স্বাধীনতা দিবসের আগে ফকিরাগ্রাম রেলস্টেশন উড়িয়ে দেওয়ার ছক বানচাল করলেন সেনা জওয়ানেরা

স্বাধীনতা দিবসের আগে ফকিরাগ্রাম রেলস্টেশন উড়িয়ে দেওয়ার ছক বানচাল করলেন সেনা জওয়ানেরা

স্বাধীনতা দিবসের আগে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল করলেন সেনা জওয়ানেরা। কোকরাঝাড়-গুয়াহাটির মাঝে ফকিরাগ্রাম রেলস্টেশন উড়িয়ে দেওয়ার ছক কষেছিল কেএলও জঙ্গিরা। তবে রেললাইনে আইইডি রাখার সময় জঙ্গিদের দেখে ফেলেন সেনা জওয়ানেরা। সেনার গুলিতে মৃত্যু হয়েছে রবি রায় নামে এক জঙ্গির। তবে পালিয়ে যায় তিন জঙ্গি। নিহত জঙ্গির কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে সাত কেজি আইইডি, দুটি গ্রেনেড , একটি পিস্তল ও প্রচুর কার্তুজ।  এই ঘটনার পরই ফকিরাগ্রাম, কোকরাঝোড় ও  গোয়ালপাড়ায় বিস্ফোরণের হুমকি দিয়েছে উলফা। এলাকাগুলিতে টহল দিচ্ছে সিআরপিএফের কোবরা বাহিনী ও অসম পুলিস। প্রত্যেকটা গাড়িতে চলছে তল্লাসি।

পুলিস মিথ্যা মামলায় ফাঁসাচ্ছে:মালকান সিং পুলিস মিথ্যা মামলায় ফাঁসাচ্ছে:মালকান সিং

পুলিসের বিরুদ্ধে জাল টাকার মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ তুললেন বিচারাধীন কেএলও নেতা মালকান সিং। তাঁর অভিযোগ, বেছে বেছে বন্দি কেএলও নেতাদেরই  জাল টাকার মালায়

কেএলও-কে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ঘোষণা কেন্দ্রের কেএলও-কে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ঘোষণা কেন্দ্রের

কামতাপুর লিবারেশন অর্গানাইজেশনকে ( কেএলও) নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ঘোষণা করলে কেন্দ্র। স্বাধীন রাষ্ট্র গড়ার দাবিতে পশ্চিমবঙ্গ ও অসমে সক্রিয় এই জঙ্গি সংগঠন।  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের  গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৯৬৭ অবৈধ কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের আওতায় সন্ত্রাসসবাদী সংগঠনের তালিকায় কেএলও ও তার সবকটি শাখা সংগঠনকে যুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ১৯৯৩ সালে প্রথম কার্যকলাপ শুরু করে কেএলও।

পুলিসের জালে মালখান সিং

দীর্ঘদিন থেকেই পুলিসের চোখে ধূলো দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন মালখান। গতকাল রাতে মোবাইল টাওয়ারের সূত্র ধরে শেষ পর্যন্ত পুলিসের জালে ধরা পড়ে যায় মালখান সিং।

ভোটের আগে গ্রেফতার কেএলও-এর শীর্ষ নেতা মালখান সিং

ভোটের আগেই গ্রেফতার কেএলওর শীর্ষ নেতা মালখান সিং। মোবাইলের সূত্রে ধরে গতকাল গভীর রাতে যৌথ অভিযান চালায় মালদার হবিবপুর ও বামনগোলা থানার পুলিস।

কেএলও নাম করে টাকা তোলার অভিযোগ গ্রেফতার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী

পরীক্ষা দিয়ে বেরোতেই ছেলেটিকে গ্রেফতার করল পুলিস। হতবাক সবাই। কেন গ্রেফতার করা হল মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে? জানা গেল, হুমকি দিয়ে কেএলও-র হয়ে টাকা তুলত মালদার হবিবপুর কেন্দপুকুর হাইস্কুলের ছাত্র অমিত সরকার। গ্রেফতার হয়েছে তার আরও এক সঙ্গী দীপু মাহাতো। আজ দু`জনকেই তোলা হবে মালদা আদালতে।

বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত কেএলও-র দুই শীর্ষ নেতাকে গ্রেফতার

জলপাইগুড়ির পাহাড়পুর বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত কেএলও-র দুই শীর্ষ নেতাকে গ্রেফতার করল পুলিস। ওই দুই নেতাই বিস্ফোরণের পরিকল্পনার দায়িত্বে ছিল। গ্রেফতার হয়েছে কেএলও-র ডেপুটি কমান্ডার ইন চিফ নারায়ণ রায় ওরফে তরুণ থাপা ।

জঙ্গলে অভিযান চালিয়ে দুই কেএলও জঙ্গিকে গ্রেফতার

মালদহের হবিবপুরের চুয়াকান্দরে জঙ্গলে অভিযান চালিয়ে দুই কেএলও জঙ্গিকে গ্রেফতার করল পুলিস। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন কেএলও নেতা মালখান সিংয়ের ঘনিষ্ঠতম সহযোগী কুমুদ মণ্ডল। বারো মাইলে বাসে গুলি চালানোর ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত সে।

রাজ্যের দুই মন্ত্রী ও পুলিস সুপারকে হত্যার ছক কেএলও জঙ্গিদের

রাজ্যের দুই মন্ত্রী ও মালদহের পুলিস সুপারকে হত্যার ছক কষেছে কেএলও জঙ্গিরা। ধৃত দুই জঙ্গিকে জেরা করে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিস। মলদহের বারো মাইলে চলন্ত বাসে গুলি চালানোর র ঘটনায় উত্তম মন্ডল ও সঞ্জয় বর্মন নামে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিস।

