নমো সম্পর্কে নরম হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানাল গুজরাত দাঙ্গায় মোদী সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে আজও উদ্বিগ্ন তারা

নরেন্দ্র মোদী সম্পর্কে কি নরম হচ্ছে আমেরিকা? এমন সম্ভাবনা সরাসরি নাকচ করে দিল মার্কিন প্রশাসন। মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র জেন সাকি জানিয়েছেন, গুজরাত সম্পর্কে মার্কিন নীতিতে কোনও পরিবর্তন হয়নি। বিভিন্ন দেশে মানবাধিকার রক্ষা নিয়ে সম্প্রতি এক বার্ষিক রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন মার্কিন বিদেশ সচিব জন কেরি। তাতে মোদীর নাম নেই কেন, এ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্রকে। এর জবাবে তিনি বলেন, ২০০২-এর গুজরাত হিংসা ঠেকাতে গুজরাত সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে আজও সমান উদ্বিগ্ন মানবাধিকার সংগঠনগুলি।

মোদীর উত্থান নষ্ট করতে পারে ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, আশঙ্কা প্রকাশ টাইম ম্যাগাজিনে

দেবযানী কাণ্ডেই শেষ হচ্ছে না চাপানউতোর। নরেন্দ্র মোদীর উত্থানে ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে সমস্যা তৈরি হতে পারে নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে টাইম ম্যাগাজিনে। টাইমের ২৭ জানুয়ারি সংখ্যায় প্রকাশিত হতে চলেছে এই সংক্রান্ত প্রবন্ধ। দেবযানী খোবরাগাড়ে ইস্যুতে ধাক্কা খেয়েছে ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। কূটনৈতিক রক্ষাকবচ দিয়ে নয়াদিল্লি দেবযানীকে দেশে ফিরিয়ে আনায়, দুদেশের মধ্যে তিক্ততা আরও বেড়েছে। তবে চাপানউতোর কাটিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মেরামতে জোর দিচ্ছে দুই দেশ। ঠিক এমনই একটা সময়ে দিল্লি-ওয়াশিংটন কূটনৈতিক দ্বৈরথ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করল টাইম ম্যাগাজিন। বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ওই ম্যাগাজিনে, আগামী ২৭ জানুয়ারি যে প্রবন্ধ প্রকাশিত হতে চলেছে, তাতে আশঙ্কার কেন্দ্রে রয়েছেন বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদী। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর নাম না করে, জনৈক মাইকেল ক্রাউলে লিখেছেন, ভারত-মার্কিন চাপানউতোর খুব শিগগিরই কেটে যাবে, এমনটা আশা করা উচিত নয়। আরও বিশিষ্ট এক ভারতীয়ের ভিসা বিতর্ক ঘিরে, দুদেশের কূটনৈতিক সংঘাত অদূর ভবিষ্যতে আরও তীব্র হতে পারে।