জানুন পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করার পিছনে কোন বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে

জানুন পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করার পিছনে কোন বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে

পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করা আমাদের দেশের মানুষদের কাছে একটা সাধারণ রীতি। যুগের পর যুগ ধরে এই রীতি চলে আসছে। হাত জোড় করে প্রণাম করার থেকেও আমাদের দেশের মানুষ পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করা বেশি পছন্দ করেন। ছেলেবেলা থেকেই তাই বড়দের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতে শেখানো হয়। বলা হয়, বড়দের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করার অর্থ হল, তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা, ভক্তি, ভালোবাসার মতো অনুভূতি প্রকাশ করা। তাই বাড়িতে কোনও আত্মীয়-সজন আসলে কিংবা বয়সে বড় কারও সঙ্গে দেখা হলে আমরা সবসময় পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করি। এমনটাই আমাদের শেখানো হয় ছেলেবেলা থেকে। কিন্তু এই পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করলে শুধু গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপণই হয় না। পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করার একটি বৈজ্ঞানিক কারণও রয়েছে। জানেন কি এই পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করার পিছনে কোন বৈজ্ঞানিক যুক্তি রয়েছে?

এই ৭টি প্রশ্নের উত্তর জানা আছে? এই ৭টি প্রশ্নের উত্তর জানা আছে?

জাগতিক সবকিছুর পিছনে কারণ খোঁজে বিজ্ঞান। কী কারণে, কেন? এর উত্তর দেয় বিজ্ঞান। কিন্তু, বিজ্ঞান কি সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে? এমন অনেক বিষয় আছে, যেগুলোর উত্তর খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞান কিন্তু বেশ হিমশিম খায়। এই যেমন, মানুষ কেন লজ্জা পায়? সেক্সের সময় চুলের ভূমিকা কী? চুমু খেলে কী সুফল পাওয়া যায়? এরকম আরও অনেক... 

খাওয়ার সময় কি ফোন ব্যবহার করা উচিত্‌? দেখুন বিজ্ঞান কি বলছে খাওয়ার সময় কি ফোন ব্যবহার করা উচিত্‌? দেখুন বিজ্ঞান কি বলছে

খাওয়ার সময়ের এই চেহারাটা প্রায় প্রতি ঘরেই দেখা যায়। কানে ফোন দিয়ে খেতে খেতে অনর্গল বক বক করে চলেছেন প্রচুর মানুষ। কিংবা খেতে খেতেই মেসেজ বা মেইলে টুক টাক অফিসের কাজ বা নেহাতই সোশ্যাল নেটওয়ার্কে সময় কাটাচ্ছেন। এটা আজকাল খুবই কমন ব্যাপার। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন, খাওয়ার সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করাটা আদৌ উচিত্‌ কিনা?

বিজ্ঞানই বলছে, মৃত মানুষকে বাঁচিয়ে তোলা সম্ভব! বিজ্ঞানই বলছে, মৃত মানুষকে বাঁচিয়ে তোলা সম্ভব!

মৃত মানুষকে কি বাঁচিয়ে তোলা সম্ভব? এতদিন পর্যন্ত উত্তর ছিল, না। কিন্তু, বিজ্ঞানের আরও আধুনিক গবেষণা বলছে, হ্যাঁ সম্ভব। মৃত মানুষকে বাঁচিয়ে তোলা সম্ভব। আরও বলা হচ্ছে, মৃত্যুর মিনিট তিনেক পরও মৃতদেহে বেঁচে থাকে চেতনা।

কার্ড পাঞ্চ করে কীভাবে উপস্থিতি রেকর্ড হয় জানেন? কার্ড পাঞ্চ করে কীভাবে উপস্থিতি রেকর্ড হয় জানেন?

খাতায় কলমে সইয়ের যুগ এখন আর নেই। আমরা সবাই এখন টেকনোলজির দাস। তাই ওঠা বসা খাওয়া শুতে যাওয়া সব কিছুতেই আমাদের বিজ্ঞানের সাহায্য লাগে। বিজ্ঞান ছাড়া এককথায় আমরা অচল। টেকনোলজির যুগে আমরা কাগজ কলমকে প্রায় ভুলতে বসেছি। তাই কাজের জায়গাতেও ঢুকতে গেলে এখন আর হাজিরা খাতায় সই করতে হয় না। এখন সবই কম্পিউটারাইজড। তাই কোথাও আঙুলের ছাপ দিয়ে তো কোথাও কার্ড পাঞ্চ করে 'উপস্থিত' বলতে হয়। কিন্তু এই যে কার্ড পাঞ্চ করছেন, জানেন কি এই কার্ড কীভাবে কাজ করে? মানে কার্ড দিলেই কীভাবে আপনার হাজিরা কম্পিউটারের খাতায় নথিভূক্ত হয়ে যায়?

