নিউ জার্সিতে ২৪ ঘণ্টা, বঙ্গমঞ্চে প্রবাসে পা

Update: October 8, 2012 16:46 IST

আন্তর্জাতিক মঞ্চে ফের ২৪ ঘণ্টার উজ্জ্বল উপস্থিতি। আমেরিকার নিউ জার্সিতে হয়ে গেল প্রবাসী বাঙালির উত্‍সব, রাহুল গ্রুপ নিবেদিত ২৪ ঘণ্টা বঙ্গমঞ্চ। সঞ্চালকের ভূমিকায় ছিলেন ২৪ ঘণ্টার এডিটর ইনপুট অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়। নাচ, গান, আড্ডা, তর্কে ভরা এই অনুষ্ঠান প্রবাসীদের জন্য বঙ্গজ বিনোদনের জমজমাট প্যাকেজ। ছিল চারটি বাংলা ছবির ওয়ার্ল্ড টিভি প্রিমিয়ারও। 

নিউ জার্সি। আকারে আঙ্গিকে আদব কায়দায় আর পাঁচটা মার্কিন শহরের থেকে আলাদা নয়। সেই মাটিতে এবার পা ২৪ ঘণ্টার। প্রবাসী বাঙালিদের নিয়ে উত্সব, রাহুল গ্রুপ নিবেদিত চব্বিশ ঘণ্টা বঙ্গমঞ্চ২০১২।

চব্বিশ ঘণ্টার এডিটর ইনপুট অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে উত্সবের সূচনা করেন নিউ জার্সির ডেপুটি মেয়র রাজ মুখার্জি। উত্সব সঞ্চালনার দায়িত্বেও ছিলেন অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়।

এবারের বঙ্গমঞ্চে ওয়ার্ল্ড টিভি প্রিমিয়ারে উঠল চারটি বাংলা ছবি। শনিবার প্রথম প্রদর্শিত হয় হাসির ছবি ঘেঁটে ঘ।

এই ফিল গুড এফেক্টের রেশ ধরেই নিউ জার্সির তিন কৃতী বাঙালির হাতে চব্বিশ ঘণ্টার তরফে বিশেষ সম্মান তুলে দিলেন এডিটর ইনপুর অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়।

সন্ধের আলো ফিকে হওয়ার পর পর্দায় উঠল সৌগত রায় বর্মনের ছবি 'তবে তাই হোক'। শনিবারের শেষ আকর্ষণ ছিল রাঘব চট্টোপাধ্যায়ের গান।

রবিবার উত্সবের শুরু হাউসফুল ছবিটি প্রদর্শনের মাধ্যমে। উত্সবের বিরতিতে কেনাকাটা, গল্পগুজব। ভৌগলিক দূরত্বেও ফিকে হয়নি বাঙালিয়ানা। দুপুরে পর্দায় উঠল কোয়েল-ইন্দ্রনীলের দশমী। সন্ধের ম্লান আলোয় জমল তর্কযুদ্ধ। বিবদমান দুই পক্ষের মধ্যস্থতায় সঞ্চালক অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়।  

রবিবারের শেষ আকর্ষণ অনুপম রায়। সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই তিনি জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছেন আমেরিকাতেও। তবে তাঁর লাইভ পারফরম্যান্সের আমেজই আলাদা।

অনুষ্ঠানের ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন এখানে






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।