তেহট্টের ঘটনায় তদন্ত শুরু জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের

তেহট্টে গুলি চালানোর ঘটনায় মামলা চালু করল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনকে নির্দিষ্ট নির্দেশিকাও পাঠিয়েছে জাতীয়

মানবাধিকার কমিশন। গত সপ্তাহেই সেই চিঠি এসে পৌঁছেছে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের কাছে।

গুলির পরে রাতভর অত্যাচারের অভিযোগ পুলিসের বিরুদ্ধে

নতুন করে অশান্তি এড়াতে মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী। আর এই পুলিসেই এখন আতঙ্ক এলাকাবাসীর। আতঙ্কিত বাসিন্দারা বলছেন, বুধবার রাতভর তল্লাসির নামে হাউলিয়া মোড় সংলগ্ন দেড় কিলোমিটার এলাকায় পুলিস যা করেছে তাকে তাণ্ডব বললেও কম বলা হয় । বাড়িঘরে এখনও জ্বলজ্বল করছে অত্যাচারের দগদগে চিহ্ন। অভিযোগ, নতুন পাড়া, পিডব্লিউডি মোড়ের বাড়ি বাড়ি ঢুকে পুলিস অত্যাচার চালিয়েছে। মারধর, গালিগালাজ, ভাঙচুর, চলেছে সবই। অশ্রাব্য গালিগালাজের সঙ্গেই চলে শারীরিক নিগ্রহ। পুলিসের ভূমিকায় নতুন করে ক্ষোভ ছড়িয়েছে তেহট্টের মানুষের মধ্যে।

অশোক সেনের দেহ দ্রুত সৎকারে পুলিসের চাপ, তেহট্টের ঘটনায় নয়া বিতর্ক

বুধবারে তেহট্টে পুলিসের গুলি চালানো নিয়ে এখনও বিতর্ক ভীষণ ভাবে জীবিত। তার মধ্যেই আবার নতুন করে জন্ম নিল অন্য বিতর্ক। তেহট্টের হাউলিয়া মোড়ে পুলিসের

গুলিতে নিহত অশোক সেনের দেহের দ্রুত সৎকারের জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠল পুলিসের বিরুদ্ধে।

দুবরাজপুর কাণ্ড: ড্যামেজ কন্ট্রোল বৈঠক আজ

দুবরাজপুরে জমি সমস্যার সমাধান সূত্র খুঁজে বের করতে আজ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বিধানসভায় দুপুর বারোটায় এই বৈঠক হবে। উপস্থিত থাকবেন কৃষিজমি রক্ষা কমিটির আট প্রতিনিধি। আন্দোলনকারীদের দাবিদাওয়ার পাশাপাশি, বৈঠকে লোবা গ্রামে আটকে থাকা বেঙ্গল এমটার মাটি কাটার যন্ত্রটি নিয়েও আলোচনা হবে। শিল্পমন্ত্রী আন্দোলনকারীদের কাছে যন্ত্রটা ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ রাখতে পারেন বলে খবর।

লোবায় গ্রামবাসীদের খবর জানতেন মুখ্যমন্ত্রীও

দুবরাজপুরের লোবা গ্রামে জমি আন্দোলনকারীদের ওপর যে অত্যাচার চালানো হচ্ছে, সেকথা বহুদিন আগে থেকেই জানতেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ এই তথ্য সামনে এসেছে একটি চিঠির মাধ্যমে। লোবা গ্রামের জমির মালিকরা ২৭ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রীকে ওই চিঠি লেখেন। গত দুদিন ধরে মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলেছেন, লোবায় কোনও জমি আন্দোলন চলছে না। বহিরাগতরা অশান্তি করছে। চিঠিতে পরিস্কার দীর্ঘদিন ধরে লোবার বাসিন্দারাই জমির নায্য ক্ষতিপূরণ চেয়ে আন্দোলন চালাচ্ছেন। যা মুখ্যমন্ত্রীকেও তাঁরা জানিয়েছিলেন চিঠির মাধ্যমে।