নিরাপত্তায় নজর নির্বাচন কমিশনের

পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারপর্বে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য জেলাশাসক ও পুলিস সুপারদের নির্দেশ দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কলকাতা হাইকোর্টও আজ একটি মামলার প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারকে একই নির্দেশ দিয়েছে।

``কমিশন সুন্দরী মহিলা``, লিঙ্গবৈষম্য মূলক মন্তব্য এজির

আজ কলকাতা হাইকোর্টে পঞ্চায়েত নির্বাচন জনিত মামলার শুনানিতে লিঙ্গ বৈষম্য মূলক মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন অ্যাডভোকেট জেনারেল। কমিশনের বিভিন্ন দাবির প্রেক্ষিতে তিনি কটাক্ষ করে বলেন ``সুন্দরী মহিলাদের মত নিত্যনতুন বায়ানাক্কা কমিশনের।`` অ্যাডভোকেট জেনেরালের এই মন্তব্য ঘিরেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে সব মহলে। কমিশনের আইনজীবী সমরাদিত্য পাল এই মন্তব্যকে কমিশনের পক্ষে অবমাননাকর বলে মন্তব্য করেছেন। এজলাসে তাঁর মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হলেও নিজের মন্তব্যে অনড় থেকে যান স্বয়ং এজি।

পঞ্চায়েত নির্বাচনে অপ্রতুল পুলিস, স্বীকারোক্তি রাজ্য সরকারের

কোনওভাবেই যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় পুলিস কর্মী জোগাড় করা যাচ্ছেনা তা স্বীকার করে নিল রাজ্য সরকার। রাজ্য পুলিসের এডিজি আইনশৃঙ্খলা বানীব্রত বসু জানান, প্রথম দফার নির্বাচনের জন্য ঘাটতি থাকছে সত্তর হাজার পুলিস কর্মী। একথা কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানাল সরকার। সরকারের এই চিঠির পর ফের অনিশ্চয়তার মুখে পঞ্চায়েত ভোটের ভবিষ্যত।

জেলাবিন্যাসের জট কেটে পঞ্চায়েত ভোট তিন দফায়

পঞ্চায়েত ভোটের সম্ভাব্য সূচি তৈরি করল রাজ্য। মহাকরণের প্রশাসনিক বৈঠকে তৈরি হল সূচি। প্রথমটিতে ২৪ জুন ২৮ জুন ও ২ জুলাই ভোটের প্রস্তাব। সেক্ষেত্রে গণনা ৪ জুলাই। দ্বিতীয় প্রস্তাবে জুনের ২৬, ৩০ ও ৩ জুলাই তারিখ ভোটের প্রস্তাব। সেক্ষেত্রে গণনা ৬ জুলাই।

ফের আইনি লড়াইয়ে প্রস্তুত কমিশন

পঞ্চায়েত মামলা ফের আদালতে। আবেদনকারী এবার রাজ্য সরকার। পাল্টা প্রস্তুতি নিতে শুরু করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশনও। আগামী সোমবার সকালে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি অরুণ মিশ্র এবং জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চে আপিল করার কথা সরকারের। তার আগে কমিশনের তরফে প্রস্তুতি নিতে শনিবার সন্ধায় আইনজীবী সমরাদিত্য পালের বাড়িতে যান রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার মীরা পাণ্ডে। সঙ্গে ছিলেন কমিশনের তিন আধিকারিক।

কমিশনকে যথাযথ পর্যবেক্ষক তালিকা দিতে ব্যর্থ সরকার

পঞ্চায়েত নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করতে কমিশন প্রত্যেক ব্লকে একজন করে পর্যবেক্ষক রাখতে চেয়েছিল। আর সেকারণেই ৪০০ জন পর্যবেক্ষকের নামের তালিকা চেয়ে এক মাস আগে রাজ্যকে চিঠি দেয় কমিশন। এক মাসে ৪০০ জনের তালিকা তো রাজ্য তৈরি করতে পারেইনি, উল্টে বেশ কয়েকবার এমন তালিকা পাঠানো হয় যা অসম্পূর্ণ বা ভুলে ভরা। 

সরকার অপ্রসন্ন, আদালতের রায়ে খুশি নির্বাচন কমিশন

পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে আদালতের রায় খুশি রাজ্য নির্বাচন কমিশনার। আদালত কমিশনের মূল দাবি মেনে নেওয়ায় স্বস্তির হাওয়া কমিশনের দফতরে। পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতে শুক্রবার বিকেলেই বৈঠকে বসে কমিশন। আইনজীবীর সঙ্গে বৈঠকের পরই ঠিক হবে পরবর্তী পদক্ষেফ, জানিয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার মীরা পাণ্ডে। বিকেল চারটে নাগাদ পঞ্চায়েত মামলা নিয়ে আদালতের রায়ের খবর পৌঁছে যায় কমিশনের দফতরে। ততক্ষণে কমিশনের দফতরে পৌঁছতে শুরু করেছে শুভে্চ্ছা বার্তা। দমবন্ধ করা পরিবেশ  কিছুটা হাল্কা হতে শুরু করেছে। আদালতের রায়ে কমিশন যে  

আগামী সপ্তাহে পঞ্চায়েত মামলার রায় ঘোষণা

আগামী সপ্তাহে পঞ্চায়েত নির্বাচন মামলার কার্যকরী রায় ঘোষণা করবে আদালত। ওই রায়ে কলকাতা হাইকোর্ট বিবদমান দুপক্ষের কাছে তার নির্দেশনামা পাঠাবে। আজ আদালতে পঞ্চায়েত মামলার শুনানি শেষ হয়। দীর্ঘ মামলা ও বহু জটিলতার কারণে পঞ্চায়েত মামলার বিস্তারিত রায় তৈরি করতে কুড়ি থেকে পঁচিশ দিন সময় লাগবে।

আজ পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টে শেষ শুনানি

পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে রাজ্য সরকার বনাম নির্বাচন কমিশনের মধ্যে চলা মামলার খুব সম্ভবত আজই শেষ হচ্ছে শুনানি। ইতিমধ্যেই কমিশনের পক্ষের আইনজীবী সমরাদিত্য পাল তাঁর বক্তব্য পেশ করেছেন। সরকারপক্ষে অ্যাডভোকেট জেনারেল বিমল চ্যাটার্জির বক্তব্যও প্রায় শেষ। এই মামলায় নির্নায়ক হতে চলেছে রাজ্য পুলিসের ডিজির চিঠি।