আল কায়দার "নিশানায়` ইরানের প্রেসিডেন্ট

Update: September 30, 2011 21:09 IST

সেপ্টেম্বর ৯/১১ ২০০১-র সন্ত্রাসবাদী হামলা সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করায়,ইরানের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদের কড়া সমালোচনা করল আল কায়দা। "আহমেদিনেজাদ হাস্যকর তত্ত্ব সাজাচ্ছেন` বলে মন্তব্য করা হয়েছে ওই জঙ্গি সংগঠনের অনলাইন পত্রিকায়। এক সাক্ষাত্‍কারে ইরানের প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন,২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে কোনও জঙ্গি হামলা হয়নি। গোটা বিষয়টাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের "ষড়যন্ত্র`। আহমেদিনেজাদের দাবি,ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের মধ্যে সেদিন বিস্ফোরক রাখা ছিল। "সেনাবাহিনী কিংবা গোয়েন্দামহলের নজর এড়িয়ে কিছু বিমান ক্ষেপণাস্ত্রের মতো আমেরিকার হৃদয়ে আঘাত হানল,এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়` বলে মন্তব্য করেছেন আহমেদিনেজাদ। সেপ্টেম্বর-সন্ত্রাসকে ঘিরে একাধিক "ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব` রয়েছে। আহমেদিনেজাদ তারই একটির কথা উল্লেখ করেছেন। তার জবাবে আল কায়দার মন্তব্য "ইরানের ইর্ষা হয়েছে। কারণ আল কায়দা যা করতে পেরেছে,ইরানের সেই হিম্মত নেই `। আল কায়দার অনলাইন পত্রিকা "ইন্সপায়ার`-এ লেখা সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে "ইরানের মার্কিন বিরোধিতা আসলে রাজনীতির খেলা । যখন প্রয়োজন পড়ে তেহরান আমেরিকার নিন্দা করে। আবার স্বার্থেরক্ষার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হাত মেলায় ইরান`। আফগানিস্তান আক্রমণের সময় ইরান কীভাবে আমেরিকার সঙ্গে সহযোগিতা করেছিল তা উল্লেখ করা হয়েছে আল কায়দার প্রবন্ধে। প্রবন্ধের লেখক আবু সোহেলের প্রশ্ন "ইরানের প্রেসিডেন্ট আজগুবি সব গল্প বলে বেড়াচ্ছেন কেন ?যাতে না আছে যুক্ত,না প্রমাণ`।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।