পঞ্চায়েতের উপনির্বাচনেও দুই মেদিনীপুরেই একচ্ছত্র তৃণমূল

পঞ্চায়েতের উপনির্বাচনেও দুই মেদিনীপুরেই একচ্ছত্র তৃণমূল

পঞ্চায়েতের উপনির্বাচনে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে একচ্ছত্র তৃণমূল। গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির বেশিরভাগ আসনই দখল করেছে শাসকদল। বাম শক্তি তলানিতে। সূর্যকান্ত মিশ্রের খাসতালুক নারায়ণগড়েই বামেদের

পঞ্চায়েতের পোস্টমর্টেম করতে আজ থেকে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী

পঞ্চায়েত পর্যালোচনায় আজ থেকে বৈঠকে বসছেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল সূত্রে খবর, টাউন হলে দলের জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে সভাধিপতিদের নাম চূড়ান্ত হবে। যে সব জেলা পরিষদ তৃণমূল দখল করতে পারেনি, সেই সব জেলার নেতাদেরও ডাকা হয়েছে বৈঠকে।  

পরিসংখ্যানে ম্লান তৃণমূলের পঞ্চায়েতের বিজয় রথ

পঞ্চায়েত ভোটে ১৭টির মধ্যে ১৩টি জেলা পরিষদের দখল নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে তৃণমূলের ছোট বড় সব নেতাই এই জয়ে উচ্ছ্বসিত। কিন্তু  পরিসংখ্যান নিয়ে কাটাছেঁড়া করলে সেই উচ্ছাস কিছুটা ম্লান হতে পারে।

জিতলেও সিঙ্গুরে পঞ্চায়েত সমিতিতে ঠোকর খেল তৃণমূল

সিঙ্গুর পঞ্চায়েত সমিতিতে আশানুরূপ ফল করতে পারল না তৃণমূল কংগ্রেস। ব্লকের ১৬টি গ্রাম পঞ্চায়েতেও একই অবস্থা। ১৫টি দখলে থাকলেও এবার ১০টিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে বেচারাম মান্নার তৃণমূল কংগ্রেসকেই। বাকি পাঁচটি ত্রিশঙ্কু হয়েছে। সিঙ্গুরের জমি আন্দোলনই তিন দশক সরকারে থাকা বামফ্রন্টের ভিতটাই নড়িয়ে দিয়েছিল। 

আজ ফের জঙ্গলমহলে প্রচারে মুখ্যমন্ত্রীর

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে আজ ফের জঙ্গলমহলে প্রচারে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যে পালাবদলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল লালগড় আন্দোলন সেই লালগড়েই আজ প্রথম জনসভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী।

আইনি জটে রাজ্যে অর্ধেক বুথেই থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী

আইনি জটে রাজ্যের অর্ধেক  ভোট গ্রহণ কেন্দ্রেই  থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতরের বিধি অনুযায়ী বুথপিছু চারজনের কম জওয়ান রাখা যাবে না। অন্যদিকে হাইকোর্টের নির্দেশ, বুথপিছু সর্বোচ্চ দুজন কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা যাবে। রাজ্যে ২৭ হাজার ৪৭৩ ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে রয়েছে একটি করে বুথ। এইসব বুথে তাই রাজ্য পুলিস দিয়েই নির্বাচন করাতে হবে কমিশনকে।রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোটের জন্য কমিশনের দাবি ছিল আটশো কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে সে প্রস্তাব খারিজ হলেও সুপ্রিমকোর্টে কমিশনকে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া হয়।

মুখ্যমন্ত্রী এখনই ভোট চাইছেন, কেন?

আগে নভেম্বরে পঞ্চায়েত ভোট চাইলেও এখন ভিন্ন সুর মুখ্যমন্ত্রীর। ভোট চাইছেন এখনই। কেন? অন্য কোনও আশঙ্কায়? রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জল্পনা।

চাপের কাছেই কি নতি স্বীকার কমিশনের?

