ধর্মীয় রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে ধর্মঘট বামেদের

Update: December 19, 2012 12:22 IST

ধর্মীয় রাজনৈতিক দলগুলিকে নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবি ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিতে গতকাল বাংলাদেশে ধর্মঘটের ডেকেছিল বামপন্থীরা। তারই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার পাল্টা ধর্মঘটের ডাক দিল বারোটি ইসলামিক দল। তবে এই ধর্মঘটকে সমর্থন করছে না বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি।

নির্দল সরকারের তত্ত্বাবোধানে নির্বাচন করার দাবিতে গত সপ্তাহে বাংলাদেশে সাধারণ ধর্মঘট ডেকেছিল বিএনপি নেতৃত্বাধীন আঠারো দলের বিরোধী জোট। সেই ধর্মঘটে দেশের বিভিন্ন শহরে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। এরপর বাংলাদেশে সমস্ত ধর্মীয় রাজনৈতিক দলগুলিকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে মঙ্গলবার ফের ধর্মঘটের ডাক দেয় কমিউনিস্ট পার্টি অফ বাংলাদেশ। তবে এবার কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ফলে মঙ্গলবারের ধর্মঘট ছিল মোটের উপর শান্তিপূর্ণ।

বাংলাদেশে ধর্মীয় রাজনৈতিক দলগুলিকে নিষিদ্ধ করার যে দাবি তুলেছে বামপন্থীরা, তার কড়া সমালোচনা করেছে বিরোধী জোটে থাকা একাধিক রাজনৈতিক দল। যার মধ্যে অন্যতম হল ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি, মুসলীম লিগ, জামিয়তি উলেমা ইসলাম, ইসলামিক পার্টি। এরই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার ফের দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে তারা।

তবে সেই ধর্মঘটে থাকবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। ধর্মঘটে অংশগ্রহণকারি দলের তালিকায় তাদের নাম থাকলেও, এনডিপি, বাংলাদেশ ন্যাপ এবং ন্যাপ ভাসানী - এই তিনটি দলও কুড়ি তারিখের ধর্মঘটে যোগদানের ব্যাপারে চূড়ান্ত সম্মতি জানায় নি।

Post Your Comment

Total Comments:1

Bangladesh k ghrina kri.karn tara amar er desh i mean amar india k sob somoy gali galaj kore.se bnp hnk r aaoami leag hok..jay hind.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।