দুবরাজপুর, তেহট্টের ঘটনা অনভিপ্রেত, মানলেন মমতা

তেহট্টের ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্তের সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। তদন্তের স্বার্থে এসডিও, এসডিপিও এবং ওসিকে সরানো হচ্ছে। আজ মহাকরণে এই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুবরাজপুরে পুলিসের আচরণেও সন্তুষ্ট নয় রাজ্য সরকার। তেহট্টে গুলি চালানোর ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রী জানান প্রাক্তন বিচারপতি দিলীপ নায়েকের নেতৃত্বে কমিশন গঠন করা হবে। ঘটনায় পুলিসের কেউ দায়ী থাকলে তাঁর বিরুদ্ধেও নিরপেক্ষ তদন্ত হবে বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

অধস্তনকে মারধর, ফের শিরোনামে তেহট্টের এসডিপিও

তেহট্টে গুলি চালানোর ঘটনার দুসপ্তাহের মাথায় বেপরোয়া আচরণের জেরে ফের খবরের শিরোনামে অভিযুক্ত এসডিপিও শৈলেশ শা। মঙ্গলবার সকালে অধঃস্তন এক এএসআইকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এসডিপিও তাঁকে গুলি করার হুমকিও দিয়েছেন বলেও অভিযোগ। প্রশ্ন উঠছে, তেহট্টে গুলি চালানোর ঘটনায় রাষ্ট্রের সমর্থন পেয়েই কি এতটা বেপরোয়া হয়ে উঠছেন অভিযুক্ত এসডিপিও?

তেহট্টের ঘটনায় তদন্ত শুরু জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের

তেহট্টে গুলি চালানোর ঘটনায় মামলা চালু করল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনকে নির্দিষ্ট নির্দেশিকাও পাঠিয়েছে জাতীয়

মানবাধিকার কমিশন। গত সপ্তাহেই সেই চিঠি এসে পৌঁছেছে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের কাছে।

তেহট্টে পৌঁছল সিআইডি

শেষ পর্যন্ত চাপে পড়ে তেহট্টের ঘটনায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। ওই ঘটনায় সরকারের ভাবমুর্তি উজ্জ্বল করার চেষ্টাতেই এই নির্দেশ বলে অভিযোগ। যদিও এরাজ্যে নয়া সরকার আসার পর পুলিসের গুলি চালনার যে ঘটনাগুলির তদন্ত সিআইডি-কে দেওয়া হয়েছিল তার কোনওটিরই তদন্ত সম্পূর্ণ হয়নি।

রাতারাতি ১৪৪, তেহট্টে যেতে বাধা কংগ্রেস নেতৃত্বকে

তেহট্টে যেতে দেওয়া হল না কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী দীপা দাশমুন্সিকে। তেহট্টের কাছে ভাণ্ডারখোলায় তাঁর কনভয় আটকে দিল পুলিস। বুধবার তেহট্টে পুলিসেরগুলি চালনার ঘটনার পর এআইসিসির নির্দেশে আজ তেহট্টে যাচ্ছিলেন দীপা দাশমুন্সি। সঙ্গে ছিলেন শঙ্কর সিং, নির্বেদ রায়ের মতো কংগ্রেস নেতারা। ভাণ্ডারখোলায় পুলিসের তরফে তাঁদের জানানো হয় তেহট্টে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলার অবনতির আশঙ্কা থাকায় সেখানে কাউকেই যেতে দেওয়া হবে না।

বাম-বন্‌ধে ব্যাপক সাড়া তেহট্টে, কংগ্রেসের কালা দিবস রাজ্য জুড়ে

পুলিসের গুলি চালানোর প্রতিবাদে বামেদের ডাকা বারো ঘণ্টার বনধে স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া মিলল তেহট্টে। সকাল থেকেই এলাকার দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। রাস্তাঘাটেও লোকজন বিশেষ নেই। তেহট্টের বনধের পাশাপাশি, নদিয়া জেলাজুডে আজ প্রতিবাদ আন্দোলনও করবে বামেরা। অন্যদিকে, তেহট্টের ঘটনার প্রতিবাদে আজ রাজ্যজুড়ে কালাদিবস পালনের ডাক দিয়েছে কংগ্রেস। কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী দীপা দাশমুন্সিও আজ তেহট্টে যাচ্ছেন। যদিও, এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়া কোনও রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রীকে তেহট্টের হাউলিয়ায় যেতে দেওয়া হয়নি।

গুলির পরে রাতভর অত্যাচারের অভিযোগ পুলিসের বিরুদ্ধে

নতুন করে অশান্তি এড়াতে মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী। আর এই পুলিসেই এখন আতঙ্ক এলাকাবাসীর। আতঙ্কিত বাসিন্দারা বলছেন, বুধবার রাতভর তল্লাসির নামে হাউলিয়া মোড় সংলগ্ন দেড় কিলোমিটার এলাকায় পুলিস যা করেছে তাকে তাণ্ডব বললেও কম বলা হয় । বাড়িঘরে এখনও জ্বলজ্বল করছে অত্যাচারের দগদগে চিহ্ন। অভিযোগ, নতুন পাড়া, পিডব্লিউডি মোড়ের বাড়ি বাড়ি ঢুকে পুলিস অত্যাচার চালিয়েছে। মারধর, গালিগালাজ, ভাঙচুর, চলেছে সবই। অশ্রাব্য গালিগালাজের সঙ্গেই চলে শারীরিক নিগ্রহ। পুলিসের ভূমিকায় নতুন করে ক্ষোভ ছড়িয়েছে তেহট্টের মানুষের মধ্যে।

অশোক সেনের দেহ দ্রুত সৎকারে পুলিসের চাপ, তেহট্টের ঘটনায় নয়া বিতর্ক

বুধবারে তেহট্টে পুলিসের গুলি চালানো নিয়ে এখনও বিতর্ক ভীষণ ভাবে জীবিত। তার মধ্যেই আবার নতুন করে জন্ম নিল অন্য বিতর্ক। তেহট্টের হাউলিয়া মোড়ে পুলিসের

গুলিতে নিহত অশোক সেনের দেহের দ্রুত সৎকারের জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠল পুলিসের বিরুদ্ধে।

আঠারো মাসে পাঁচবার পুলিসের গুলি, মৃত ৫

ফের পুলিসের গুলিতে মৃত্যু গ্রামবাসীর। আবারও পুলিসের বিরুদ্ধে অসহিষ্ণুতার অভিযোগ। ২০১১-র অক্টোবর থেকে ২০১২-র নভেম্বর। পুলিসের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে পাঁচজন নিরীহ গ্রামবাসীর। পুলিসের গুলি রেয়াত করেনি শিশু বা মহিলাদেরও। পুলিস কি ক্রমশ ট্রিগার হ্যাপি হয়ে উঠছে? তা নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

লোবার রেশ না কাটতেই তেহট্টে ফের পুলিসের গুলি, মৃত ১

ফের গুলি চালাল পুলিস। এবার নদিয়ার তেহট্টে। জগদ্ধাত্রী পুজোর অনুমতি নিয়ে বচসার জেরে আজ সকালে তেহট্টে পুলিস গুলি চালায়। পুলিসের গুলিতে অশোক সেন নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর জখম আরও দু'জন। প্রাথমিক ভাবে পুলিস গুলি চালানোর ঘটনা অস্বীকার করে। তার কিছু পরেই ২৪ ঘণ্টার হাতে পুলিসের গুলি চালানোর ছবি এসে পৌঁছয়। ঘটনার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে স্বরাষ্ট্রসচিবের ঘরে বৈঠকে বসেছেন পুলিসের উচ্চপর্যায়ের কর্তারা।

দুবরাজপুরে পুলিসি অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন তৃণমূল জেলা সভাপতি

দুবরাজপুরের লোবা গ্রামে পুলিসি অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানে উঠে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অনুব্রত মণ্ডলই পুলিসকে প্ররোচিত করেছিলেন গুলি চালানো জন্য। দুবরাজপুরে পুলিস-জনতা সংঘর্ষে গ্রামবাসীদের কোনও দোষ দেখতে পাননি মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর চোখে পুলিসও ছিল নিরপরাধ। ঘটনার পিছনে মুখ্যমন্ত্রী দেখেছিলেন ষড়যন্ত্র। আর তাঁর শিল্পমন্ত্রীর অভিযোগ ছিল, পুলিসের ওপর হামলা চালিয়েছে সিপিআইএম ও কংগ্রেস। পরে অবশ্য বয়ান বদল করে উগ্র বামপন্থীদের দোষারোপ করেন তিনি। যদিও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে শিল্পমন্ত্রীর বয়ান মিলছে না।

গুলি চলেছে, অবশেষে স্বীকার রাজ্য সরকারের

১৮০ ডিগ্রি ঘুরে বীরভূমের দুবরাজপুরে গুলি চালানোর ঘটনা কার্যত স্বীকার করে নিল রাজ্য সরকার। মঙ্গলবারের  ঘটনায় বেশ অসন্তুষ্ট হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রশাসনিক তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে। বীরভূম জেলার এসপিকে ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।