বিজ্ঞানের কলেজে এখন ভূতেরাই ছাত্র, শিক্ষক এমনকি ইউনিয়নও ভূতেদের! বিজ্ঞানের কলেজে এখন ভূতেরাই ছাত্র, শিক্ষক এমনকি ইউনিয়নও ভূতেদের!

হায়দরাবাদে অবস্থিত খয়রাতাবাদ সায়েন্স কলেজ। দেশটির বিভিন্ন রাজ্য থেকে থেকে মেধাবী গবেষকরা সেখানে পড়তে যেত। কিন্তু কালের প্ররিক্রমায় সেই খয়রাতাবাদ কলেজ বিল্ডিংয়ে রাতের অন্ধকারে তো দূরের কথা, দিনেও কেউ ঢুকতে সাহস করে না।একদিন হঠাৎই আগুন লেগে যায় কলেজের গবেষণাগারে।

আত্মহত্যার পর আত্মার কী হয়, কোথায় যায়! আত্মহত্যার পর আত্মার কী হয়, কোথায় যায়!

মৃত্যু নিয়ে আমাদের বরাবরই একটা কৌতুহল আছে, এবং সেটা পরবর্তীকালেও থাকবে। আদৌ আত্মা বলে কিছু আছে কিনা, থাকলে মৃত্যুর পর আত্মার কী হয়, সে কোথায় যায়, আবার কীভাবে তার জন্ম হয়, এ নিয়ে বিস্তর মতামত এবং মতবিরোধ রয়েছে। এসবের উত্তর পেতে অনেক মানুষ আবার প্ল্যানচেটের মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির আত্মাকে প্রশ্নও করেছে বলে শোনা যায়। কিন্তু কোনও ক্ষেত্রেই সঠিক কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি।

জানেন উপোস করার পিছনে কোন বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে? জানেন উপোস করার পিছনে কোন বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে?

ধর্মীয় কারণে অনেককেই আমরা উপোস করতে দেখি। প্রায়ই দেখা যায় পুজো দেওয়ার আগে অনেকেই খাবার খান না। এটাকে সাধারণত আমরা পুজোর নিয়ম হিসেবেই মেনে আসছি। একরকম নিয়মই হয়ে গিয়েছে যে, পুজো দেওয়ার আগে নাকি খেতে নেই। আপনিও নিশ্চয়ই এমনটাই বিশ্বাস করেন? মনে করেন খেয়ে পুজো দিলে ঈশ্বর অসন্তূষ্ট হন? কিন্তু এটা কি জানেন, এই উপোস করার পিছনে বৈজ্ঞানিক কারণও রয়েছে?

ঈশ্বর আছে নাকি নেই? ঈশ্বর আছে নাকি নেই?

কেউ কেউ ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন, আবার কেউ ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন না। আসলে সত্যিই কি ঈশ্বর আছেন? এর উত্তর আমাদের কারও কাছে নেই। কারণ, ঈশ্বেরর থাকার স্বপক্ষে আমরা কেউই কোনও প্রমাণ দিতে পারব না। পৃথিবীতে যা ঘটে, তাকে অনেকে ঈশ্বরের কৃপা বলে মনে করেন। আবার অনেকেই একে কোনও শক্তি বলে ধরেন। এটা সবটাই বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করে।

জানেন কেন জলে কয়েন ফেলা হয়? জানেন কেন জলে কয়েন ফেলা হয়?

ছেলেবেলায় একটা কাজ আমরা সবাই করেছি। ব্রিজ দিয়ে গাড়ি গেলেই জলে কয়েন ছুঁড়ে ফেলা। কিংবা যে কোনও জলাশয় দেখলেই সেখানে কয়েন ফেলা আমাদের একটা অভ্যাস। এটাকে অনেকেই ধর্মীয় ব্যাপার বলে মানেন। তবে এই জলে কয়েন ফেলার পিছনের বৈজ্ঞানিক কারণটা কি জানেন?

