শহরে জোড়া খুন, পাইকপাড়ায় বন্ধ ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার প্রৌঢ় দম্পতির রক্তাক্ত মৃতদেহ শহরে জোড়া খুন, পাইকপাড়ায় বন্ধ ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার প্রৌঢ় দম্পতির রক্তাক্ত মৃতদেহ

শহরে ফের জোড়া খুন। পাইকপাড়ার একটি আবাসনের বন্ধ ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হল প্রৌঢ় দম্পতির রক্তাক্ত দেহ।  বাইরের ঘরে মেলে গৃহকর্তা প্রাণগোবিন্দ দাসের রক্তাক্ত দেহ। তাঁর মাথায় আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। ভিতরের ঘরে খাটের উপর মেলে স্ত্রী রেণুকা দাসের দেহ।  তাঁর গলায় ছিল ধারাল অস্ত্রের আঘাত ।  ভেঙে ফেলা হয়েছে  ঘরের আলমারি। গোয়েন্দাদের প্রাথমিক অনুমান খুন হয়েছেন এই দম্পতি।  তদন্তে নিয়ে যাওয়া হয় পুলিস কুকুর। পাইকপাড়ার ইন্দ্রলোক আবাসনের চারতলার ফ্ল্যাটে থাকতেন বৃদ্ধ দম্পতি। দুজনেই অধ্যাপনা করতেন। নিহত প্রাণগোবিন্দ দাস অধ্যাপনা করতেন বর্ধমান বিশ্বিদ্যালয়ে। রেণুকা দাস ছিলেন সরোজীনি নাইডু কলেজের অধ্যাপিকা।

 রানাঘাটকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার এক রানাঘাটকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার এক

রানাঘাটকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তরুণজিত্‍ ঘোষ নামে একজনকে গ্রেফতার করল বর্ধমানের পূর্বস্থলী থানার পুলিস। ধৃত ব্যক্তি নদিয়ার নবদ্বীপের বাবলারীর বাসিন্দা। রানাঘাটকাণ্ডের তার কোনও যোগ নেই বলেই মনে করছে পুলিস। তবে ধৃতের বিরুদ্ধে  সদ্য বিবাহিতা স্ত্রীকে মানসিক নির্যাতন ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে নবদ্বীপ থানায়। কিছুদিন আগে পেশায় রাজমিস্ত্রি তরুণজিতের সঙ্গে বিয়ে হয় নবদ্বীপেরই বাসিন্দা তণুশ্রীর। বৃহস্পতিবার তরুণীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় বাড়ি থেকে। তারপর থেকেই তরুণজিতের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। মেয়ের মৃত্যুর জন্য জামাইকেই দায়ী করে থানায় অভিযোগ জানান তণুশ্রীর বাবা। গতকাল তরুণজিত ধরা পড়লেও, সেটা যে রানাঘাটের ঘটনার প্রেক্ষিতে, তা জানতেন না তণুশ্রীর পরিবার। আজ ধৃতকে আদালতে তোলা হবে।