চ্যাম্পিয়ন গুগ্‌ল ডুড্‌ল

Update: August 7, 2012 13:47 IST

প্রতিদিনের নিত্য নতুন ডুড্‌লে `দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ` লন্ডন অলিম্পিককে অভিনব `ওভেশন` দিয়েছে গুগ্‌লের হোমপেজ। তবে আজ, অলিম্পিকের দ্বাদশ দিনে ১১০ মিটার পুরুষ বিভাগের হার্ডল রেসের ইন্টার‍্যাক্টিভ ডুড্‌ল মাত করেছে বিশ্বকে।

কি-বোর্ডের রাইট ও লেফ্‌ট কি-তেই ছুট লাগাচ্ছে গুগ্‌লের ডুড্‌লটি। স্পেস বারে তিড়িং করে হার্ডল টপকে চলেছে সে। রেস শেষ হলেই মিলবে স্কোর, তার সঙ্গে তারাও। গুগ্‌ল প্লাসেও শেয়ার করা যাচ্ছে সেই স্কোর।

তবে মোবাইলে অবশ্য এই দৌড়ের অবকাশ নেই। সেখানে কেবল স্থির চিত্রেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে উপভোক্তাদের।

এর আগে, গত ১১ দিনে শট পুট, জ্যাভেলিন, সিঙ্ক্রোনাইজ্‌ড সাঁতার, টেবিল টেনিস, তীরন্দাজি সহ বিভিন্ন দিনে বিভিন্ন ডুড্‌ল উপহার দিয়েছে গুগ্‌ল। অলিম্পিক উদবোধনের দিন ডুড্‌লে পাঁচ অ্যাথলিটকে দেখা গিয়েছে পাঁচটি আলাদা আলাদা খেলায় অংশ নিতে।

তবে হার্ডল রেসের এই ইন্টার‍্যাক্টিভ গুগ্‌ল ডুড্‌লটি আজকেই প্রথম। এবং এসেই মাতিয়ে দিয়েছে বিশ্বজালের অধিবাসীদের।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।