কেএলওর সঙ্গে কেপিপির যোগ প্রমাণে মরিয়া সরকার

ষড়যন্ত্র করেই কেএলওর সঙ্গে কেপিপির যোগসাজশ প্রমাণ করতে চাইছে রাজ্য সরকার। শিলিগুড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করে আজ এই অভিযোগ করলেন কেপিপি সভাপতি অতুল রায়। বিস্ফোরণকাণ্ডে কেপিপি সদস্যদের গ্রেফতারি নিয়ে উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী গৌতম দেবকে কাঠগড়ায় তোলেন কেপিপি সভাপতি। মঙ্গলবারও জলপাইগুড়ি বিস্ফোরণকাণ্ডে আরও এক কেপিপি সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিস।জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিস।

কলকাতায় কেএলও-র হদিশ পেলেন গোয়েন্দারা

জলপাইগুড়ি বিস্ফোরণের পর আবার সামনের সারিতে কামতাপুর লিবারেশন অর্গানাইজেশন ওরফে কেএলও। কেএলওর - কলকাতা কানেকশনের হদিশ পেলেন গোয়েন্দারা। হুমকি এসএমএস ছড়িয়ে টাকা আদায় করা হত কলকাতার বন্দর এলাকার মাটি ব্যবহার করে।গত ছমাস ধরে ডুয়ার্সের বিভিন্ন চিকিতসক, ব্যবসায়ী, চা বাগান মালিকদের কাছে পাঠানো হচ্ছে হুমকি এসএমএস।

কেএলও সক্রিয় হচ্ছে নিম্ন আসামের চার জেলায়

এখন আর শুধু উত্তরবঙ্গ নয় তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নিম্ন অসমের চার জেলা। নিম্ন অসমের সঙ্কোশটাপু নদীর চড়কে ঘাঁটি করে শুরু হয়েছে গ্রেটার কামতাপুর আন্দোলন। কেএলওর চরমপন্থী -নরমপন্থী, আদিবাসী এবং অসম থেকে বিতাড়িত বাঙালীদের একাংশসহ বিভিন্ন সংগঠন পৃথক কামতাপুর রাজ্যের দাবিতে সক্রিয় হয়েছে।উত্তরবঙ্গের ছয় জেলা কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুরের সঙ্গে আসামের কোকরাঝড়, বঙ্গাইগাঁও, ধুবরি, গোয়ালপাড়া। এই নিয়েই শুরু হয়েছে গ্রেটার কামতাপুর মুভমেন্ট।

মালদহে বাসে হামলার ঘটনায় আটক ৭

মালদহে বাস লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ জনকে আটক করল পুলিস। গতকালই মালদার কালিপুকুরে বাস লক্ষ্য করে ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। ওই ঘটনায় আহত হন ১১ জন। আহতদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন এক সিভিক পুলিস কর্মীও। মালদা থেকে নালাগোলা যাচ্ছিল বাসটি।

জলপাইগুড়ি বিস্ফোরণ কাণ্ডে ২৪ ঘণ্টা পেরিয়েও সষ্ট নয় অপরাধী কারা, দায় অস্বীকার করল কেএলও

জলপাইগুড়ি বিস্ফোরণকাণ্ডের পর ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি। বিস্ফোরণের পিছনে কাদের হাত রয়েছে, তাও এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্তের স্বার্থে মুখে কুলুপ এঁটেছে পুলিস। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ। কলকাতা থেকে রওনা দিয়েছে ফরেনসিক দলও। বিস্ফোরণের ধরণে সন্দেহ করা হয়েছিল কেএলও জঙ্গি গোষ্ঠীর দিকে। যদিও প্রেস বিবৃতি দিয়ে কেএলও-র তরফে বিস্ফোরণের দায় অস্বীকার করা হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, কেএলও-র নামে মিথ্যে প্রচার চালিয়ে কামতাপুরী জনতাকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিস। কেএলও-র হুঁশিয়ারি, তাঁদের ওপর অমানবিক অত্যাচার চালানো হচ্ছে। এবং নিজেদের আড়াল করার চেষ্টা করছে পুলিস। কেএলও-র নামে অপপ্রচার বন্ধ করা হোক। কেএলও-র তরফে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কৈলাস কোচ এই বিবৃতি দিয়েছেন।

জলপাইগুড়ি বিস্ফোরণকাণ্ডে তদন্তে এনআইএ, ২৪ ঘণ্টা পরেও গ্রেফতার হয়নি কেউ, দায় স্বীকার কেএলওর

জলপাইগুড়ির পাহাড়পুরে সাইকেল বোমা বিস্ফোরণে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে পাঁচ জনের। আহত অন্তত ন`জন। তাঁদের মধ্যে আট জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গত কাল সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে পাহাড়পুরের বাজরাপাড়া সেতু। কালই ছিল কেএলও-র শহিদ দিবস। কড়া পুলিসি নজরদারি সত্ত্বেও কী করে এই বিস্ফোরণ ঘটল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

জলপাইগুড়িতে সাইকেল বোমা বিস্ফোরণ মৃত ৫, আহত ৯, ঘটনাস্থলে সিআইডি

জলপাইগুড়ির পাহাড়পুরে সাইকেল বোমা বিস্ফোরণে কমপক্ষে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত ৯ জন। বিস্ফোরণটি হয় পাহাড়পুরের বজরাপাড়ায় সেতুর ওপর । আহতদের জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে সিআইডি দল।