কখনও ভোটের দিনক্ষণ, কখনও জেলাবিন্যাস। আবার কখনও কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রসঙ্গ। পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে একাধিক ইস্যুতে সংঘাতে জডিয়ে পড়ে রাজ্য সরকার এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের।  দীর্ঘ সময় সমানে সমানে আইনি ও প্রশাসনিক লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মীরা পাণ্ডে। কিন্তু শেষপর্যন্ত রাজ্যের প্রায় সব দাবিই মেনে নিল কমিশন। কেন?  চব্বিশ ঘণ্টার বিশেষ রিপোর্ট।

পঞ্চায়েত নির্বাচন মামলার রায় ঘোষণার সম্ভাবনা আগামী কাল

পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে রাজ্য সরকার বনাম রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মামলার রায় ঘোষণা হতে পারে কাল। বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দারের এজলাসে কাল বেলা বারোটায় এই মামলার রায় ঘোষণা হতে পারে।

বিশ বাঁও জলে চারটি পুরসভার নির্বাচন

পঞ্চায়েত ভোটের পর এবার রাজ্যের চারটি পুরসভার নির্বাচনও বিশ বাঁও জলে। তিরিশে জুন তেরোটি পুরসভার বর্তমান পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। নির্দিষ্ট সময়ে পুরভোট করতে হলে আজকের মধ্যেই ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার কথা। তবে চারটি পুর এলাকার  পুনর্বিন্যাস এবং সংরক্ষণের কাজ শেষ না হওয়ায় সেখানে এখনই ভোট করানো সম্ভব নয় বলেই দাবি কমিশনের।রাজ্য সরকারের টালবাহানার জেরে এবার পুরভোটকে কেন্দ্র করেও তৈরি হল সংশয়।

রাজ্যের টাকাতেই সরকারের বিরুদ্ধে মামলা কমিশনের: সুব্রত মুখার্জী

মামলা চলাকালীন ফের রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। আজ এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, রাজ্যের টাকাতেই সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তাঁর প্রশ্ন, আর কত নমনীয় হবে রাজ্য সরকার? মামলা চলাকালীন পঞ্চায়েতমন্ত্রীর এই মন্তব্যে ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, কমিশন মামলা লড়ায় সরকারি টাকার অপব্যবহার হচ্ছে। তার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন গরিব মানুষ।

বদল শুধু দিনে, হাইকোর্টে একই প্রস্তাব পেশ সরকারের

একই প্রস্তাব। তবে এবার সরাসরি কমিশনকে নয়। হাইকোর্টে বিচারপতির এজলাসে রাজ্য সরকার জানাল তারা ভোট করতে চায় পাঁচ ও আটই মে। সরকারের এই কৌশলী অবস্থানে অবশ্য চিঁড়ে ভেজার নয়। কমিশনের আইনজীবী জানিয়েছেন, এখনও তাঁরা সন্তুষ্ট নন।

রাজ্য চায় ভোট হোক এপ্রিলের ২৪ ও ২৭

চব্বিশ ও সাতাশে এপ্রিল দু দফায় পঞ্চায়েত ভোট করাতে চায় রাজ্য সরকার। পনেরোই মার্চ ভোট অন অ্যাকাউন্ট পাস করা হবে। ওই দিন রাতেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে সরকারের তরফে জানানো হবে, চব্বিশ ও সাতাশে এপ্রিল ভোট করানোর কথা।

এই মাসেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণা, জানালেন সুব্রত

এগারোই মার্চ রাজ্যে ভোট অন অ্যাকাউন্ট বাজেট পেশের পরই পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণা করবে রাজ্য সরকার। আজ একথা জানিয়ে দিয়েছেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এমনকি কদফায় ভোট হবে সেবিষয়েও সিদ্ধান্ত বাজেটের পরই নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। কিন্তু,  কেন ভোটের দিন ঘোষণা পিছিয়ে দিতে চাইছে রাজ্য? বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই এই সিদ্ধান্ত।

ফের একলা চলার ডাক কংগ্রেসের

পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলকে বাদ দিয়ে একাই লড়বে কংগ্রেস। বুধবার নজরুল মঞ্চে পঞ্চায়েতি রাজ সম্মেলনে পরিষ্কার এ কথা জানিয়ে দিল কংগ্রেস।