ব্যতিক্রমী বিধানসভা, রেলভাড়া বৃদ্ধির বিরোধীতায় এক সুর সরকার ও বিরোধী পক্ষের

বিধানসভায় ব্যতিক্রমী ছবি। রেলভাড়া বৃদ্ধির বিরোধিতায় একই সুর মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী দলনেতার গলায়। রেলভাড়া বৃদ্ধির বিরুদ্ধে বিরোধী দলনেতার মোদী সমালোচনাকে সমর্থন করেন মুখ্যমন্ত্রী। সর্বসম্মতিতে পাশ হয়ে যায় রেলভাড়া বিরোধী প্রস্তাবও।জুলাইয়ের আট তারিখেই পেশ হতে চলেছে রেল বাজেট। একধাক্কায় রেলের ভাড়া অনেকটাই বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদী সরকার।। রেলভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে সোমবার সরকারের তরফে একটি প্রস্তাব আনা হয়। প্রস্তাবের পর বক্তব্য রাখতে ওঠেন বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র। তিনি বলেন, বাজেটের আগেই যেভাবে রেলভাড়া বাড়িয়েছে মোদী সরকার তা অগণতান্ত্রিক।

এ রাজ্যে লড়াই শুধু বাম বনাম তৃণমূলের, দাবি সূর্যকান্তের

ভোট বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই প্রথম এ রাজ্যে চতুমুর্খী লড়াই হবে। কিন্তু সিপিআইএম মনে করছে, মূল লড়াই দ্বিমুখী। এবং সেই লড়াই তৃণমূল কংগ্রেস বনাম বামেদের। আজ এমনই মন্তব্য করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র। তার অভিযোগ কংগ্রেসে এবং বিজেপি যে প্রার্থী তালিকা দিয়েছে তার থেকেই স্পষ্ট তারা তৃণমূল কংগ্রেসকেই ওয়াকওভার দিয়েছে। কংগ্রেস আর বিজেপির ভোট কাটাকাটির ফর্মুলা কোন শিবিরের পক্ষে যাবে তানিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। আর ঠিক সেইসময় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র সম্পূর্ণ পাল্টা তত্ত্ব দিলেন। তিনি বললেন লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে লড়াই হবে দ্বিমুখী।

আন্দোলনরত পরীক্ষার্থীদের লাগাতার ২০ দিনের অনশনের পর মাথা নোয়ালো কমিশন, সোমবার এসএসসির চতুর্থ দফায় কাউন্সেলিং

চাকরি লাগাতার ২০দিনের অনশন। তার চাপে পড়ে চতুর্থ দফার কাউন্সেলিংয়ের প্রতিশ্রুতি দিলেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান। কিন্তু তাতেও জট পুরো কাটল না। এসএসসির চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য আজ আন্দোলনরত পরীক্ষার্থীদের অনশন তুলে নিতে অনুরোধ করেন। ১৫০০ শূন্য পদ পূরণের জন্য, সোমবার চতুর্থ দফার কাউন্সেলিং হবে বলে জানান তিনি। সেখানে বেশিরভাগ অনশনকারী ছেলেমেয়েদেরই ডাকা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। কিন্তু আন্দোলনকারীদের দাবি, প্যানেলভুক্ত সাড়ে তিন হাজার প্রার্থীকেই চাকরি দিতে হবে।

বিধানসভা বয়কট, রানি রাসমণি রোডে প্রতিবাদ সভা, কলকাতা জুড়ে থানা ঘেরাও, বিভিন্নভাবে প্রতিবাদে সরব বামেরা

বিধানসভা বয়কট, রানি রাসমণি রোডে প্রতিবাদ সভা, কলকাতা জুড়ে থানা ঘেরাও। সাম্প্রতিক জ্বলন্ত ইস্যুগুলিতে পথে নেমে প্রতিবাদে সরব হল বামেরা। রাজ্যের মানুষের আস্থা ফেরাতে বামেদের তরফে নেওয়া হয়েছে সর্বাত্মক আন্দোলনের কর্মসূচি। সারদা কেলেঙ্কারীর তদন্তের দাবি জানাতে গিয়ে বৃহস্পতিবার বিধাননগর কমিশারেটে আক্রান্ত হন শিক্ষাবিদ সুনন্দ সান্যাল, সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী, পিডিএস নেতা সমীর পূততুন্ড, কংগ্রেস নেতা সুখবিলাস বর্মারা। তাকে সামনে রেখেই গা ঝাড়া দিয়ে রাস্তায় নামতে চাইছে বামেরা। বৃহস্পতিবারই সে কথা স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, গৌতম দেবরা।