অধ্যাপকদের খেয়োখেয়িতে  শেষপর্যন্ত পুলিস ডাকতে হল  উপাচার্যকে অধ্যাপকদের খেয়োখেয়িতে শেষপর্যন্ত পুলিস ডাকতে হল উপাচার্যকে

অধ্যাপকদের খেয়োখেয়িতে  শেষপর্যন্ত পুলিস ডাকতে হল  উপাচার্যকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতেই সিধো কানহো বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিস এসেছে, মানছেন উপাচার্য। অথচ পরিস্থিতি সামলাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ব্যর্থ সেটা মানতে চাইছেন না। ফলে অধ্যাপকদের দুই গোষ্ঠীর  কোন্দলের প্রসঙ্গও এড়িয়ে গেছেন তিনি। কিন্তু কেন বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিস এল? ঘটনার সূত্রপাত বুধবার। সিধো কানহো বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবেকানন্দনগর ক্যাম্পাসে অধ্যাপকদের নিয়ে মিটিং করছিলেন, তৃণমূলপন্থী অধ্যাপক গৌতম মুখোপাধ্যায়। সেইসময় বহিরাগতরা ঢুকে মিটিং ভণ্ডুল করে দেয়। চলে অশ্রাব্য গালিগালাজ।  ছজনের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন গৌতম মুখোপাধ্যায়। ঘটনার নিন্দায় বৃহস্পতিবার প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখায় গৌতম মুখোপাধ্যায়ের অনুগামীরা। উপাচার্যকে ডেপুটেশনও দেন তাঁরা।

বছরের শেষ দিনেও ভারত বনধ, প্রভাব উত্তরবঙ্গে বছরের শেষ দিনেও ভারত বনধ, প্রভাব উত্তরবঙ্গে

আদিবাসী সিঙ্গল অভিযান বা এএসএ-র ডাকা ভারত বনধের প্রভাব পড়ল বাঁকুড়া,পুরুলিয়া,উত্তরবঙ্গের দুই জেলা মালদা ও উত্তর দিনাজপুরে। সকাল থেকেই যানবাহনের সংখ্যা বেশ কম। সপ্তাহের কাজের দিন হওয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বেড়েছে। বাঁকুড়ায় পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পিকনিক করতে আসা বহু পর্যটক আটকে পড়েছেন। সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ পুরুলিয়াতেও। রাস্তায় নামেনি বেসরকারি বাসও। মধুকুণ্ডা স্টেশনে রেললাইন অবরোধ করেন বনধ সমর্থকরা। পুরুলিয়ার আদিবাসী প্রভাবিত এলাকায় বন্ধ রয়েছে দোকানপাট। মালদাতেও বিভিন্ন প্রান্তে অবরোধ করেন বনধ সমর্থনকারীরা।  অবরোধ হয়েছে মালদা-দক্ষিণ দিনাজপুর রাজ্য সড়কে।