সস্ত্রীক শ্বশুড়বাড়িতে হাই প্রোফাইল জামাই

Update: March 5, 2013 12:36 IST

রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের  তিন দিনের বাংলাদেশ সফরের আজ শেষ দিন। শেষদিনের ঠাসা কর্মসূচির মাঝেই আজ শ্বশুরবাড়ি নড়াইলে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি। সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী শুভ্রা মুখোপাধ্যায়। গ্রামে যথারীতি সাজ সাজ রব। সস্ত্রীক রাষ্ট্রপতির জন্য নতুন করে বাঁধানো হয়েছে রাস্তা।

শুভ্রা দেবীর দাদা, কানাই লাল ঘোষ এখনও গ্রামের পৈতৃক বাড়িতেই থাকেন। তিনিও বোন সহ হাই প্রোফাইল ভগ্নীপতির আসাতে বেশ খুশি। অতিথি আপ্যায়নেও চলছে ব্যাপক তোড়জোড়। স্থানীয় মাছ, বিশেষ করে ইলিশ মাছ, মিষ্টি, পিঠে সহ বিভিন্ন স্থানীয় `ডেলিকেসি`তে সমাদৃত হচ্ছে তাঁদের আহার তালিকা।

এর আগে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থেকে একটি নতুন মালগাড়ির যাত্রা সূচনা করেন তিনি। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ছিলেন রেল প্রতিমন্ত্রী অধীররঞ্জন চৌধুরী। নড়াইল থেকে রাষ্ট্রপতি যাবেন মির্জাপুর। মির্জাপুরের কুমুদিনি হাসপাতাল পরিদর্শনের পর শিলাইদহ যাবেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। শিলাইদহ পরিদর্শনের পর ঢাকা ফিরছেন তিনি। বিকেলে ঢাকার বঙ্গবন্ধু এয়ারপোর্ট থেকে ভারতের উদ্দেশে রওনা দেবেন রাষ্ট্রপতি।






Post Your Comment

Total Comments:1

বিএনপি - জামাত ও সমমনা জঙ্গী দলগুলো গৃহযুদ্ধের মহড়া প্রায়ই শেষ করেছে। এখন গৰ্ত কুড়ে এবং গাছ কেটে সকল রাস্তা ব্লক করে দিচ্ছে। একটি ভয়াবহ ঘটনা ঘটাতে ওরা প্রস্তুত, যদিও ওদের পাৰ্শবৰ্তী কোন সাহায্য নেই। তবে সাহসের উৎস কি তা জানালে সবাই জানতে পারত।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।