এখনই তৃণমূল ছাড়ছেন না শোভনদেব

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শেষপর্যন্ত দল ছাড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সেইসঙ্গে ইতি টানলেন দলের সঙ্গে বিরোধ প্রসঙ্গেও। আজ তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি-র একটি অনুষ্ঠানে তৃণমূল নেতা বলেন, কারোর সঙ্গে ঝগড়া হলেই দল ছাড়ার প্রশ্ন ওঠে না। তৃণমূলের আদর্শকে ভালবেসে তিনি রাজনীতি করেন বলে মন্তব্য করেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। যাবতীয় বিতর্ককে দূরে সরিয়ে তিনি যে ফের দলের কাজে মন দিতে চান, সেকথাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।

ড্যামেজ কন্ট্রোলে শোভনদেবের সাক্ষাতে ফিরহাদ, সুব্রত

শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে অস্বস্তি কাটাতে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামল তৃণমূল। সকালে ফিরহাদ হাকিম ফোন করে ক্ষুব্ধ বিধায়কের মানভঞ্জনের চেষ্টা করেন। একই প্রয়াস চালান সুব্রত মুখোপাধ্যায়। বৈঠকও করেন তাঁর সঙ্গে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। নিজের অবস্থানে অনড় থেকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ফের জানিয়েছেন, দলের ভিতর সম্মান চান তিনি।

রবীন্দ্রনাথকে রুখতে তৃণমূলের অস্ত্র বেচারাম

তৃণমূল কংগ্রেসে তোলাবাজি নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের অভিযোগের কড়া সমালোচনা করলেন কৃষি দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী বেচারাম মান্না। তাঁর দাবি, রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খুলে ঠিক কাজ করেননি। এমনকি সিঙ্গুরের অনিচ্ছুক কৃষকদের জমি ফিরিয়ে দেওয়ার দায় এড়াতেই, রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য সরকার থেকে সরে যেতে চাইছেন বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বেচারাম মান্না।

তোলাবাজিতে যুক্ত তৃণমূলের নেতারা, জানেন মুখ্যমন্ত্রীও: রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য

মুখ্যমন্ত্রী লড়াকু নেত্রী হতে পারেন, কিন্তু কখনই আদর্শ নন। তাই কৃষি দফতরে নিজের ঘরে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি রাখার কোনও প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেননি। সোমবার এক সাক্ষাত্‍‍কারে এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন সদ্য কৃষি দফতর হারানো মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। একইভাবে বলেছেন, ৩ ডিসেম্বর, সিঙ্গুরে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভায় যাওয়া খুব প্রয়োজনীয় নয়।

মন্ত্রিত্ব বদলের ক্ষোভে অবসরের সিদ্ধান্ত রবীন্দ্রনাথের

মন্ত্রিত্ব বদল নিয়ে ক্ষোভ জানিয়ে এবার রাজনীতি থেকেই অবসর নেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। বুধবার রাজ্য মন্ত্রিসভার রদবদলের সময় তাঁকে কৃষি দফতর থেকে সরিয়ে পরিসংখ্যান ও উন্নয়ন দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ। এর আগে স্কুল শিক্ষা দফতরের দায়িত্ব থেকেও সরানো হয়েছিল তাঁকে। বারবার দফতর বদলে তিনি যে অসন্তুষ্ট তা গোপন করেননি রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। গত দেড় বছরে দু-বার তাঁর দফতর বদল হয়েছে। মন্ত্রিসভায় রদবদলের পর অনেকেই নতুন দায়িত্ব বুঝে নেন। বৃহস্পতিবার রবীন্দ্রনাথবাবু কিন্তু নতুন দফতরে যাননি। দায়িত্বও বুঝে নেননি।