শিলিগুড়িতে ফের জয় অশোক মডেলের, রাজ্যে ভরাডুবি বামেদের

শিলিগুড়িতে ফের জয় অশোক মডেলের, রাজ্যে ভরাডুবি বামেদের

গত ১৭ এপ্রিল শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্র নির্বাচন হয়। এখানে বাম ও কংগ্রেস জোটের প্রার্থী অশোক ভট্টাচার্য। পুরসভা নির্বাচনে রাজ্যে বামেদের ভরাডুবির মাঝেই শিলিগুড়ি পুরনিগম দখল করে রাজ্যে তিনি অশোক মডেল বলেই খ্যাতি লাভ করেন। এই পরিস্থিতিতে এবারের নির্বাচনে তাঁকেই ওই কেন্দ্রের জোট প্রার্থী করা হয়। কাঙ্খিত জয়ও পেলেন। 

ভোটের আগে বামেদের মহামিছিলে সরগরম শিলিগুড়ি ভোটের আগে বামেদের মহামিছিলে সরগরম শিলিগুড়ি

পায়ে পায়ে প্রচার। ভোটের আগে বামেদের মহামিছিল ঘিরে সরগরম শিলিগুড়ি। অশোক ভট্টাচার্যের সমর্থনে পথে নামলেন সূর্যকান্ত মিশ্র, প্রদীপ ভট্টাচার্য, মানস ভুঁইঞারা। একসঙ্গে, একজোটে।  

শিলিগুড়িতে দু-বার তৃণমূলকে হারানোর পর দার্জিলিংয়ে বাম-কংগ্রেস জোটের হাওয়া শিলিগুড়িতে দু-বার তৃণমূলকে হারানোর পর দার্জিলিংয়ে বাম-কংগ্রেস জোটের হাওয়া

প্রথমে পুর নিগম। তারপর মহকুমা পরিষদ। শিলিগুড়িতে দু-বার তৃণমূলকে হারানোর পর দার্জিলিং জেলার সমতলে বাম-কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে জোটের হাওয়া। সেই হাওয়াতেই ফের বিধানসভায় যাওয়ার আশা করছেন মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি কেন্দ্রের বিদায়ী কংগ্রেস বিধায়ক শঙ্কর মালাকার। রাজ্য সরকার মানুষের কাছে উন্নয়ন পৌছে দেওয়ায় খালি হাতে ফিরতে হবে না। জয় নিয়ে আশাবাদী তৃণমূল প্রার্থীও।

শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্র

ভোটগ্রহণ- ১৭ এপ্রিল

২০১৬ বিধানসভা নির্বাচন

কালীবাড়িতে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করলেন বাইচুং কালীবাড়িতে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করলেন বাইচুং

দাপিয়ে রাজত্ব করেছেন ফুটবল মাঠে। এবার পা বিধানসভা ভোটের ময়দানে। সেই ময়দানে পারফরম্যান্স দিতে শুরু হয়ে গেল ওয়ার্ম আপও। ভোট প্রাচারে নেমে পড়লেন বাইচুং ভুটিয়া। আনন্দময়ী কালীবাড়িতে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করলেন শিলিগুড়ি কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী বাইচুং ভূটিয়া। তাঁর লড়াই বাম শিবিরের শক্তিশালী প্রার্থী অশোক ভট্টাচার্যের সঙ্গে।

শিলিগুড়িতে প্রচারে নেমেই বামেদের শিলিগুড়ি মডেলকে কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীর শিলিগুড়িতে প্রচারে নেমেই বামেদের শিলিগুড়ি মডেলকে কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীর

শিলিগুড়িতে প্রচারে নেমে প্রত্যাশিতভাবেই বামেদের শিলিগুড়ি মডেলকে কটাক্ষ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ ফাঁসি দেওয়ার সভায় শিলিগুড়ি মডেলকে মেডেল বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাহাড়ে মোর্চাকে সমর্থন করা নিয়েও বামেদের কড়া সমলোচানা করেন তৃণমূল নেত্রী।

 ভূমিকম্প শিলিগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে ভূমিকম্প শিলিগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে

ফের ভূমিকম্প। এবার হল জলপাইগুড়িতে। শিনিগুড়িতে, মালবাজারে, আলিপুরদুয়ারেও কম্পন অনুভূত হয়েছে সব জায়গাতেই। দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে ভূমিকম্প। প্রায়ই কোনও না কোনও জায়গায় ঘটেছ এমনটা। তাও ভূমিকম্প প্রবণ জায়গায় হলে মানা যায়। কিন্তু এখন যেকোনও জায়গাতেই ভূমিকম্পের খবর প্রায়ই শোনা যাচ্ছে।

