মার্কিন আদালতে পেশ আল কায়দার মুখপাত্র, লাদেনের জামাই ঘাইতকে

আল কায়দার মুখপাত্র এবং ওসামা বিন লাদেনের জামাই সুলেমান আবু ঘাইতকে মার্কিন আদালতে পেশ করা হল। ঘাইতের বিরুদ্ধে মার্কিন নাগরিকদের খুনের ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ আনা হয়েছে। যদিও নিউ ইর্য়কের আদালতে ঘাইতের বিচার নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ মালালার

ঈশ্বর তাকে নতুন জীবন দিয়েছেন বলে মনে করে সে। মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। সকল কিশোরী, শিশুকে শিক্ষিত দেখতে চাই। বার্মিংহামের কুইনস এলিজাবেথ হাসপাতালে জোড়া অস্ত্রোপচার সফল হওয়ার পর সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া প্রথম সাক্ষাতকারে এমনটাই জানালেন পাকিস্তানের কিশোরী মালালা ইউসুফজাই। 

সচিন বিশ্বের বাসিন্দা বলছি...

তেইশ বছর। প্রায় দু`যুগ কাটিয়ে একদিনের ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ালেন সচিন রমেশ তেন্ডুলকর। আর ওই যে আমরা যারা এতদিন ক্রিকেট বলতে সচিন বুঝতাম তারা হঠাৎ একটু থমকে গেলাম। মানুষ জন্মের দায় কাঁধে নিয়ে ছোট থেকেই একটা জিনিস শিখে আসছি, জীবন আসলে কারোর জন্যেই থেমে থাকে না। তাই সেই হঠাৎ থেমে থাকাও আবার নিজের নিয়মেই জঙ্গম হল।

মোবাইল ব্যবহার করতেন ওসামা?

ব্যক্তিগত জীবনে ওসামা বিন লাদেন খুব সাবধানি ছিলেন। ইন্টারনেট কিম্বা মোবাইল তো দুরস্ত, গোপনীয়তা বজায় রাখতে টেলিফোন পর্যন্ত ব্যবহার করতেন না আলকায়দা সুপ্রিমো। বাইরের জগতের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের মাধ্যম ছিল দূত। লাদেনের খুব ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরাই দূত হিসেবে কাজ করতেন। দূত মারফতই সংগঠনের অন্যান্য নেতা ও কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন তিনি। এমনকি কোনও নির্দেশ পাঠানোর ক্ষেত্রেও ওসামার ভরসা ছিল দূত। অন্যের বার্তাও লাদেনের কাছে পৌঁছত সেই দুত মারফতই। এতদিন এ ধারণাই ছিল মার্কিন গোয়েন্দাদের। ২০১১-র ২ মে ভোররাতে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে মার্কিন নেভি কম্যাণ্ডোদের গোপন অভিযানে মৃত্যু হয় আলকায়দা প্রধানের। তারপর থেকে ওসামার গোপন ডেরায় তল্লাসি চলে মার্কিন এবং পাক গোয়েন্দাদের। তখনই জানা গিয়েছিল, লাদেনের বাড়িতে কোনও ইন্টারনেট কিম্বা মোবাইল সংযোগ ছিল না। ছিল না যোগাযোগের অত্যাধুনিক অন্য কোনও মাধ্যম। বরং টিভি এবং ভিডিও দেখেই স্বপরিবারে নিরাপদ আশ্রয়ে সময় কাটাতেন লাদেন।

`মালালা দিবস`পালিত, উঠল মালালাকে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার আবেদন

আজ , শনিবার বিশ্বজুড়ে পালিত হল`মালালা দিবস`। আজ থেকে ঠিক একমাস আগে তালিবানি বন্দুকের গুলিতে ক্ষতবিক্ষত হয়েছিল ১৫ বছরের মালালার নরম শরীর। প্রথমে তালিবানি ফতোয়ার বিরুদ্ধে লড়াই। তারপর মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা। কষা। দুই অসম যুদ্ধেই বিজয়ী এই পাকিস্তানি কন্যা। তার লড়াইকে স্বীকৃতি দিতে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সচিব বান কে মুন আজকের দিনটাকে ঘোষণা করেছিলেন ` মালালা দিবস` রূপে। মালালার নামে সম্মানিত হল আসলে এই দিনটাই।

ওসামাকে নিয়ে তৈরি সিনেমায় ওবামা

ওসামা বিন লাদেন মারা গেছেন এক বছরেরও বেশি সময় আগে। তবুও এখনও তাঁকে নিয়ে গবেষণার শেষ নেই। একদা বিশ্বত্রাস লাদেনের মৃত্যু বৃত্তান্ত এবার উঠে আসতে চলছে চলচ্চিত্রের পর্দায়। এবং ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুকে নিয়ে তৈরি হওয়া একটি সিনেমায় দেখা যাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে। তবে ছবিটির জন্য আলাদা ভাবে শুটিং করতে হয়নি ওবামাকে। এডিটিংয়ের সাহায্যেই সিল টিম সিক্স-এর প্রযোজনায় 'দ্য রেড অন ওসামা বিন লাদেন' নামের চলচ্চিত্রে দেখা যাবে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে।

মৃত্যুর হাতছানি এড়িয়ে স্থিতিশীল মালালা

তালিবানি হামলায় আহত পাক কিশোরী মালালা ইউসুফজাইয়ের অবস্থা এখন স্থিতিশীল। আপাতত পেশোয়ারে একটি হাসপাতালে চিকিত্‍সাধীন মালালা। তবে চিকিত্‍সকরা মনে করছেন, যেকোনও মুহুর্তে তাঁকে দেশের বাইরে চিকিত্‍সার জন্য নিয়ে যেতে হতে পারে। এজন্য পেশোয়ার বিমানবন্দরে আধুনিক চিকিত্‍সা-সরঞ্জামে সমৃদ্ধ একটি বিমান তৈরি রাখা হয়েছে। মালালার ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে বিশ্বজুড়ে।

এগারো পূর্ণ আতঙ্কের ৯/১- র

আজ থেকে ১১ বছর আগে নিউ ইয়র্কের আকাশছোঁয়া স্কাইলাইন থেকে মুছে গিয়েছিল টুইন টাওয়ার। প্রায় দেড় বছর আগে সমুদ্রে তলিয়ে গিয়েছে সেই হামলার চক্রান্তকারী ওসামা বিন লাদেনের দেহ। কিন্তু আজ এক দশক পার করেও গ্রাউন্ড জিরোর সেই ক্ষতস্থান একই রকম টাটকা। আল কায়দার আতঙ্ক থেকেও মুক্ত হতে পারেনি আমেরিকা।

মৃত্যুর আগে সংগঠনে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উদ্বিগ্ন ছিলেন লাদেন

মৃত্যুর আগে সংগঠনের কাজকর্মে সন্তুষ্ট ছিলেন না আলকায়দা সুপ্রিমো ওসামা বিন লাদেন। বিশেষ করে মুসলিমদের উপর হামলার ঘটনা তাঁকে বেশ চিন্তায় রেখেছিল। আল কায়েদার অন্যান্য কর্মীদের চিঠি লিখে সে কথা জানিয়েও ছিলেন লাদেন।