মহেশতলার বস্তিতে আগুন, ষড়যন্ত্রের অভিযোগ পুর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

আবার সেই সাজানো ঘটনা তত্ত্ব। আবার মুখ্যমন্ত্রী। মহেশতলার ষোলোবিঘা বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে ছোট বলে ব্যাখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এ হেন মন্তব্যের পর শুরু হয়েছে বিতর্ক। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তার দল জড়িয়ে পড়ায় কি মুখ্যমন্ত্রী ঘটনাকে ছোট করে দেখানোর চেষ্টা করছেন মমতা! মহেশতলার ষোলোবিঘা বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জড়িয়ে গেল মহেশতলা পুরসভার চেয়ারম্যান ও স্থানীয় তৃণমূলের পুরমাতা দীপিকা দত্তর নাম। ঘটনায় ফের অস্বস্তিতে শাসক দল। তাঁদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে মোট ১১জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে পুলিস। এফআরআইয়ে নাম না করে ষড়যন্ত্রের মূল অভিযুক্ত বলা হয়েছে মহেশতলা পুরসভার চেয়ারম্যান দুলাল দাসকে। মহেশতলা পুরসভার চেয়ারম্যান দুলাল দাস সম্পর্কে কলকাতা পুরসভার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের শ্বশুর। এই এফআরআইয়ের সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে স্থানীয় পুরমাতা দীপিকা দত্তের বিরুদ্ধে। এই দু'জন সহ মোট এফআইআর-এ নাম থাকা মোট ১১জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিস।   

সন্তোষপুরের ছায়া সরশুনায়, প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা

সন্তোষপুর স্কুল কাণ্ডের সংক্রমণের প্রতিরোধে এবার এগিয়ে এলেন সাধারণ মানুষ।  পাশের দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্র ছাত্রীদের পাল্টা দাওয়াই দিলেন এলাকার বাসিন্দারা।

সরশুনার শিবরামপুর ননীলাল হাইস্কুলে এবছর উচ্চমাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষায় বাইশজন ছাত্র-ছাত্রী অকৃতকার্য হয়। আজ সকালে স্কুলে হাজির হয় অকৃতকার্য ছাত্রছাত্রীরা।

স্কুলের কাছে দাবি ছিল, অবিলম্বে তাদের পাস করানো হোক। প্রধান শিক্ষক জানিয়ে দেন, পাস করানো কোনওমতেই  সম্ভব নয়। এর পরেই স্কুলের গেটে তালা ঝুলিয়ে

বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে ওই ছাত্র-ছাত্রীরা। 

ঘেরাও ইস্যুতে সংসদের পাশেই ব্রাত্য

সন্তোষপুরে স্কুল ঘেরাও কাণ্ডে সংসদকে ক্লিনচিট দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। শুধু তাই নয়, তিনি জানিয়েছেন সংসদ যে পদ্ধতিতে ঘেরাও তুলেছে তা প্রশংসাযোগ্য।

শিক্ষামন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরেই বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ঘেরাও তুলতে সংসদ যে পদ্ধতি অবলম্বন করেছিল ইতিমধ্যেই তা বহুল ভাবে সমালোচিত। সংসদের সেই পদক্ষেপের

পর থেকেই গোটা রাজ্য জুড়েই বিভিন্ন স্কুল গুলিতে ফেল করা ছাত্র-ছাত্রীরা পাসের দাবিতে বিক্ষোভ করা শুরু করেছে। ছোঁয়াচে রোগের মতই এই অন্যায় প্রবণতা ছড়িয়ে

পড়ছে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থিদের মধ্যে। এমনকি তাদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন অভিভাবকরাও। বিশেষজ্ঞদের মতে সাংসদের এই পদক্ষেপকে ভিত্তি করেই কার্যত রাজ্যের

শিক্ষাক্ষেত্রে অরাজকতার সৃষ্টি হয়েছে। এই রকম অবস্থায় সংসদের প্রশংসা করে, শিক্ষামন্ত্রী কি পক্ষান্তরে সংসদের সেই বিতর্কিত পদ্ধতির সমর্থন করলেন না? বিভিন্ন মহল

থেকে এখন এই প্রশ্নই উঠতে শুরু করেছে।