ভোটারদের নজর কাড়ছেন বাইচুং ভোটারদের নজর কাড়ছেন বাইচুং

একজন একেবারে সনাতন ধারায় ভোট প্রচারে। তিনি অশোক ভট্টাচার্য। অন্যজনও ভোট চাইছেন, তবে প্রচার কৌশল সম্পূর্ণ ভিন্ন। ফুটবলার তিনি। তাই বাইচুং ভুটিয়ার স্টাইল অন্যরকম। দুজনেই লড়ছেন। কিন্তু লড়াইটা দুই দলের দুই প্রার্থীতে থেমে নেই। লড়াইটা শুধুমাত্র একটা আসনেরও নয়। লড়াইটা বামেদের শিলিগুড়ি মডেলের সঙ্গে তৃণমূল সুপ্রিমোর। তৃণমূলের বিজয় রথের চাকা আটকে গিয়েছিল শিলিগুড়ি পুরসভা ভোটে। বামেদের সেনাপতি ছিলেন অশোক ভট্টাচার্য। এবার বিধানসভা ভোটে সেই শিলিগুড়ি পুরসভার ৪৭টি ওয়ার্ডের ৩৩টি ওয়ার্ড নিয়ে গড়া শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট। এবারও বামেদের সেনাপতি সেই অশোক ভট্টাচার্য।

ব্রিজ থেকে বিদ্যালয়, কিছুই আটকে নেই উত্তরবঙ্গে ব্রিজ থেকে বিদ্যালয়, কিছুই আটকে নেই উত্তরবঙ্গে

গত চার বছরে সরকারের সহযোগিতায় উত্তরবঙ্গ উন্নয়নের নতুন পথে এগিয়ে গেছে। শিলিগুড়িতে তৈরি হয়েছে ব্রাঞ্চ সেক্রেটারিয়েটের নতুন বিলডিং। নামকরণ করা হয়েছে 'উত্তরকন্যা'। ২০১৪ সালের ২০ জানুয়ারি উত্তরকন্যার উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তর দিনাজপুরে তৈরি হয়েছে তিনটি নতুন রাস্তা। চুড়ামহন থেকে লালঞ্জ, বাইতোলা থেকে জয়হাট এবং বড়দিঘিঘাট থেকে লালঞ্জ। তৈরি হয়েছে ইস্টার্ণ বাইপাস দিয়ে শিলিগিড়ি থেকে জলপাইগুড়ি যাওয়ার বিকল্প রাস্তা। ১৯১০ লক্ষ টাকা খরচ করে তৈরি  করা হয়েছে

পণপ্রথার বিরুদ্ধে কন্যাশ্রীদের উদ্যোগ পণপ্রথার বিরুদ্ধে কন্যাশ্রীদের উদ্যোগ

সমাজ এগিয়েছে কিন্তু আজও সমাজে রয়ে গেছে সামাধিক ব্যাধিগুলো। এখনও ঘটতে দেখা যায় পণপ্রথা, বাল্যবিবাহের মতো ঘটনা। ছোট্ট মায়েটিকে স্কুলে না পাঠিয়ে তাঁর ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হয় সংসারের দায়িত্ব।

আবারও হাতির হানা শিলিগুড়িতে আবারও হাতির হানা শিলিগুড়িতে

দু-দিন আগেই শহরে ঢুকে পড়ে রক্তাক্ত হয়েছিল বৈকুন্ঠপুর জঙ্গল থেকে আসা একটি মাকনা হাতি। ঘুমের গুলি খেয়ে টলতে টলতে সুকনার জঙ্গলে ফিরেছে জখম হাতিটি। তারপর আর  খোঁজ  নেই।

পুলিস ফাঁড়িতেই চলছে কচিকাচাদের নিয়ে প্রাথমিক স্কুল! পুলিস ফাঁড়িতেই চলছে কচিকাচাদের নিয়ে প্রাথমিক স্কুল!

