মুন্নাকে গ্রেফতার কি মুখরক্ষার স্বার্থেই?

মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্নাকে গ্রেফতার করল সিআইডি। কিন্তু ঘটনা পরম্পরা বলছে, শাসকদলের তরফে মুন্নাকে বারবারই আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে। তাহলে শেষপর্যন্ত কেন তাকে গ্রেফতার করা হল? আরাবুল ইসলামের মতো এক্ষেত্রেও কি রাজ্যপালের বক্তব্য এবং সমালোচনার ঝড়ে মুখরক্ষার চেষ্টা? আরাবুল ইসলামের পর মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্না। গত ১২ ফেব্রুয়ারি পুলিস খুনের দিন মুন্নার ভূমিকা স্পষ্ট হয়েছিল ছবিতে।  

গার্ডেনরিচ কাণ্ড: মুন্না ঘনিষ্ঠের থেকেই ঘাতক অস্ত্র সুভানের হাতে

গার্ডেনরিচে এসআই তাপস চৌধুরি খুনের ঘটনায় সামনে এলো নয়া তথ্য। যে আগ্নেয়াস্ত্র থেকে তাপস চৌধুরীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়া হয়  সেটি ঘটনার দিনই হাতে পেয়েছিল মূল অভিযুক্ত শেখ সুভান। সিআইডির জেরায় সুভান জানিয়েছে আগ্নেয়াস্ত্রটি তঁকে দেয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা মুন্না ইকবালের ঘনিষ্ঠরা।

ফিরহাদের ডানা ছাঁটল তৃণমূল

সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের পর এবার ফিরহাদ হাকিমের ক্ষমতা খর্ব করল তৃণমূল কংগ্রেস। গার্ডেনরিচ কাণ্ডের জেরে সরকারের  মুখপাত্র হিসেবে সংবাদমাধ্যমদের প্রতিনিধিদের সামনে ফিরহাদ হাকিমের মুখ খোলার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।

মুখ্যমন্ত্রীর `বিশেষ` ক্ষতিপূরণের দাবি নস্যাৎ পুলিসমহলের

মুখ্যমন্ত্রীর গার্ডেনরিচে নিহত এসআই তাপস চৌধুরীর পরিবারের জন্য একাধিক ক্ষতিপূরণের কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাপসবাবুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর মুখ্যমন্ত্রী গতকাল জানান, নিহত এসআইয়ের স্ত্রী মিনতি দেবীর জন্য বিশেষ পেনশনের ব্যবস্থা করেছেন তিনি। কিন্তু পুলিসমহলের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী যেসব সাহায্য ঘোষণা করেছেন, তা এমনিতেই নিহত অফিসারের পরিবারের প্রাপ্য। সেখানে বাড়তি কিছুই নেই।

আইনের দ্বারস্থ হতে পারেন পচনন্দা, বিপাকে সরকার

অপসরণ নিয়ে আইনের দ্বারস্থ হতে পারেন প্রাক্তন পুলিস কমিশনার রঞ্জিত কুমার পচনন্দা। তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে এই খবর পাওয়া গেছে। প্রকৃতপক্ষে আইন অনুসারে তাঁকে সরানোর ক্ষেত্রে যে নিয়মাবলী রয়েছে তা মানেনি রাজ্য সরকার। সিপির অপসারণ নিয়ে সিপি-কে পরিবর্তন করতে হলে রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান রাজ্যপালের অনুমোদন প্রয়োজন। কিন্তু তা যে নেওয়া হয়নি রাজ্যপালের এই সংক্রান্ত বক্তব্য থেকেই তা স্পষ্ট।

মুন্না ঘনিষ্ঠ তিনজনকে ২২ তারিখ অবধি পুলিসি হেফাজত

গার্ডেনরিচ কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়ায় ইকবাল ওরফে মুন্না ঘনিষ্ঠ তিনজনকে ২২ ফেব্রুয়ারি অবধি পুলিসি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিল আদালত। এর আগে ইকবালের এই তিন ঘনিষ্ঠদের গ্রেফতার করে সিআইডি। পরে তাদের আদালতে পেশ করা হয়।