অশান্ত বাংলাদেশ, গণহাত্যার অভিযোগ বিরোধীদের

Update: March 1, 2013 23:10 IST

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ইস্যুতে সম্মুখ সমরে  বাংলাদেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামি লিগ এবং বিএনপি। দেশজুড়ে হতাহতের ঘটনাকে সরকারি মদতে গণহত্যা বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দল বিএনপি-র প্রধান বেগম খালেদা জিয়া। আওয়ামি লিগের অভিযোগ, একাত্তরের গণহত্যাকে চাপা দিতেই সরকার-বিরোধী জিগির তুলতে চাইছে বিএনপি।  
  
দেইল্লা রাজাকারের মৃত্যুদণ্ডের প্রতিবাদে রবি ও সোমবার বাংলাদেশে ৪৮ ঘণ্টার হরতালের ডাক দিয়েছে জামাত-ই-ইসলামি। বৃহস্পতিবার, আদালত তার মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেওয়ার পরই জামাতের প্ররোচনায় দেশজুড়ে ছড়িয়েছে হিংসা। বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা। পরিস্থিতি সামাল দিতে গুলি চালাতে বাধ্য হয়েছে পুলিস। শুক্রবার, বিরোধী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই ঘটনাকে সরকারি গণহত্যা বলে মন্তব্য করেছেন। মঙ্গলবার, বাংলাদেশে হরতালের ডাক দিয়েছে বিএনপি।
 
বিরোধী দল সরকারকে আক্রমণের নিশানা করায় পাল্টা আক্রমণের রাস্তায় আওয়ামি লিগও। হিংসা দমনের নামে নিরাপত্তাবাহিনী অসংযত আচরণ করায় বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটছে বলে অভিযোগ বিএনপি-র। পাল্টা অভিযোগ করেছে আওয়ামি লিগও।  

যুদ্ধপরাধীদের বিচার ইস্যুতে জামাতপন্থীদের সঙ্গে শাহবাগের লড়াইয়ে এই মুহূর্তে যুযুধান বাংলাদেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামি লিগ ও বিএনপি। 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।