সারদা কাণ্ডে জড়িত খাদ্যমন্ত্রী?

সারদা গোষ্ঠীর সঙ্গে শাসকদল তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের আরও তথ্য সামনে এল।  সারদা গোষ্ঠীর অনুষ্ঠানে  মদন মিত্র, কুণাল ঘোষকে একাধিকবার দেখা গিয়েছিল সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে। শতাব্দী রায়ের নির্বাচনী প্রচারে দেখা গিয়েছিল সারদা গোষ্ঠীর ভাইস প্রেসিডেন্ট সোমনাথ দত্তকে। এবার সেই সোমনাথ দত্তকেই নিজের ভালো বন্ধু বলে পরিচয় দিতে দেখা গেল খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। গত বছর সেপ্টম্বর মাসে উত্তর ২৪ পরগনার হাবরার একটি অনুষ্ঠানে একই মঞ্চে ছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও সোমনাথ দত্ত।

শ্লীলতাহানির দায়ে গ্রেফতার মদন মিত্রর শ্যালক

শ্লীলতাহানি ও পুলিসকে মারধরের অভিযোগে গ্রেফতার করা হল পরিবহণ মন্ত্রী মদন মিত্রের শ্যালকের ছেলে সৌম্য ব্যানার্জিকে। অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় গতকাল রাতে যদুবাবুর বাজারের কাছে এক মহিলার শ্লীলতাহানি করে সৌম্য ও তার সঙ্গীরা। স্থানীয় এক ক্লাব ঘরে ভাঙচুরও চালায় তারা। মূল অভিযুক্ত সৌম্য ব্যানার্জিকে তিরিশ তারিখ পর্যন্ত পুলিসি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। পিসেমশাই পরিবহন মন্ত্রী মদন মিত্র। তাই ভবানীপুরের কাঁসারিপাড়া এলাকায় আলাদা দাপট  সৌম্য ব্যানার্জির। অন্তত তেমনটাই অভিযোগ এলাকাবাসীর। 

অশান্ত হাজরায় পুলিসের লাঠিচার্জ, বচসায় মদন

আজ রাসবিহারি মোড় থেকে ধর্মঘটীদের একটি মিছিল যাচ্ছিল ভবানীপুরে। মিছিল যখন হাজরা মোড়ে, সেসময় সেখান দিয়ে যাচ্ছিলেন পরিবহণমন্ত্রী মদন মিত্র। তিনি হাজরা মোড়ে উপস্থিত পুলিসকর্মীদের মিছিল সরিয়ে দিতে নির্দেশ দেন। ধর্মঘটীদের সঙ্গে তাঁর বচসাও হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

রহস্যে বাড়িয়ে রুশদি বিতর্কে পরস্পর বিরোধী দুই মন্ত্রী

রুশদি বিতর্কে দুরকম কথা বললেন রাজ্য সরকারের দুই মন্ত্রী। পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখার্জির বক্তব্য, রুশদির কলকাতায় না আসা নিয়ে, সরকারের বক্তব্য সুলতান আহমেদই বলে দিয়েছেন। অন্যদিকে, পরিবহণমন্ত্রী মদন মিত্রের দাবি, রুশদির কলকাতা সফর বাতিল হওয়া নিয়ে সরকারি স্তরে কোনও বক্তব্যই পেশ করা হয়নি। এর আগে রুশদির কলকাতা সফর বাতিল হওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ সুলতান আহমেদ। তখন তাঁর বক্তব্য ছিল, সলমন রুশদিকে কলকাতা না আসতে দিয়ে ভাল করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

ভাঙড় কাণ্ডে যোগ মদনের বিতর্কিত চিঠি

ভাঙড় বিতর্কে দাঁড়ি পড়ছে না। এবার তাতে যুক্ত হল মদন মিত্রের নাম। ভাঙড়ে তৃণমূলের হামলায় আহত প্রবীণ বাম বিধায়ক রেজ্জাক মোল্লা বাইপাসের যে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, সেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বিচিত্র একটি চিঠি পাঠালেন পরিবহণ মন্ত্রী মদন মিত্র। চাইলেন হিসেব।

অর্থের অভাবে ধুঁকছে রাজ্য, ক্লাব গুলিকে দেদার অনুদান মুখ্যমন্ত্রীর

চলতি আর্থিক বছরের শেষে চরম আর্থিক সঙ্কটের মুখে রাজ্য সরকার। কোন খাতে কিভাবে ব্যয় হবে, তা নিয়ে চিন্তায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবারও নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এক অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। একইসঙ্গে কেন্দ্রের বিরুদ্ধেও তোপ দেগেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে, চূড়ান্ত আর্থিক সঙ্কটেও ক্লাবগুলিকে দেদার অনুদান দিতে পিছপা হননি তিনি।  

রাজকোষ শূন্য, অনুদান বাড়ল ক্লাবগুলির

রাজ্য সরকারের টাকা নেই। বারবারই একথা শোনা যায় মুখ্যমন্ত্রীর গলায়। অথচ ক্রীড়া ক্লাবগুলিকে অনুদানের পরিমাণ ১৬ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হল ৪০ কোটি। আগামিকাল নেতাজী ইন্ডোরে ক্লাবগুলির হাতে টাকা তুলে দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের বিভিন্ন ক্লাবকে প্রতি বছরই অনুদান দেয় রাজ্য ক্রীড়া দফতর। 

কমিশনের সামনে গরহাজির, শোকজ মদনকে

একুশে জুলাই কমিশনের সামনে সময়ে হাজির হতে না পেরে ক্ষমা চেয়ে নিলেন পরিবহণ মন্ত্রী মদন মিত্র। আজ কমিশনে সাক্ষ্য দেওয়ার কথা ছিল মদন মিত্রের। কিন্তু, কমিশনের চিঠি না পাওয়ায় তা জানতেন না তিনি। পরে জানতে পেরে কমিশনে সাক্ষ্য দিতে তিনি যখন পৌঁছন তখন বেশ খানিক্ষণ দেরি হয়ে গেছে।

নির্বাসনের নির্ঘণ্ট

৯ ডিসেম্বর: যুবভারতীতে মোহন-ইস্ট ডার্বি ঘিরে প্রবল উত্তেজনা। রেফারির সঙ্গে ওডাফার বিবাদ। লাল কার্ড দেখেন ওডাফা। দর্শকদের ছোঁড়া ইঁটে আহত হন নবি। নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরুর দুই মিনিট পর দল প্রত্যাহার করে নেয় মোহনবাগান। ইস্টবেঙ্গল ও আইএফএ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয় খেলার পরিবেশ ছিল। ছিল যথাযথ সুরক্ষাও। সেই দিনই আই লিগের পক্ষ থেকে মোহনবাগানের শাস্তি হতে পারে বলে ঘোষণা করা হয়। গুরুতর আহত রহিম নবিকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে।