পাকিস্তানের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত ৩১৪

Update: September 12, 2012 10:31 IST

পাকিস্তানের দুই শহরে দুটি কারখানার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। সর্বশেষ পাওয়া খবরে মৃতের সংখ্যা ৩১৪।
 পাকিস্তানের অর্থনৈতিক রাজধানী করাচির কাছে একটি কাপড়ের মিলে আগুন লেগে ২৫ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। ভারী বৃষ্টির জেরে শর্টসার্কিট থেকেই আগুন লাগে বলে অনুমান দমকল কর্মীদের। 


অন্যদিকে পঞ্জাব প্রদেশের রাজধানী লাহোরে একটি জুতোর কারখানায় আগুন লেগে ২৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে তিনটি শিশুও রয়েছে। পাকিস্তানের এই দ্বিতীয় বৃহত্তম শহরের ওই কারখানাটিতে বিকেলের দিকে আগুন লাগার সময় বহু শ্রমিক কাজ করছিল। উদ্ধারকাজেও সমস্যা তৈরি হয়৷ প্রচণ্ড ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু হয় বেশ
কয়েকজনের৷ কারখানার অনেক শ্রমিক ঝাঁপ দিয়ে আত্মরক্ষা করতে গিয়ে আহত হয়েছেন
বলেও জানা গিয়েছে৷ আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।