স্রিম্প অ্যান্ড মাশরুম ক্রসোঁ পাফ

Update: February 12, 2013 19:41 IST

প্রেম সপ্তাহের দিন হলেও আজকের দিনটা একটু অন্যরকম। এই দিনটা শুধু প্রেমিক-প্রেমিকাদের দিন নয়। বলা যায় আজ শুধু ভালবাসার দিন। ভালবেসে কাছে টেনে নেওয়ার দিন। প্রেমের জন্য তো ভ্যালেন্টাইনস ডে রয়েছেই। আজকের দিনটা না হয় কাটান বিশেষ কোনও বন্ধু, মা বা ভাই-বোনের সঙ্গে। যারা সকলেই জীবনে কখনও না কখনও কঠিন সময় আপনাকে বুকে জরিয়ে ধরে অভয় দিয়েছেন। আজ তবে রিটার্ন গিফটের দিন। নিজের হাতে বানানো স্রিম্প অ্যান্ড মাশরুম ক্রসোঁ পাফ আর অঢেল ভালবাসায় আজকের সন্ধেটা ভরিয়ে তুলুন শুধু তাদের জন্য।

কী কী লাগবে

ক্রসোঁ ডো-১ টা রোল
মাখন-২ টেবিল চামচ
অলিভ অয়েল-১ টেবিল চামচ
পেঁয়াজ কুচি-১ টেবিল চামচ
মাশরুম-৪ আউন্স(জল ঝরানো)
নুন-স্বাদ মতো
গোলমরিচ-স্বাদ মতো
খোসা ছাড়ানো স্রিম্প- ৮ আউন্স
হোয়াইট ওয়াইন-২ টেবিল চামচ
ময়দা-১ টেবিল চামচ
লাইট ক্রিম-আধ কাপ

কীভাবে বানাবেন

প্রি-হিটেড ওভেনে প্যাকেজে লেখা অনুযায়ী ক্রসোঁ ডো বেক করে নিন। একটা প্যানে একটা টেবিল চামচ মাখন অলিভ অয়েলের সঙ্গে মাঝারি আঁচে গলিয়ে নিন। ওর মধ্যে পেঁয়াজ কুচি ও মাশরুম দিয়ে ২-৩ মিনিট নেড়ে নিয়ে স্রিম্প দিন। নুন, গোলমরিচ দিয়ে নামিয়ে রাখুন।

অন্য একটা প্যানে হোয়াইট ওয়াইন, বাকি মাখন দিয়ে ময়দা মেশান। এই মিশ্রণে ক্রিম ফেটিয়ে মিশিয়ে দিন। এবারে স্রিম্পের মিশ্রণের সঙ্গে এই সস মিশিয়ে ফেলুন। ক্রসোঁ ব্রেডের ওপর থেকে কেটে নিয়ে ভিতরে ফিলিং দিয়ে আবার ঢাকা দিয়ে পরিবেশন করুন।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।