চলন্ত ট্রেন থেকে পরে মৃত্যু কিশোরীর চলন্ত ট্রেন থেকে পরে মৃত্যু কিশোরীর

চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে মৃত্যু হল এক কিশোরীর। দুর্ঘটনাটি বর্ধমান এবং তালিত স্টেশনের মাঝে  ঘটেছে। একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতার খিদিরপুর অঞ্চল থেকে স্বপরিবারে বিহার শরিফ যাচ্ছিলেন পারভেজ ইকবাল নামে এক স্কুল শিক্ষক। দানাপুর এক্সপ্রেসের সংরক্ষিত কামরায় তাঁরা ছিলেন। পারভেজ ইকবালের দাবি, তালিত ছাড়ার পরই তাঁর শালার মেয়ে হাত ধুতে গিয়েছিল। হঠাত্‍ই সে পড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা চেন টেনে ট্রেন থামান এবং গার্ডকে অনুরোধ করেন একটু খুঁজে দেখার। যদিও গার্ড তাঁদের কোনও সাহায্য করেননি বলে অভিযোগ পারভেজ ইকবালের। প্রায় ৩ ঘণ্টা পরে রেল পুলিস গিয়ে দেহ উদ্ধার করে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কিন্তু রাতে সংরক্ষিত কামরার দুটি দরজা কেন খোলা ছিল, তার কোনও জবাব মেলেনি রেল কর্মীদের কাছে। ফলে ফের প্রশ্নের মুখে যাত্রীদের নিরাপত্তা।

ট্রেনের সিগনাল পোস্টে ধাক্কা লেগে মৃত ১, আহত ২ ছাত্র

সিগনাল পোস্টে ধাক্কা লাগে মৃত্যু হল এক ছাত্রের। টিটাগড় ও খড়দা স্টেশনের মাঝে দুর্ঘটনাটি ঘটে। কি হয়েছে দেখতে গিয়ে, পরের সিগনাল পোস্টে ধাক্কা লাগে তার দুই বন্ধুর। তাদের বারাকপুরের বি এন বসু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক। এদিকে মৃত ছাত্রের পরিবারের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিত্‍সক শান্তনু গুহ। অভিযোগ, তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনিও হাসপাতালে ভর্তি।বারাকপুর থেকে শিয়াদাগামী লোকালে বাড়ি ফিরছিল তিন বন্ধু। টিটাগড় পেরিয়ে যাওয়ার পরই ঘটে যায় দুর্ঘটনা। খড়দার হোম সিগনাল খোলা কিনা দেখতে গিয়ে, পোস্টে ধাক্কা লাগে একজনের। সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন থেকে নিচে পড়ে যায় সোদপুর পানশিলার বাসিন্দা সৌরভ ঘোস। কি হয়েছে দেখতে গিয়ে পরের সিগনাল পোস্টে ধাক্কা খায় তার দুই বন্ধুও। তিনজনকেই নিয়ে যাওয়া হয় বারাকপুরের বি এন বসু হাসপাতালে। সেখানেই মৃত্যু হয় সৌরভের। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়ে মৃত ছাত্রের পরিবারের লোকজন।