বিচারের আশায়...

একত্রিশে ডিসেম্বরের রাত। সময় নাচ-গান, হই-হুল্লোড়ের মধ্যে বর্ষবরণের। আলোর রোশনাইয়ে সেজে ওঠে

গোটা বিশ্ব। কিন্তু অনিমা দত্তের জীবন থেকে সব আলো কেড়ে নিয়েছে এই একটি তারিখ। ঠিক এক বছর আগে

এই দিনেই একমাত্র ছেলেকে হারিয়েছিলেন অনিমাদেবী। সাউথ সিটি আবাসন চত্বরে মিলেছিল কৌশিক দত্তের

দেহ। অনিমা দেবীর অভিযোগ, ছেলেকে খুন করা হয়। বিচারের আশায় থানা-পুলিস সবই করেছেন। কিন্তু নিট

ফল শূন্য। ষাটোর্ধ্ব এই বৃদ্ধা তাই ক্লান্ত। কিন্তু হতাশ নন। আজও তাঁর দাবি একটাই। ছেলের মৃত্যুর বিচার হোক।

বাসিন্দাদের উদোগ্যে বন্ধ হল ঝিল ভরাট

শহর কলকাতায় প্রোমোটারদের দৌরাত্ম্যে ভরাট হয়ে যাচ্ছে একের এক জলাভূমি। একই পরিণতির দিকে এগোচ্ছিল

বিক্রমগড় ঝিল। সাতাশি নম্বর প্রিন্স গোলাম হুসেন শাহ রোডে তিরিশ কাঠা জমি নিয়ে বিক্রমগড় ঝিল। এই অবস্থায়

পরিবেশ বাঁচাতে নজিরবিহীন ভাবে এগিয়ে এসেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আনোয়ার শাহ রহস্যমৃত্যু কাণ্ডে প্রশ্ন আবাসনের নিরাপত্তা নিয়ে

আনোয়ার শাহ রোডে আবাসনে তিনজন মহিলার দেহ উদ্ধারের ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে ওই আবাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে। শুধু সন্ধ্যায় নয়, দুপুরেও মুকুতা মুখার্জি ওই আবাসনে যান বলে জানতে পেরেছে পুলিস।

মানসিক অবসাদে দুই মেয়েকে নিয়ে আত্মঘাতী মা

ঘটনার ৮ ঘণ্টা পর আনোয়ার শাহ রোডের বহুতলের লনে রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় নয়া মোড়। উদ্ধার হল সুইসাইড নোট। মৃতেরা একই পরিবারের সদস্য বলে সুইসাইড নোট থেকে জানতে পেরেছে পুলিস। তাঁরা ৩ জনেই গল্ফ গ্রিনের বাসিন্দা।