রক্ষণশীল দলের হাতেই রইল লন্ডন

Update: May 5, 2012 12:53 IST

লন্ডনের মেয়র পদে পুনর্নিবাচিত হলেন কনজারভেটিভ পার্টির প্রার্থী বরিস জনসন। লেবার পার্টির প্রার্থী কেন লিভিংস্টোনকে অল্প ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয় বারের জন্য মেয়রের পদ দখল করেন জনসন। ফল ঘোষণার পরই নিজের পরাজয় মেনে নিয়ে আর ভোটে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন লেবার পার্টির প্রার্থী কেন লিভিংস্টোন। জনসন পেয়েছেন ১,০৫৪,৮১১ ভোট। লিভিংস্টোনকে সমর্থন জানিয়েছেন ৯৯২,২৭৩ জন ভোটদাতা।

তবে লন্ডনে হারলেও ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের অন্যান্য পুরসভাগুলিতে তুলনামূলকভাবে ভালো ফল করেছেন লেবার পার্টির প্রার্থীরা। প্রধানমন্ত্রী পদে ডেভিড ক্যামেরনের জয়লাভের পর থেকে যে কোন নির্বাচনে খারাপ ফল করেছে রক্ষণশীল টোরিরা। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে লন্ডনের মেয়র পদে কনজারভেটিভ প্রার্থী বরিস জনসনের জয়লাভকে টোরিদের ঘুরে দাঁড়ানো বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।