কামদুনির রায়, নতুন করে লড়াইয়ের অক্সিজেন দিয়েছে বাকিদেরও, অপেক্ষা সুবিচারের কামদুনির রায়, নতুন করে লড়াইয়ের অক্সিজেন দিয়েছে বাকিদেরও, অপেক্ষা সুবিচারের

ফাঁসি চেয়েছিল কামদুনি। আড়াই বছর পর, তা পেল।  কিন্তু শুধুই তো কামদুনি না, বিচার পাওয়ার আশায় দিন গুনছে গাইঘাটা, খরজুনা, কাটোয়া, জলপাইগুড়িও। দাবি সেই একই। ফাঁসি দেওয়া হোক অভিযুক্তদের।সব অভিযুক্তেরই ফাঁসির দাবি তুলেছিল কামদুনি। সবার না হলেও, তিন জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। বাকিদের আমৃত্যু কারাদণ্ড। দুহাজার চোদ্দর দোসরা সেপ্টেম্বর রাতে, ধূপগুড়ির কাছে রেললাইনের ধারে  উদ্ধার হয় স্কুল ছাত্রীর ক্ষতবিক্ষত-বিবস্ত্র দেহ। ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ তোলেন কিশোরীর বাবা-মা। অভিযোগে উঠে আসে তৃণমূলের ওয়ার্ড কমিটির নেতা সহ শাসকদল ঘনিষ্ঠ বেশ কয়েকজনের নাম। এই মামলায় বিচার আজও অধরা। এদিন কামদুনির রায়ে, নতুন করে আশার আলো দেখছে নির্যাতিতার পরিবার।

বিপদের আশঙ্কায় সিঁটিয়ে কামদুনি বিপদের আশঙ্কায় সিঁটিয়ে কামদুনি

কামদুনিকাণ্ডে ৬ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণের অভাবে বেকসুর খালাস পেয়ে গেছে দুই অভিযুক্ত নূর ও রফিক গাজি। তবে এরপরও স্বস্তিতে নেই কামদুনি। আতঙ্ক ক্রমশ গ্রাস করছে কামদুনির বাসিন্দাদের। একদিকে দুই অভিযুক্তের বেকসুর ছাড়া পেয়ে যাওয়া, অন্যদিকে বৃহস্পতিবারও আদালত চত্বরে নির্যাতিতার ভাইকে খুল্লামখুল্লা হুমকি দোষীর। নির্যাতিতার ভাইয়ের দাবি, বিনা প্ররোচনাতেই তাদের হুমকি দেয় দোষীরা। এদিকে কামদুনিতে অস্থায়ী পুলিস ক্যাম্পের ব্যবস্থা ছিল। সাজা ঘোষণার পর সেই অস্থায়ী ক্যাম্প থাকবে কিনা, তা নিয়ে সংশয়ে কামদুনির বাসিন্দারা। তাঁদের আশঙ্কা ক্যাম্প উঠে গেলে কামদুনিতে নিরাপত্তা বলে আর কিছুই থাকবে না। গত বুধবার বিধাননগর কমিশনারেটে গিয়ে স্থীয় ক্যাম্পের দাবি জানান বাসিন্দারা।

আতঙ্ক ক্রমশ গ্রাস করছে কামদুনির বাসিন্দাদের আতঙ্ক ক্রমশ গ্রাস করছে কামদুনির বাসিন্দাদের

কামদুনিকাণ্ডে আদালতের ছজনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণের অভাবে বেকসুর খালাস পেয়ে গেছে দুই অভিযুক্ত নূর ও রফিক গাজি। তবে এরপরও স্বস্তিতে নেই কামদুনি। আতঙ্ক ক্রমশ গ্রাস করছে কামদুনির বাসিন্দাদের। একদিকে দুই অভিযুক্তের বেকসুর ছাড়া পেয়ে যাওয়া, অন্যদিকে গতকাল আদালত চত্বরে নির্যাতিতার ভাইকে খুল্লামখুল্লা হুমকি। কোর্ট চত্বরে দোষী সাব্যস্তদের হুমকির মুখে পড়ে কামদুনির নির্যাতিতার পরিবার। নির্যাতিতার ভাইয়ের দাবি, বিনা প্ররোচনাতেই তাদের হুমকি দেয় দোষীরা। এদিকে কামদুনিতে অস্থায়ী পুলিস ক্যাম্পের ব্যবস্থা ছিল। সাজা ঘোষণার পর সেই অস্থায়ী ক্যাম্প থাকবে কিনা, তা নিয়ে সংশয়ে কামদুনির বাসিন্দারা। তাঁদের আশঙ্কা ক্যাম্প উঠে গেলে কামদুনিতে নিরাপত্তা বলে আর কিছুই থাকবে না। গত পরশু বিধাননগর কমিশনারেটে গিয়ে স্থীয় ক্যাম্পের দাবি জানান বাসিন্দারা।