৫৮৭১! এত সংখ্যক প্রাইমারি স্কুলবাড়ি নেই বিহারে

৫৮৭১! এত সংখ্যক প্রাইমারি স্কুলবাড়ি নেই বিহারে

বিহার নামটা শুনলেই একসময় জঙ্গল রাজত্বের কথা মনে আসত। যদিও তারপর পরস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। কিন্তু এখনও রাজ্যের ৫৮৭১টি প্রাইমারি স্কুলে কোনও স্কুলবাড়ি নেই। বিধান পরিষদে এমনটাই জানিয়েছে খোদ বিহার সরকার। আরও জানানো হয়েছে, সেই স্কুলগুলির আদৌ আর প্রয়োজন আছে কিনা তা-ও খতিয়ে দেখা হবে।

রোজই মদ্যপ অবস্থায় স্কুলে আসেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোজই মদ্যপ অবস্থায় স্কুলে আসেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক

মদ্যপ অবস্থায় স্কুলে আসেন প্রধান শিক্ষক। একদিন নয়, রোজের রুটিন এটাই। এই অভিযোগ ঘিরে উত্তাল খড়গপুর গ্রামীণ থানার তেঁতুলমুড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়। অভিভাবকদের বিক্ষোভে আজ প্রায় ছ-ঘণ্টা স্কুলে তালাবন্দি

মিড ডে মিলে মহাভোজ, সৌজন্যে শিক্ষকরা মিড ডে মিলে মহাভোজ, সৌজন্যে শিক্ষকরা

  ভাতের সঙ্গে ইলিশমাছ, আলুর তরকারি। শেষ পাতে দই, মিষ্টি। মিড ডে মিলে এমন মহাভোজ খাওয়ানো হল পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমারের একটি প্রাথমিক স্কুলে। সবটাই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিজেদের উদ্যোগে। রাজ্যের কোনও স্কুলে মিড ডে মিলে ইলিশ মাছের আয়োজন এই প্রথম।   মহানন্দে মহাভোজে ব্যস্ত এই খুদেরা।...

প্রাথমিকে নিয়োগ সংক্রান্ত হলফনামা রাজ্যের

হাইকোর্টে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত স্থগিতাদেশ প্রসঙ্গে হলফনামা দিতে চলেছে রাজ্য। হলফনামায় রাজ্য

সরকারের তরফে জানানো হবে প্রাথমিকে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের অগ্রাধিকার দিতে সরকারের পক্ষ থেকে

কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। 

সরকারি স্কুলে গ্রীষ্মের ছুটি ১৭ জুন পর্যন্ত

তীব্র দাবদাহ। চল্লিশ পেরিয়ে তাপমাত্রার পারদ যেন উঠেই চলেছে। জ্বালা ধরাচ্ছে আদ্রর্তাও। অসহ্য গরমে স্কুলে গিয়ে অসু্স্থ হয়ে পড়েছিল পড়ুয়ারা। এই অবস্থায় সরকারের কাছে গ্রীষ্মের ছুটির মেয়াদ বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিলেন অভিভাবক, স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা সকলেই।

প্রথম শ্রেণীতে ভর্তির বয়সসীমা বাড়ল

প্রাথমিকে ক্লাস ওয়ানে ভর্তির ক্ষেত্রে বয়স সীমা এবার বাড়িয়ে ৬ বছর করল রাজ্য সরকার। এতদিন ৫ বছর বা তার বেশি বয়সের শিশুরা ক্লাস ওয়ানে ভর্তির সুযোগ পেত।

চাপ কমছে প্রাথমিক স্কুলের

এতদিন পর্যন্ত প্রথম এবং দ্বিতীয় শ্রেণির পড়ুয়ারা প্রথম ভাষা, ইংরেজি ও অঙ্ক বিষয়ে আলাদা ভাবে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা দিয়ে এসেছে।এবার থেকে এই তিনটি বিষয় সম্মিলিত ভাবে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেবার জন্য রাজ্য সরকারের কাছে আর্জি জানিয়েছে সিলেবাস কমিটি।