পনির কাটলেট

Update: February 7, 2013 15:26 IST

আর মাত্র এক সপ্তাহ। তারপরেই সেই বিশেষ দিন। প্রেমের দিন। যেদিন সবকিছুই মনে হয় একটু আলাদা। সাজ-পোশাক, খাবার-দাবার সবকিছুতেই থাকে একটা প্রেম প্রেম গন্ধ। ওই দিনটা যদি আপনার হাতে সময় কম থাকে, তাহলে বাইরে কোথাও না গিয়ে বাড়িতেই ছোট ক্যান্ডেল লাইট টি-দিয়ে দু`জনে কাটিয়ে নিতে পারেন কিছুটা নিভৃত সময়। পনির কাটলেট হতে পারে আপনার চায়ের আদর্শ স্ন্যাকস। তবে প্রেম দিবস যখন, চেনা খাবারও একটু অন্য রূপ তো নেবেই। এ দিন বানিয়ে ফেলুন হার্ট শেপের পনির কাটলেট।

কী কী লাগবে


পনির-২৫০ গ্রাম
আলু-২টো মাঝারি সাইজের(সিদ্ধ)
কাঁচালঙ্কা-১টা ছোট
ধনেপাতা কুচি-২ টেবিল চামচ
কর্নফ্লাওয়ার-২ টেবিল চামচ
গরম মশলা-১ চা চামচ
গোলমরিচ গুঁড়ো-আধ চা চামচ
ভাজা জিরে গুঁড়ো-আধ চা চামচ
এলাচ গুঁড়ো-আধ চা চামচ
কেসর-কয়েকটা
বিট নুন-১ চা চামচ
নুন-স্বাদ মতো
তেল-পরিমান মতো
সুজি-আধ কাপ(কোটিংয়ের জন্য)
হার্ট শেপের কুকি কাটার

কীভাবে বানাবেন

একটা বড় বাটিতে পনির গ্রেট করে(কুরিয়ে) নিন। পনিরের সঙ্গে সিদ্ধ আলু মিশিয়ে ভাল করে চটকে মেখে নিন। মাখার সঙ্গে সব উপকরণ ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবারে হার্ট শেপের কুকি কাটারে অল্প তেল দিয়ে গ্রিজ করে রাখুন। কাটারের মধ্যে পনির-আলুর মিশ্রণ ভরে চাপ দিয়ে হার্ট শেপে কেটে নিন। কাটার পর প্রত্যেকটা কাঁচা কাটলেটে ভাল করে সুজি মাখিয়ে নিন।

একটা কড়াইতে তেল গরম করুন। তেলের পরিমান এমন হবে যাতে কাটলেট ডুবো তেলে ভাজা যায়। খেয়াল রাখবেন তেল যেন বেশি গরম না হয়ে যায়। মাঝারি গরম অবস্থাতেই তেলের মধ্যে কাটলেট ভেজে তুলুন। ভাজা কাটলেট টিস্যুর ওপর রেখে অতিরিক্ত তেল শুষে নিন।

থালায় কাটলেট সাজান। টমেটো গোলাপ ফুলের আকারে কেটে নিয়ে সাজিয়ে দিন। টমেটো কেচাপ ও ধনেপাতার চাটনি দিয়ে পরিবেশন করুন।









Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।