দিনের শেষে ধোনির তৃপ্ত হাসি!
আধারের পিছনে সর্বদা আলো লুকিয়ে থাকে। দীর্ঘ পরিশ্রম, নিঃস্বার্থ সাধনায় সেই আলোর ঠিকানায় কিভাবে পৌচ্ছানো যায়, চেতাশ্বর পুজারা শতরান করে তা দেখিয়ে দিলেন। আর তার যোগ্য সঙ্গ দিলেন `অলরাউন্ডার` রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তিনি ভারতীয় শিবিরের অন্যতম বোলার হলেও, ব্যাটিং বিপর্যয়ের সময় নিজের ব্যাট শক্ত করে ধরতে কখনও ভয় পান না। গতবছর এই ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে শতরান করেন তিনি। আর আজ অশ্বিন দিনের শেষে ৬০ রানে অপরাজিত থেকেছেন। চেতাশ্বর পুজারাও অনবদ্য ১১৪ রানে ক্রিজে টিকে রয়েছেন।
টালমাটাল পরিস্থিতি থেকে কার্যত একাহাতে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন ভারতীয় ক্রিকেটের এই নতুন তারকা। বাইশ গজ পিচে আবহাওয়া যতই খারাপ হোক তাঁর শুরুর মধ্যে যেমন কোনও তাড়াহুড়ো নেই, তেমনি সেঞ্চুরির পথেও একই রকম অবিচল তিনি। স্বভাবত ওয়াংখেড়ের দর্শকরা পুজারার ব্যাটিং-এ `ডিপেন্ডেবলের ছায়া` দেখতে পেলেন। একের পর এক মহারথীরা যখন `শুধু যাওয়া আসা`-র ফর্মুলা মেনে প্যাভিলিয়নমুখী তখন দলকে বাঁচাতে তিন নম্বর স্থানে আসা রক্ষণশীল পুজারা হাল ধরেন। পাহাড় প্রমাণ চাপের মধ্যেও কোনও রকম তাড়াহুড়ো না করে সারাক্ষণ অবিচল, অনড় থেকেছেন পুজারা। তাই কোনও অসুবিধাই হল না নিজের কেরিয়ারের তৃতীয় শতরানটি পুরণ করতে।