পুরুলিয়ায় মুখ থুবড়ে পড়েছে মাতৃযান প্রকল্প

ঘোষণাই সার। পুরুলিয়ায় মুখ থুবড়ে পড়েছে রাজ্য সরকারের মাতৃযান প্রকল্প। অভিযোগ, গত আট মাস ধরে মাতৃযান চালকরা নিজেদের প্রাপ্য টাকা পাচ্ছেন না। এর জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে এই সরকারি পরিষেবা। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর থেকে বরাদ্দ টাকা না আসায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। দুহাজার এগারোয় রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর জেলায় জেলায় চালু করেছিল মাতৃযান প্রকল্প। উদ্দেশ ছিল, প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী গরিব পরিবারের প্রসূতি ও এক বছর পর্যন্ত শিশুদের পরিচর্যা করা। সরকার ঘোষণা করে, প্রসবকালীন অবস্থায় প্রসূতিদের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য নিখরচায় ওই যান ব্যবহার করা হবে। কিন্তু ব্যস, ওই পর্যন্তই।গত প্রায় আট মাস ধরে পুরুলিয়ায় বন্ধ মাতৃযান পরিষেবা। এর জেরে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে গরিব পরিবারগুলি।

অযত্নে পুরুলিয়ায় মৃত্যু মুখে কয়েকশ এমু পাখি

পুরুলিয়ার পাড়া ব্লকে মৃত্যুর মুখে কয়েকশ এমু পাখি। কয়েক বছর আগে পাড়া ব্লকে এমুর খামার তৈরি করেছিল একটি অর্থলগ্নি সংস্থা। কিছুদিন হল ওই সংস্থা ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছে। নেই খামার রক্ষণাবেক্ষণের কোনও কর্মীও। ফুসরাবাদ গ্রামে তারজালে ঘেরা খামারে অবহেলায় মৃত্যুর দিন গুনছে কয়েকশ এমু । পুরুলিয়ার পাড়া ব্লকের ফুসরাবাদ গ্রাম। দুহাজার বারোতে সানপ্যান্ট অ্যাগ্রো নামে একটি সংস্থা এই এলাকাতেই তৈরি করে এমু পাখির খামার। প্রায় চার বিঘা জমি উপর গড়ে ওঠা এই খামার ঘিরে সে সময় রীতিমতো স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলেন ফুসরাবাদ গ্রামের মানুষ।