১৭ স্কুল ছাত্রর স্বপ্ন পিষে দিয়ে পাকিস্তানের দুর্ঘটনায় অমানবিকতার নজির

স্কুল থেকে শিক্ষামূলক ভ্রমণের জন্য গিয়েছিল ওরা। সবাই বেশ মজা করেই ফিরছিল। সেই সময়ই ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। পাকিস্তানে স্কুল বাসের সঙ্গে একটি বড় ট্র্যাকের সংঘর্ষে নিহত হল ১৭ স্কুল শিক্ষার্থীসহ অন্তত ২১ জন। নিহতদের মধ্যে তিনজন স্কুল শিক্ষক এবং স্কুলবাসের চালকও রয়েছে।

Updated: Jan 16, 2014, 11:20 AM IST

---------------------------------------------
স্কুল থেকে শিক্ষামূলক ভ্রমণের জন্য গিয়েছিল ওরা। সবাই বেশ মজা করেই ফিরছিল। সেই সময়ই ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। পাকিস্তানে স্কুল বাসের সঙ্গে একটি বড় ট্র্যাকের সংঘর্ষে নিহত হল ১৭ স্কুল শিক্ষার্থীসহ অন্তত ২১ জন। নিহতদের মধ্যে তিনজন স্কুল শিক্ষক এবং স্কুলবাসের চালকও রয়েছে।

ডূড়ান্ত অমানবিকতার ঘটনা ঘটল এরপর। দুর্ঘটনার পর মৃত স্কুল ছাত্রদের ব্যাগ থেকে জিনিসপত্র চুরি করতে দেখা গেল স্থানীয়দের। অথচ মৃতদেহ বের করেত আনতে তত্‍পরতা দেখা গেল না।

দক্ষিণাঞ্চলীয় সিন্ধু প্রদেশের রাজধানী করাচিত থেকে প্রায় ২৭০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত নবাবশাহ শহরের কাছে এ দুর্ঘটনা হয়। হতভাগ্য শিক্ষার্থীরা নিকটস্থ দৌলতপুর শহরের ব্রাইট ফিউচার স্কুলে লেখাপড়া করত। তারা শিক্ষা সফরে নবাবশাহ শহরে গিয়েছিল। দৌলতপুর ফিরে আসার পথে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয় তারা।

নবাবশাহ শহরের সরকারি হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহত ১৭ শিক্ষার্থীর বয়স পাঁচ থেকে ১৬ বছর। এ ছাড়া, আহত আরো ১৫ থেকে ২০ জনকে চিকিতসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বেপরোয়া গাড়ি চালানোর জন্যই সম্ভবত এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা আসিফ আলী পেচুহো বলেছেন, দুই চালকের যেকোনো একজনের বেপরোয়া আচরণের কারণে এ দুর্ঘটনা হয়েছে। পাকিস্তানে প্রায়ই সড়ক দুর্ঘটনা হয়। ভাঙাচোরা রাস্তা, ত্রুটিযুক্ত যানবাহন এবং বেপরোয়া গাড়িচালনাকে এসব দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করা হয়।