অপমানে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মঘাতী পুত্রবধূ, কেরোসিন জার দিলেন শ্বশুর অপমানে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মঘাতী পুত্রবধূ, কেরোসিন জার দিলেন শ্বশুর

অ্যাপেন্ডিসাইটিসের চিকিত্‍সার টাকা চাওয়ায় পুত্রবধুর হাতে কেরোসিনের জার তুলে দিলেন শ্বশুর। অপমানে সেই তেল গায়ে ঢেলেই আত্মঘাতী হলেন পুত্রবধূ।  মর্মান্তিক এই ঘটনা কালনার শিকারপুর গ্রামের। গতকাল হেনা বিবি নামে ওই মহিলা গায়ে আগুন দেওয়ার পরই তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকেরা পালিয়ে যায়। অগ্নিদগ্ধ মহিলাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান গ্রামবাসীরা। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় রাতেই তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়। আজ সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে হেনা বিবি পুলিসের কাছে গোটা ঘটনা জানিয়ে গিয়েছেনবলে জানিয়েছেন তাঁর পরিবার ও আত্মীয়রা।

চুরি করতে এসে ধরা পড়ার ভয়ে আত্মঘাতী চোর চুরি করতে এসে ধরা পড়ার ভয়ে আত্মঘাতী চোর

বাঁশদ্রোণীর ব্রহ্মপুরে চুরি করতে গিয়ে আত্মহত্যাই করে ফেলল চোর। এ ঘটনায় রীতিমতো হতবাক স্থানীয় বাসিন্দারা। আত্মঘাতী চোরের পরিচয় জানা যায়নি। পরিচয় জানতে সাহায্য নেওয়া হয়েছে লালবাজারের অ্যান্টি বার্গলারি শাখার। এ বাড়ি দীর্ঘদিন ধরেই তালাবন্দি। গৃহকর্তা থাকেন চেন্নাইয়ে। শনিবার সকালে এ বাড়িতেই হঠাত্‍ আলো জ্বলতে দেখে সন্দেহ হয় এক বৃদ্ধের। দরজায় ধাক্কা দিতেই এক যুবককে পালিয়ে যায় ছাদের পাইপ বেয়ে। বৃদ্ধের বুঝতে দেরি হয়নি, বন্ধ বাড়িতে হানা দিয়েছে চোর। হাঁক ডাক করতেই জড়ো হয়ে যান বাসিন্দাদের অনেকেই।  সুযোগ বুঝে পালিয়ে যায় আরও এক যুবক। 

একসঙ্গে আত্মহত্যা বাবা, মা ও ছেলের, বাগুইআটির ফ্ল্যাটে ৫ দিন ধরে পচছে দেহ একসঙ্গে আত্মহত্যা বাবা, মা ও ছেলের, বাগুইআটির ফ্ল্যাটে ৫ দিন ধরে পচছে দেহ

বাগুইআটিতে একই পরিবারের তিনজনের রহস্যমৃত্যু। জ্যাংড়ার বন্ধ ফ্ল্যাট থেকে মিলল বাবা-মা-ছেলের দেহ। প্রাথমিকভাবে পুলিসের অনুমান, বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন তিনজন। ঘর থেকে মিলেছে সুইসাইড নোট। মৃতদেহ দেখে তদন্তকারীদের অনুমান, এমাসের ১৯ বা ২০ তারিখ আত্মহত্যা করেন তিনজন। গত কয়েকদিন ধরেই বন্ধ ছিল অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ককর্মী দীপক বসুধরের ফ্ল্যাটের দরজা। সন্দেহ হওয়ায় পুলিসে খবর দেন প্রতিবেশীরা। দরজা ভেঙে পুলিস দেখেন পড়ে রয়েছে দীপক বসুধর, তাঁর স্ত্রী মীনাক্ষি ও ছেলে অনির্বাণের দেহ। ঘর থেকে উদ্ধার হয় একটি ফাঁকা বোতল। বোতলে কী ছিল জানতে, তা ফরেনসিক পরীক্ষায় পাঠানোর কথা ভাবা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য তিনটি দেহ আনা হয়েছে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।পুলিস জেনেছে দীপকবাবু ও অনির্বাণ ক্যান্সারে ভুগছিলেন। চিকিত্‍সার খরচ চালানোর সামর্থ্য ছিল না। সেই হতাশা থেকেই সম্ভবত আত্মহত্যার পথ বেছে নেন তিনজন।