প্রতিবাদে প্রজন্ম আন্দোলন, বাংলাদেশে পালন ভাষা শহীদ দিবস

Last Updated: Thursday, February 21, 2013 - 10:45

আজ একুশে ফেব্রুয়ারি। ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি। একাত্তরের যুদ্ধ অপরাধীদের ফাঁসি ও জামাতকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে আন্দোলন চলছেই ঢাকার শাহবাগ স্কোয়ারে। তার সঙ্গে  মিলে গেল একুশে ফেব্রুয়ারির শহিদদের স্মরণ। গতকাল মধ্যরাতে শহিদ স্মারকে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শান্তিপূর্ণ এবং অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার ডাক দেন তিনি।
জামাত-ই-ইসলামির ডাকা হরতালে শাহবাগের সমাবেশে প্রতিনিয়ত বাড়ছে আন্দোলনকারীদের সংখ্যা। ক্রমশ তীব্রতর হচ্ছে প্রতিবাদের কণ্ঠ। একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে এ ভাবেই ঢাকায় শাহবাগে চলছে লাগাতার ধরনা।

আর এই আন্দোলন এখন ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বাংলাদেশে। চুপ করে বসে নেই জাম-এ-ইসলামি সমর্থকরাও। হরতালের সমর্থনে পথে নেমেছে তারাও। আর তার জেরেই হচ্ছে সংঘর্ষ। বিভিন্ন জায়গায় জামাত সমর্থকদের হামলার শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। রাস্তায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে যানবাহনে। কক্সবাজারে একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়ফ নামতে গিয়ে মৃত্যু হয় এক ব্যক্তির। হরতাল সমর্থনকারীদের রোষ থেকে বাদ যায়নি অ্যাম্বুলেন্সও। সংঘর্ষ রুখতে পথে নেমেছে পুলিস ও আরএবি লাঠিচার্জ ছাড়াও কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটাতে হয়েছে পুলিসকে।

বাংলাদেশের বিভিন্নপ্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে হিংসার আগুন। কিন্তু, এই হিংসা কোনওভাবেই দমাতে পারেনি আন্দোলনকারীদের। প্রতিনিয়ত বাড়ছে আন্দোলনকারীদের সংখ্যা। জামাতের ডাকা হরতালকে কার্যত তোয়াক্কা না করেই ঢাকা শহরে খোলা ছিল স্কুল, কলেজ এবং সরকারি দফতরগুলি। হরতালকে বানচাল করতে পথে নেমে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ব্লগার রাজীব হায়দরের খুনের প্রতিবাদেও সরব হয়েছেন আন্দোলনকারীরা। একাত্তরের যুদ্ধপরাধী আজাদের মৃত্যুদণ্ড রদের দাবিতে লাগাতার হরতালের ডাক দিয়েছে জামাত-ই-ইসলামি। অপর অভিযুক্ত আবদুল কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন সাজারও প্রতিবাদে সোচ্চার তাঁরা। এ নিয়ে তাঁরা পাশে পেয়েছে বিএনপি-কে। কিন্তু, সেই দাবিকে কার্যত উড়িয়ে দিয়ে শাহবাগের আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়েছে আওয়ামি লিগ।



First Published: Thursday, February 21, 2013 - 10:45


comments powered by Disqus