লক্ষ্য ২০১৪: কংগ্রেসের মুখ রাহুল

২০১৪-এ কংগ্রেস ফের ক্ষমতায় এলে রাহুল গান্ধী কি প্রধানমন্ত্রী হবেন? জাতীয় রাজনীতিতে বেশ কিছুদিন ধরেই ঘুরে ফিরে আসছে এই প্রশ্ন। কংগ্রেসের নেতারাও প্রকাশ্যে সোনিয়া পুত্রের পক্ষে সওয়াল করছেন। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী পদে জোর করে বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে না। দলীয় নেতা-কর্মীদের দাবিতেই তাঁকে প্রধানমন্ত্রী করা হচ্ছে - এমনটাই দেখাতে চান সোনিয়া গান্ধী। আর দলনেত্রীর মনোভাবের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই রাহুলের পক্ষে মুখ খুলছেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা। এমনিতে, কংগ্রেসে রাহুল গান্ধী অঘোষিত নাম্বার টু। বিহার, উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে ভরাডুবির দায় তাঁর ওপর অনেকটাই বর্তালেও দলে রাহুল গান্ধীর গুরুত্ব ক্রমশ বেড়েছে। রামলীলা ময়দানে প্রকাশ্য জনসভাই হোক বা সুরজকুণ্ডের অধিবেশন, সংবাদ বৈঠক - গত কয়েকমাসে রাহুল গান্ধীকে কংগ্রসের বিভিন্ন কর্মসূচিতেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা গেছে।

চৌতালার আনা অভিযোগ খারিজ করলেন রাহুল

হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী ওমপ্রকাশ চৌতালার আনা কর ফাঁকির অভিযোগ পত্রপাঠ খারিজ করলেন রাহুল গান্ধী। গতকাল এক সাংবাদিক সম্মেলনে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগ আনেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী। ২০০৮ সালে হরিয়ানার পলওয়াল জেলার হাসানপুর গ্রামে সাড়ে ছয় একর জমি কেনেন রাহুল গান্ধী। ওই জমি কেনার সময়ই তিনি কর ফাঁকি দেন বলে অভিযোগ। পাশাপাশি বাজারদরের চেয়ে অনেক কম দামে রাহুল ওই জমি কেনেন বলেও অভিযোগ করেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিকে দিয়ে গোটা ঘটনার তদন্ত দাবি করেন তিনি। হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রীর আনা এই অভিযোগ সর্বৈব মিথ্যা বলে খারিজ করেছে রাহুল গান্ধীর দফতর। এই অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং মানহানিকর বলেও অভিযোগ করেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক। জমি কেনার ক্ষেত্রে কোনওরকম অনিময় হয়নি বলেই রাহুল গান্ধীর দফতর সূত্রে প্রকাশিত বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে।