থাকবেন জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা। দুপুর একটায় হুটমুড়া ফুটবল মাঠে এক জনসভায় যোগ দেবেন

মুখ্যমন্ত্রী। বিকেল ৪টেয় পুরুলিয়া থেকে বাঁকুড়া পৌঁছবেন তিনি।

প্রতিশ্রুতি পূর্ণতা পায়নি, অপ্রাপ্তির জঙ্গলমহলে সফরে মুখ্যমন্ত্রী

জঙ্গলমহল সফরে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজকে প্রথমে পুরুলিয়া যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। আজ রাতেই পুরুলিয়ার সার্কিট হাউসে প্রশাসনিক বৈঠক সারবেন তিনি। কাল

সকালে পুরুলিয়ায় জনসভা সেরে তিনি রওনা দেবেন বাঁকুড়ার উদ্দেশে। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর চতুর্থবার বাঁকুড়া সফরে যাচ্ছেন তিনি। এর আগে জঙ্গলমহলের উন্নয়নের জন্য

একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কেটে গিয়েছে দেড় বছর। বাঁকুড়াবাসীর অভিযোগ, প্রতিশ্রুতি থেকে গিয়েছে প্রতিশ্রুতিতেই। পাওনা বলতে দুটাকা কেজি দরে

চাল। তাও অনিয়মিত। ক্ষুব্ধ, হতাশ জঙ্গলমহলবাসী।

কলকাতার বুকে কিষেণজি স্মরণসভা, অন্ধকারে গোয়েন্দারা

খাস শহর কলকাতার বুকে পালিত হল কিষেণজির স্মরণসভা। খবরই ছিল না গোয়েন্দাদের কাছে। রীতিমতো স্লোগান দিয়ে, স্যালুট জানিয়ে পালিত হল মাওবাদী নেতা কিষেণজির প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। চব্বিশ ঘণ্টার এক্সক্লুসিভ রিপোর্ট।

কিষেনজির মৃত্যুর এক বছর পর কেমন আছে জঙ্গলমহল?

গত বছর ২৪ নভেম্বর যৌথ বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছিলেন কিষেনজি। মনে করা হয়েছিল তাঁর মৃত্যুর মাধ্যমে নিশ্চিত হবে জঙ্গলমহলের শান্তি। একইসঙ্গে দ্রুত গতিতে

শুরু হয়েছিল জঙ্গলমহলে বিভিন্ন উন্নয়নের কাজ। কখনও মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ, একের পর এক সরকারি উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি বদলে দিয়েছিল জঙ্গলমহলকে। স্বাস্থ্য,

শিক্ষা ,কর্মসংস্থানের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিতে পরিবর্তনের স্রোতে গা ভাসিয়েছিলেন আমজনতা। কিন্তু মাওবাদী শীর্ষনেতার মৃত্যুর ঠিক একবছরের মাথায় কেমন আছে

জঙ্গলমহল? কতটা হয়েছে উন্নয়ন?