কান্দাহার বিমানবন্দরে জঙ্গি হামলা

কান্দাহার বিমানবন্দরে জঙ্গি হামলা

কান্দাহার বিমানবন্দরে জঙ্গি হামলা। চলল ধুন্ধুমার গুলির লড়াই, একাধিক বিস্ফোরণ। এয়ারপোর্ট কমপ্লেক্সে প্রথম গেটের নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেঙে ঢুকে যেতে সফল হয় তালিবান জঙ্গিরা। বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। তবে সংখ্যা এখনও স্পষ্ট নয়। হামলা হয় আফগান-ন্যাটো জয়েন্ট মিলিটারি বেসে। এছাড়াও টার্গেট করা হয়েছে আশেপাশের জনবহুল এলাকাগুলি। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি কর্মীদের কয়েকটি আবাসন। অনেকগুলি দোকানেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। প্রশাসন সূত্রে খবর, স্থানীয় একটি স্কুলে লুকিয়ে এয়ারপোর্ট লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকে জঙ্গিরা। লড়াই বেধে যায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে। কিন্তু কতজন জঙ্গি হামলা চালায়, তা নিয়ে ধন্দ রয়েছে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় এনিয়ে দ্বিতীয় হামলা হল কান্দাহারে। সোমবারই পুলিস স্টেশনে তালিবানি হামলায় তিন পুলিসকর্মী ও দুই জঙ্গির মৃত্যু হয়।      

ফুল কই? শুধুই অস্ত্রের উল্লাস, বইয়ের বদলে বন্দুকের পাঠ্যে শিশুরা ফুল কই? শুধুই অস্ত্রের উল্লাস, বইয়ের বদলে বন্দুকের পাঠ্যে শিশুরা

'বন্দুকের নলই সমস্ত ক্ষমতার উৎস '(যদি তা থাকে জনতার হাতে)। হ্যাঁ এমনটা আগেও ছিল, এখনও তাই। পরিস্থিতি বদলালেও বদলায়নি বুলেট আর বেয়োনেটের গল্পটা। আজও আফগানিস্থানের আকাশে বারুদের গন্ধ। আজও বোমার শব্দে ঘুম ভাঙে শিশুর। মানুষ যেখানে নিরুপায়-দেশটার নাম আফগানিস্থান। তালিবানদের স্বর্গপুরী। সন্ত্রাসের সমস্ত ব্লু প্রিন্ট গুলি তো তৈরি হয়েছে এখান থেকেই। তবে কথায়ই আছে, 'বাপেরও বাপ থাকে'। হলও তেমনটাই। আফগান রাজ্যে তালিবানরাই অস্তিত্ব সংকটে। আফগানিস্থানের পার্বত্য অঞ্চলে তৈরি হয়েছে আরও এক অস্ত্রধারী গোষ্ঠী। দ্য ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্ট (ISIL)-নামের এই গোষ্ঠীকেই ভয় পাচ্ছে তালিবানরা।