মুর্শিদাবাদে দিদির কাছে ব্রাত্য জেলা সভাপতি মান্নান হোসেন, বৈঠকে জায়গা পেলেন শুধু ২ বিধায়ক  মুর্শিদাবাদে দিদির কাছে ব্রাত্য জেলা সভাপতি মান্নান হোসেন, বৈঠকে জায়গা পেলেন শুধু ২ বিধায়ক

দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলেন জেলা সভাপতি। কিন্তু দেখা হল না মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। আর তা নিয়েই জল্পনা দানা বাঁধছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ বহরমপুর সার্কিট হাউসে পৌছন মুখ্যমন্ত্রী। ভেতের ঢোকার অনুমতি পান শুধুমাত্র দলের দুই বিধায়ক তাজ মহম্মদ ও হিমানি বিশ্বাস। তবে আধঘণ্টা অপেক্ষা করে ফিরে যান জেলা সভাপতি মান্নান হোসেন। আর তা নিয়েই নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। যদিও যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা মান্নান হোসেনের ছেলে সৌমিক হোসেন সার্কিট হাউসের ভিতরে ছিলেন। রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, হঠাত্‍ কী হল মুখ্যমন্ত্রী ও দলের জেলা সভাপতির মধ্যে? এই শৈত্য কেন? কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল এসে যথেষ্টই গুরুত্ব পেয়েছিলেন মান্নান হোসেন। কংগ্রেসের দুর্গ মুর্শিদাবাদে মান্নানকে দলের জেলা সভাপতি পর্যন্ত করে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাহলে এদিনের এই সম্পর্কের শীতলতা কেন? 

দল দিয়েছে মাত্র ১০ হাজার, পুরভোট লড়তে মেয়র পারিষদের খরচ প্রায় ১৫ লক্ষ দল দিয়েছে মাত্র ১০ হাজার, পুরভোট লড়তে মেয়র পারিষদের খরচ প্রায় ১৫ লক্ষ

পুরভোটের আগে মহানগরী মুখ লুকিয়েছে হোর্ডিং আর ব্যানারে। কলকাতার দেওয়ালে দেওয়ালে এখন ঘাস ফুলের ছড়াছড়ি। টালা থেকে টালিগঞ্জ সর্বত্রই একই ছবি। কলকাতার ৮৫ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের প্রতীকে লড়াই করছেন দেবাশিস কুমার। রাস্তায় যেদিকেই তাকান, কোথাও তিনি হাসছেন, কোথাও আবার হাতজোড় করে দাড়িয়ে রয়েছেন। হোর্ডিং , কাটআউট আর আর দেওয়াল লিখনে  চারদিক ছয়লাপ। হোর্ডিংয়ের সংখ্যা কত? গোনা শিবেরও অসাধ্য। শুধুমাত্র একটি গলি ঘুরে এপাশ ওপাশ যোগ করতে করতে সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭৬। এরকম  আরও অসংখ্য গলি আছে। কম করে বলা যেতে পারে দেবাশিস বাবু এখনও পর্যন্ত অত্যন্ত ৬০০  হোর্ডিং লাগিয়েছেন তার ওয়ার্ডে। এরপর দেওয়াল লেখা। তার সংখ্যাও নাই নাই করে ২৫০। ফ্ল্যাগ, ফেস্টুন, চেন ফ্ল্যাগ এসব গোনা অসম্ভব। এবার একটু হিসেবনিকেশে চোখ বোলানো যাক।

কলকাতা পুর নির্বাচনে প্রার্থী তালিকায়  হার তৃণমূলের, বাম ৭১, তৃণমূল ৬৬ কলকাতা পুর নির্বাচনে প্রার্থী তালিকায় হার তৃণমূলের, বাম ৭১, তৃণমূল ৬৬

৮ মার্চ কলকাতা পুরনির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। ঠিক তার এক সপ্তাহ পর প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বামেরা। সেখানেই তৃণমূলকে পরাস্ত করল বামেরা। ১৪৪ টি আসনের ১২৫ টি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বামেরা। যার মধ্যে ৭১ টি আসনে বামেদের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে মহিলারা। এখানেই জয়ী বামেরা।  তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা ৬৬। যা কলকাতা পুরসভার নিরিখে ৪২%।  বামেদের  ঘোষিত প্রার্থী তালিকার প্রায় ৭০ % আসনে বামেরা প্রাধান্য দিল মহিলাদের। ২১ জন রয়েছেন সংখ্যালঘু।