পুলিস ফাঁড়িতেই চলছে কচিকাচাদের নিয়ে প্রাথমিক স্কুল। ক্লাস নিচ্ছেন পুলিসকর্মীরাই। এই বিরল দৃশ্য দেখা গেছে শিলিগুড়ির প্রত্যন্ত গ্রাম মিলনপল্লীর পুলিস ফাঁড়িতে। এলাকায় কোনও স্কুল না থাকায় শিশুদের পড়াশোনার প্রাথমিক দায়িত্ব সামলাচ্ছেন  উর্দিধারীরাই। শিলিগুড়ি শহর থেকে ছত্রিশ কিলোমিটার দূরে তিস্তা নদীর ধারে প্রত্যন্ত গ্রাম মিলনপল্লী। পাশেই রয়েছে আরও তিনটি গ্রাম গাজলডোবা, দুধিয়া এবং চাকীমারী। তিনটি গ্রামে প্রায় দশ হাজার মানুষের বসবাস । গ্রামের দিন আনা দিন খাওয়া বেশিরভাগ মানুষের জীবিকা কৃষিকাজ।  গ্রামে ছিলনা কোনও স্কুল। শিশুদের ভবিষ্যত নিয়ে তেমন কেউ মাথাও ঘামাননি।  দুহাজার তেরো সালে মিলনপল্লী পুলিস ফাঁড়িতেই শুরু হয় নবদিশা পাঠ প্রাথমিক বিদ্যালয়। বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিশুদের স্কুলে পাঠানোর আর্জি জানান পুলিসকর্মীরাই।

 সাইকেল বিলি নিয়ে ধুন্ধুমার-কাণ্ড চলছেই সাইকেল বিলি নিয়ে ধুন্ধুমার-কাণ্ড চলছেই

সাইকেল বিলি নিয়ে ধুন্ধুমার-কাণ্ড চলছেই। শিলিগুড়িতে আজ সাইকেল নিতে গিয়েও পায়নি পড়ুয়ারা। এনিয়ে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ চলে।  ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ, তাদের রুখতে লাঠিচার্জ করে পুলিস। সাইকেল নিয়ে বিক্ষোভ হয় জলপাইগুড়ি এবং বর্ধমানেও। রাজ্য সরকারের সবুজ সাথী প্রকল্পে সাইকেল বিলি নিয়ে ফের অশান্তি।

আগামিকাল শীত আরও বাড়বে! আগামিকাল শীত আরও বাড়বে!

আগামিকাল শীত আরও বাড়বে। তবে শীতের মেয়াদ বেশি দিনের নয়, একেবারে বিজ্ঞানের শর্ত অনুসরণ করে না বললেও, পাঁচিশে জানুয়ারির পরই রাজ্যে শীতের বিদায়। তবে যাওয়ার আগে শীতের  শেষ কামড়ে জবুথুবু দশা রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণ। এবার তেমন শীত নেই, এই ধরনের হা-হুতাশ নয়, এবছর শীতই পড়েনি।  গোটা পৌষ গেছে বসন্তের  উষ্ণতায়। মাঘের শীতে বাঘ পালায়, একথাও সত্যি মনে হচ্ছিল না মাঘের প্রথম দিকে ।  

মাথায় হাত শিলিগুড়ির আনারস চাষিদের মাথায় হাত শিলিগুড়ির আনারস চাষিদের

মাথায় হাত শিলিগুড়ির আনারস চাষিদের। ফলন দেদার, কিন্তু বিক্রির বাজারে মন্দা। পাইকারি বাজারে দেড় থেকে দুটাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে আনারস। সরকারি সাহায্যের আশায় এখন দিন গুনছেন ঋণের দায়ে ডুবতে বসা কৃষকরা।আনারসের হাজারো গুন। সেই আনারস নিয়েই মাথা চাপড়াচ্ছেন কৃষকরা। এককথায় লাভের গুড় পিঁপড়েয় খাচ্ছে। দাম না মেলায় কপালে চিন্তার ভাঁজ শিলিগুড়ির বিধাননগরের আনারস চাষীদের।চারা থেকে আনারস ফলাতে গাছ প্রতি খরচ পড়ে ১২ থেকে ১৩ টাকা। সেই আনারসই বাজারে বিক্রি করতে গিয়ে মিলছে দেড় থেকে দুটাকাএশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম আনারস চাষ হয় শিলিগুড়ি মহকুমার বিধাননগরে। সেখানেই আনারসের এই মন্দা দামে মাথায় হাত চাষীদের। ফসল বেচেই ঋণ মহাজনের টাকা শোধ করেন চাষিরা। টাকা শোধতো দুরের কথা, খরচের টাকা তোলাই এখন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিধাননগরের কোল্ডস্টোরেজ অবস্থায় শোচনীয়। কোটি টাকা খরচ করে কোল্ডস্টোরেজ হলেও পরিচর্যার অভাবে নাম লিখিয়েছে বাতিলের খাতায়। আনারস থেকে অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত খাবারের কোম্পানিও দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ। প্রশাসনের থেকেও মেলেনি কোনও সদুত্তর। এই পরিস্থিতিতে আনারস কৃষকদের সবথেকে বড় সমস্যা এখন ঋণশোধ। সরকারি সাহায্যই একমাত্র সমস্যার সমাধান করতে পারে বলে মনে করছেন জেলার চাষীরা।