নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দিলেই মিলবে চাকরি! ভাঁওতা পোস্টার ঘিরে বিভ্রান্তিতে বাঁকুড়ার চাকরীপ্রার্থীরা

নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দিলেই মিলবে চাকরি! ভাঁওতা পোস্টার ঘিরে বিভ্রান্তিতে বাঁকুড়ার চাকরীপ্রার্থীরা

নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা জমা করলেই নাকি মিলবে চাকরি। এমনই পোস্টারে চরম বিভ্রান্ত হলেন বাঁকুড়ার সিমলাপাল এলাকার প্রাথমিকে শিক্ষক হতে চাওয়া পরীক্ষার্থীরা। জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ সভাপতি জানিয়ে দিয়েছেন, এর সঙ্গে প্রাথমিকে নিয়োগের কোনও সম্পর্ক নেই।সিমলাপাল বাজারে গত কয়েকদিন ধরেই ছেড়ে গিয়েছে এই পোস্টার। কী লেখা রয়েছে ওই পোস্টারে? রয়েছে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট নাম্বার। ওই অ্যাকাউন্টে পাছ হাজার টাকা ফেললেই নাকি মিলবে টেটে সাফল্যের সার্টিফিকেট। আপার প্রাইমারিতে সাফল্যের জন্য নাকি দিতে হবে এক লক্ষ নব্বই হাজার টাকা। এখানেই শেষ নয়। নির্দিষ্ট স্লিপের মাধ্যমে প্রাথমিকের জন্য পঞ্চাশ টাকা আর আপার প্রাইমারির জন্য একশো টাকা জমা করতে বলা হয়েছে। টেটে আবেদনপত্রের সঙ্গে দেওয়া ফর্মের কাউন্টার পার্ট, ওই স্লিপ আর পরীক্ষার্থীর ছবি স্ক্যান করে একটি ই-মেল আইডিতে পাঠালেই নাকি কেল্লা ফতে। দেওয়া আছে একটি মোবাইল নম্বর। আর এতেই রীতিমতো বিভ্রান্ত অনেকেই।

লোকসভা নির্বাচনের মুখে ফের প্রশ্নের মুখে প্রাইমারিতে নিয়োগ পদ্ধতি

লোকসভা নির্বাচনের মুখে ফের একবার প্রাইমারিতে নিয়োগ নিয়ে নিজেদের স্বচ্ছতা প্রমাণ করতে উঠে পড়ে লাগল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। মোট জমা পড়া আবেদনের মধ্যে মাত্র দুটি খাতা দেখিয়ে পর্ষদ সভাপতির দাবি তাদের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ মিথ্যে।অন্যদিকে শুক্রবার থেকেই নতুন পরীক্ষার্থীদের জন্য ইউবিআই ব্যাঙ্কের মাধ্যেমে আবেদন জমা নেওয়া শুরু হল। টেট কেলেঙ্কারি নিয়ে নাস্তানাবুদ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ফের একবার নামল ইমেজ উদ্ধারে। লোকসভা ভোটের মুখে জনসাধারণের মধ্যে টেট নিয়ে অসন্তোষ মেটাতে পর্ষদ কর্তার দাবি সঠিকভাবেই খাতা দেখা হয়েছে। খাতা দেখতে চেয়ে ইতিমধ্যেই পর্ষদের কাছে প্রায় ২৬০০ আবেদন জমা পড়েছে। প্রথম পর্যায়ে ১৩০ টি খাতা দিয়ে দেওয়া হয়েছে আবেদনকারীদের। শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে পর্যদ সভাপতি এর মধ্যে দুটি খাতা দেখিয়ে দাবি করেন ১৩০টি খাতাই সঠিকভাবে মূল্যালয়ন হয়েছে। নিয়োগে কোনও অস্বচ্ছতা নেই।