আবার ধর্ষণ গাজিয়াবাদে

আবার গণধর্ষণ রাজধানীর উপকণ্ঠে। দিল্লি থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে, গাজিয়াবাদে, ১৯ বছরের এক তরুণীর গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল। সোমবার, দ্বাদশ শেণির এই ছাত্রী সন্ধে সাড়ে ৮টা নাগাদ গাজিয়াবাদের ইন্দিরাপুরমের কাছে অটোয় ওঠেন ওই তরুণী। অভিযোগ, এর পরেই তরুণীর মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে তিন যুবক। তাঁকে মারধরও করা হয়। এর পর তাঁর মোবাইল ফোন, টাকা পয়সা লুঠ করে ন্যাশানাল হাইওয়েতে তরুণীকে ফেলে রেখে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা।

যন্ত্রণার জবানবন্দি দিলেন তরুণীর বন্ধু

দিল্লি গণধর্ষণকাণ্ড শুধু দেশের সাধারণ মানুষকেই স্তব্ধ করে দেয়নি। ঘটনার নৃশংসতায় শিউরে উঠেছিলেন পুলিসকর্তারাও। কিন্তু শরীর জুড়ে পাশবিক অত্যাচারের যন্ত্রণা তেইশ বছরের ওই তরুণীর মনোবল ভাঙতে পারেনি। তাই হাসপাতালের বেডে শুয়েই বয়ান দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট পরে লিখিতভাবে জানান, চাপের মুখে বয়ান দিয়েছেন নির্যাতিতা। এনিয়ে বিতর্কও তৈরি হয়। ঘটনার পর টিভির পর্দায় মুখ খুলে এবিষয়ে একরাশ ক্ষেভ উগরে দিলেন তরুণীর বন্ধু।

বুধবার জমা পড়বে দিল্লি কাণ্ডের চার্জশিট

দিল্লি কাণ্ডের প্রায় এক হাজার পাতার চার্জশিটে ৩০ জন প্রত্যক্ষদর্শীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছেন ২৩ বছরের ওই তরুণীর বন্ধুও যিনি সেদিন দুষ্কৃতিদের হাতে নিগৃহীত হয়েছেন। এছাড়াও সেই রাতে যে ব্যক্তিকে দুষ্কৃতিরা লুঠ করে প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে তাঁর নামও রয়েছে চার্জশিটে। এছাড়াও সেই রাতে অভিযোগ গ্রহণকারী পুলিস অফিসার, সফদরজং ও সিঙ্গাপুরে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ডাক্তাররাও রয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে রয়েছেন। সূত্রে খবর, আগামী বুধবার এই চার্জশিট পেশ করা হবে। আজই ১৬ তারিখের ঘটনার ফরেন্সিক ও ডিএনএ রিপোর্ট জমা পড়ার কথা। এই রিপোর্টেই ধৃত দুষ্কৃতীদের ঘটনাস্থলে উপস্থিতির প্রমাণ মিলবে বলে মনে করছে পুলিস।

প্রতিবাদে পথ হাঁটল কলকাতা

শোক, ক্ষোভ একাকার হয়ে আছড়ে পড়ল কলকাতার বুকে। প্রতিবাদী কলকাতায় আজ শুধুই মোমবাতি, মিছিল, মোমবাতি-মিছিল। কখনও নীরবে, কখনও সোচ্চারে আরও একবার প্রতিবাদী হল শহর কলকাতা।

কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবসেও দিল্লি গণধর্ষণের ছায়া

কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবসে দিল্লি গণধর্ষণ কাণ্ডের নিন্দা করলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে চিকিত্‍সারত তরুণীর আরোগ্য কামনা করেন কংগ্রেস সভানেত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলন্ত বাসে গণধর্ষণের ঘটনায় দেশজুড়ে তৈরি হওয়া ক্ষোভের শরিক সরকারও। দোষীদের দ্রুত বিচারের আশ্বাস দেন তিনি। কংগ্রেসের ১২৭তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে আজ এআইসিসি-র সদর দফতরে যান সোনিয়া-মনমোহন।