ভেটেরেনারি কাউন্সিলের অনুমোদন ছাড়াই প্রাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সরিয়ে নিল রাজ্য সরকার! ভেটেরেনারি কাউন্সিলের অনুমোদন ছাড়াই প্রাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সরিয়ে নিল রাজ্য সরকার!

ভেটেরেনারি কাউন্সিলের অনুমোদন ছাড়াই সরানো হয়েছে প্রাণী বিশ্ববিদ্যালয়। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের জেরেই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে প্রায় সাড়ে চারশো জন ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যত্‍। বেলগাছিয়া থেকে ওই বিশ্ববিদ্যালয়টি সরানো হয়েছে নদীয়ার মোহনপুরে। যে ক্যাম্পাস আগেই পরিদর্শন করে অনুমোদন দিতে রাজি হয়নি ভেটেনারি কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া।পশু চিকিত্‍সক হতে গেলে প্রয়োজন ভেটেনারি কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার অনুমোদন। অথচ সেই অনুমোদন পাওয়াটাই হয়তো অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে রাজ্যের প্রাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক স্তরের ছাত্রদের।

হয়েছে শিলান্যাস, হয়নি প্রতিশ্রুতি মত হাসপাতাল

কথা ছিল হাসপাতাল হবে। শিলান্যাসও হয়েছিল। কিন্তু, প্রতিশ্রুতি থেকে গিয়েছে প্রতিশ্রুতিতেই। আজও নদিয়ার কুপার্স ক্যাম্পের মানুষ পেলেন না হাসপাতাল। কুপার্স পুরবোর্ড এখন তৃণমূলের হাতে। অথচ হাসপাতাল তৈরির বিষয়ে তেমন কিছুই জানেন না পুরপ্রধান। দেশভাগের পর ছিন্নমূল বহু মানুষের ঠিকানা হয়েছিল এই কুপার্স ক্যাম্প। কয়েকহাজার পরিবারের বাস এই এলাকায়। কিন্তু, নেই কোনও হাসপাতাল। তাই দীর্ঘদিন ধরেই এই দাবি জানিয়ে আসছেন এলাকার মানুষজন। পুরসভা গঠনের পর থেকে মূলত বোর্ড থেকেছে কংগ্রেসের হাতে। একবার মাত্র বামেরা বোর্ড গঠন করেছিল। শঙ্কর সিংয়ের খাসতালুক বলে পরিচিত কুপার্স ক্যাম্পে অবশ্য স্বাভাবিকভাবেই জমি শক্ত কংগ্রেসের। দুহাজার বারোর শেষদিকে এখানেই একটি হাসপাতাল করার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শিলান্যাসও হয়। কিন্তু, কোথায় কী?

স্কুলের টয়লেটে সিসিটিভির প্রতিবাদে রাস্তায় নদিয়ার শিক্ষিকারা

শিক্ষিকাদের টিচার্সরুমে সিসিটিভি। সিসিটিভির নজরদারি টয়লেটের রাস্তায়। শিক্ষিকাদের গতিবিধি নজরদারিতে আনার জন্য এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নদিয়ার নাকাশিপাড়ায় পাটপুকুর স্কুল কর্তৃপক্ষ। স্কুল কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আজ স্কুলে বিক্ষোভ দেখালেন শিক্ষিকারা। বিক্ষোভ সামাল দিতে আসতে হয় পুলিসকে।নদিয়ার নাকাশিপাড়া পাটপুকুর হাইস্কুল।সকাল থেকেই উত্তপ্ত স্কুল। কারন, তিনদিন আগেই স্কুলের শিক্ষিকাদের টিচার্স রুমে বসেছে সিসিটিভি। এহেন আজব নজরদারির প্রতিবাদে স্কুল চত্বরেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন শিক্ষিকারা।তাদের অভিযোগ, এই সিদ্ধান্ত বিকৃত রুচির পরিচয় ও বেআইনি ।