এবার শব্দ শোনা নয় দেখাও যাবে এবার শব্দ শোনা নয় দেখাও যাবে

বিজ্ঞান মানেই নতুন কোনও আবিষ্কার। অসম্ভবকে সম্ভব করা। বিজ্ঞানের কাছে বারবার হার মানতে হয়েছে মানুষের প্রচলিত বিশ্বাসকে। কখনও তার ফল ভালো হয়েছে কখনও খারাপ। কিন্তু বিজ্ঞান সবসময় মানুষের থেকে এগিয়ে থেকেছে। আরও একবার তার ক্ষমতার প্রমাণ দিল বিজ্ঞান। শব্দকে শুধু শোনা যায় এই ধারণা পাল্টে প্রমাণ করে দিল যে শব্দকে দেখাও যায়।  

টিপ পরার উপকারিতাগুলি জানুন টিপ পরার উপকারিতাগুলি জানুন

ভালো থাকার জন্য আমরা কি না করে থাকি। ফেংসুই মতে বাড়ি সাজানো থেকে শুরু করে, নিজের সাজগোজ পোশাক এমনকী গয়না পর্যন্ত। শুধু তাই নয়, আমরা মনে করি এরকম করলে আমরা ভালো থাকব, শান্তিতে জীবনযাপন করতে পারব। আপনারা তো অনেকেই কপালে টিপ বা তিলক পরেন। কিন্তু জানেন কি যে এই টিপ পরলে আমাদের কী কী  শারীরিক উপকার হয়?

মহাকাশচারীদের পোশাকের রঙ কমলাই হয় কেন জানেন? মহাকাশচারীদের পোশাকের রঙ কমলাই হয় কেন জানেন?

মহাকাশচারী হওয়ার ইচ্ছে কখনও করেছে? অথবা কখনও মহাকাশচারীদের কথা ভেবেছেন? ওঁদের কী আপনার সব থেকে ভালো লাগে? আচ্ছা ওদের ওই উজ্জ্বল কমলা রঙের পোশাক কখনও মন দিয়ে দেখেছেন? ওই উজ্জ্বল কমলা রঙের পোশাক কেন মহাকাশচারীরা ব্যবহার করেন, সেটা নিয়ে কখনও ভেবেছেন? মানে আপনার মনেও তো হতে পারত যে, মহাকাশচারীরা কেন কমলা রঙের পোশাক না পরে নীল বা সবুজ রঙের পোশাক পরেন না!

রাগ পালটে দিতে পারে মস্তিষ্কের চেহারা রাগ পালটে দিতে পারে মস্তিষ্কের চেহারা

ওয়েব ডেস্কঃ মানুষের ষড় রিপুর একটি হলো ক্রোধ। এই ক্রোধকে মানুষের খারাপ গুণ বলেই ধরা হয়। ক্রোধের মধ্যে সর্বদা থাকে ধবংসের ইঙ্গিত। তাই মুনি ঋষিরা এই ক্রোধকে ত্যাগ করারই উপদেশ দিয়ে এসেছেন। কিন্তু বিজ্ঞ

আমাদের দেশের প্রচলিত ৭ টি কুসংস্কার এবং তার যৌক্তিকতা আমাদের দেশের প্রচলিত ৭ টি কুসংস্কার এবং তার যৌক্তিকতা

আমাদের দেশে কুসংস্কারের অভাব নেই। অবশ্য শুধু আমাদের দেশেই বা কেন? কম-বেশি কুসংস্কার সব দেশের মানুষেরই আছে। দেখে নিন, আমাদের দেশে কোন ১০ টি কুসংস্কার সবথেকে বেশি মানা হয়। আর এর পিছনের যুক্তিগুলোই বা কী!

আসলে কি এই ভালবাসা? (দেখুন ভিডিও) আসলে কি এই ভালবাসা? (দেখুন ভিডিও)

আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরেই 'ভ্যালেন্টাইন্স ডে'। এই দিনটি মূলত প্রেমিক যুগলদের দিন হিসেবেই ধরা হয়ে থাকে। জীবনের কোনও না কোনও সময় প্রেমে হয়ত সকলকেই পড়তে হয়। কিন্তু প্রেমের সংগা অনেকেই ঠিক মতো জানেন না। জানেন প্রেমে পড়লে আপনার মানসিক পরিবর্তনের সঙ্গে মস্তিষ্কের এবং শারীরিক কিছু পরিবর্তন দেখতে পাওয়া যায়। হৃদয়কে ভালবাসার প্রতীক হিসেবে ধরা হলেও, শরীরের মধ্যে ভালবাসার মায়া তৈরি করে মস্তিষ্ক। মস্তিষ্কের অনুপ্রেরণাতেই শরীর থেকে বিভিন্ন রকম হরমোন নিঃসরণ হয়ে থাকে। তাই ভালবাসার বৈজ্ঞানিক সংগা জানতে ক্লিক করুন নিচের ভিডিওটিতে...